উত্তরের জঙ্গলে হতাশ করল বাঘশুমারি
উত্তরবঙ্গের জঙ্গলে কি সত্যিই বাঘ আছে? আগেই সংশয় ছিল। সেই সংশয় আরও বাড়িয়ে দিল বাঘ গণনা। সূত্রের খবর, বক্সা, জলদাপাড়া, গরুমারা–কোথাও বাঘের হদিশ পাওয়া যায়নি। আপাতত ভরসা শুধু ট্র্যাপ ক্যামেরা।
উত্তরবঙ্গের জঙ্গলে কি সত্যিই বাঘ আছে? আগেই সংশয় ছিল। সেই সংশয় আরও বাড়িয়ে দিল বাঘ গণনা। সূত্রের খবর, বক্সা, জলদাপাড়া, গরুমারা–কোথাও বাঘের হদিশ পাওয়া যায়নি। আপাতত ভরসা শুধু ট্র্যাপ ক্যামেরা।
দুপাশে ঘন জঙ্গল। চোখের সামনে মেঘ ভেসে বেড়াচ্ছে। তার মাঝ দিয়ে আপনার গাড়ি এগিয়ে চলেছে। একটা ছবির মতো সুন্দর গ্রাম। সবমিলিয়ে বড়জোর একশো পরিবারের বাস। নিরিবিলি, শুনশান একটা পাহাড়ি গ্রাম।চটকপুর থেকে ফিরে এসে লিখলেন দেবাঞ্জন চক্রবর্তী।।
আমরা কি সত্যিই উত্তরবঙ্গকে ভালবাসি ? উত্তরবঙ্গকে কি আমরাও নিজেদের মতো করে তুলে ধরতে পারি না ? কীভাবে ? অভিনব এক পন্থা বাতলে দিলেন তিস্তা ঘোষাল।
খুব পরিচিত জায়গা নয়। তবে মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতোই ঠিকানা লেপচাজগত। পাইন বনে মেঘের আনাগোনা। আকাশ একটু পরিষ্কার থাকলেও ডানা মেলবে শ্বেতশুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘা। সেখান থেকে ফিরে এসে দু–চার কথা। ভাগ করে নিলেন সন্দীপ লায়েক।
কক্সবাজার সৈকতের দৈর্ঘ্য কত ? ১২০ কিমি। না, ছাপার ভুল নয়, সত্যিই ১২০ কিমি। এত লম্বা বিচ আপনি কল্পনা করতে পারেন ? অর্থাৎ, যতদূরেই যান, সমুদ্রের উত্তাল গর্জন আপনার সঙ্গেই থাকছে। জোয়ারে তার যেমন উত্তাল রূপ, ভাটায় সে যেন ততটাই শান্ত, স্নিগ্ধ।
এই গরমে যদি পাহাড়ে হারিয়ে যাওয়া যেত! পাহাড় মানেই কি শুধু দার্জিলিং–গ্যাংটক! কত নির্জন পাহাড়ি গ্রাম আছে। যা তথাকথিত টুরিস্ট স্পটের থেকে ঢের সুন্দর। তেমনই এক সুন্দর পাহাড়ি ঠিকানা তুলে ধরলেন রূপম রায়।
মাথার উপরে দিগন্ত বিস্তৃত নীল আকাশ আর চারিদিকে শুধু শ্বেত শুভ্র বরফরাশি। হিমালয়ের কোলে ছোট্ট শৈল শহরের নাম নারকান্ডা। চলো এবার পুজোর ছুটিতে ঘুরে আসি।লিখেছেন শান্তনু ব্যানার্জি।।
ভিন রাজ্য। তবে, খুব দূরে নয়, কলকাতা থেকে ঘণ্টা তিনেক। ঘাটশিলা পেরিয়ে গালুডি। পাহাড় দিয়ে ঘেরা। নির্জন প্রান্তর। অনেক স্মৃতি নিয়ে থাকা সুবর্ণরেখা। এই পথেই তো হেঁটে বেড়াতেন বিভূতিভূষণ। আপনিও হেঁটে বেড়ান। লিখেছেন সন্তু বিশ্বাস।।
একটা দার্জিলিংয়ের আড়ালে আরও কত জনপদ রয়ে গেল। আমরা কতটুকুই বা খোঁজ রাখি। আমরা শুধু দার্জিলিংয়ে গিয়ে ভিড় জমাই। নাম না জানা কত ঠিকানা আমাদের অজানাই থেকে যায়। লিখেছেন তিস্তা ঘোষাল।
ওই দুর্গম পাহাড়ি পথেও ছেলে মেয়েরা স্কুলে যাচ্ছে। যাওয়াটা না হয় সহজ। নেমে গেলেই হয়। কিন্তু কার্শিয়াং থেকে হেঁটে ফিরে আসছে! সত্যিই পেন্নাম করতে ইচ্ছে হল। আমরা যদি এই দুর্গম এলাকায় থাকতাম, কোনকাল লেখাপড়ার পাট চুকিয়ে দিতাম। ড্রপ আউটের তালিকায় আমাদের নামগুলো জ্বলজ্বল করত।