একটা দুশ্চিন্তাকে সঙ্গে নিয়েই গিয়েছিলাম পাহাড়ে। পৌঁছনোর পরেও সেই দুশ্চিন্তাই যেন তাড়া করছিল। সকালের ঝলমলে কাঞ্চনজঙ্ঘাই যেন সবকিছু বদলে দিল। ভরা বর্ষায় সে এমনভাবে দেখা দেবে, ভাবনারও অতীত ছিল। ওই হেম স্টেতে বসেই কিনা হয়ে গেল বহুজাতিক কোম্পানির দু’খানা ইন্টারভিউ। সবই কেমন যেন অবিশ্বাস্য লাগছে। পাহাড় সফরের অন্য এক উপাখ্যান। উঠে এল শান্তনু পাঁজার লেখায়।
প্রখর দারুণ অতি দীর্ঘ দগ্ধ দিন। এই গরমে কোথায় একটু প্রাণ জুড়োই। অথচ, খুব দূরেও যাওয়া যাবে না। লম্বা ছুটিও পাওয়া যাবে না। তাই পড়শি রাজ্য সিকিম থেকেই ঘুরে আসা যাক। মেঘ ভেসে বেড়ায়, এমন এক রাজ্য। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।
কিছুদূর যাওয়ার পরই রাস্তার পাশে একটা ছবির মতো সুন্দর বাড়ি চোখে পড়ল। সামনে অজস্র ফুলে ঘেরা লন। সেখানে বসে এক বিদেশিনী আলতো রোদ গায়ে মেখে একমনে বই পড়ছেন। দৃশ্যটা মনে গেঁথে যাওয়ার মতোই। জায়গাটা একঝলক দেখেই বেশ ভাল লেগে গেল। জানা গেল, সেটা এক নেপালী পরিচালিত হোমস্টে। বাড়ির সামনে অনেকটা ফাঁকা জায়গা। নানারকম পাহাড়ি ফুল বাগান আলো করে রেখেছে। অদ্ভুত প্রজাতির পাতাবাহার ও অর্কিডও রয়েছে। পাশেই রয়েছে বহু পুরনো বিশাল এক চার্চ।সিটং থেকে ফিরে লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।
বিশ্বজিৎ ঘোষ সদ্য একপশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে, ঝুড়ো লালমাটি বৃষ্টির জল পেয়ে জমাট বেঁধে গেছে। চারপাশের গাছপালা, ঝোপঝাড়গুলি যেন কালচে সবুজ হয়ে গেছে। শুধু কালচে বললে ভুল বলা হবে, সবুজের...
আমাদের ঘরটা বেশ সুন্দর। ঘর লাগোয়া বারান্দা থেকে খুব ভাল ভিউ পাওয়া যায়। দূরের পাহাড়ে পেলিং শহর দেখা যায়। আর যেটা দেখা যায় সেটা হল সন্ধ্যেবেলা আকাশের তারাগুলো কীভাবে আলোর বিন্দুর সঙ্গে মিশে যায়। ১৮০ ডিগ্রি ভিউতে দেখা যাচ্ছে বিন্দু বিন্দু আলোয় ভর্তি পাহাড়ের সারি, এক কথায় অসামান্য। মনে হচ্ছিল, একঝাঁক তারা যেন কোন এক অমোঘ আকর্ষণে মাটিতে নেমে এসেছে।
চারপাশে নাম না জানা গাছের সারি। কোথাও ফিকে। কোথাও ঘন। সন্ধে নামলেই গা ছমছমে একটা ব্যাপার। বনের মধ্যে নির্জন কাঠের বাংলো, ঝুপড়ি হোটেল, শুনশান স্টেশন, হাতির ডাক। ডুয়ার্সের টুকরো টুকরো ছবি। উঠে এল অন্তরা চৌধুরির লেখায়।
জয়রামবাটী বা কামারপুকুরের নাম তো আপনারা সবাই শুনেছেন। বেড়াতে যাওয়ার পক্ষে আদর্শ জায়গা। অনেক দূরদূরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ আসছেন। কিন্তু জানেন কি কোয়ালপাড়া মঠের কথা? জয়রামবাটী থেকে মাত্র চার...
রুমা ব্যানার্জি শহুরে একঘেয়েমিতে ক্লান্তজীবন যখন প্রাণ ভরে নিশ্বাস নিতে চায়, তখন মন ছুটে যায় নীল সবুজ হিমালয়ের কোলে কোনও অজানা গ্রামে। সেখানকার সোঁদা মাটির গন্ধ, ঝোপে ঝাড়ে ঝিঁঝি পোকার...
শ্রাবণ মাস পড়ে গেল। শ্রাবণ মানেই বৃষ্টি। একটি বৃষ্টির দিনের কথা বলি। তখন আমাদের অল্প বয়স। বৃষ্টিকে পরোয়া করতাম না। বৃষ্টির মাঝেই খেলতাম। ক্রিকেটটা খেলা যেত না (তাছাড়া, তখন শীতকাল ছাড়া ক্রিকেট সেভাবে হতও না)। তবে ফুটবলটা দিব্যি খেলা যেত।
তিনদিনের ছুটি নেই। ক্ষতি নেই। দেড়দিনেই সুন্দরবনের কিছুটা স্বাদ পেয়ে যাবেন। সহজেই চলে যেতে পারেন কৈখালি। উত্তাল মাতলার বুকে ভেসে ভেসে পৌঁছে যান ঝড়খালি। ছোট্ট সফরের হদিশ দিলেন অন্তরা চৌধুরি।