পালে বাঘ পড়ার মতোই দশা হয়েছে শুভেন্দুর

রক্তিম মিত্র পালে বাঘ পড়ার গল্পটা নতুন নয়। একজন রাখাল গরু চরাতো। একা একা গরু চরাতে কার আর ভাল লাগে!‌ সে মাঝে মাঝেই চিৎকার করত, বাঘ এসেছে। বাকিরাও তাকে বাঁচাতে...

রাতের ট্যাক্সি চাই!‌ ‘‌না’‌ শোনার জন্য তৈরি থাকুন

রাতের কলকাতায় ট্যাক্সি ধরা মানে ভয়ঙ্কর এক অভিজ্ঞতা। প্রায় সবার কাছেই আপনি ‘‌না’‌ শোনার জন্য তৈরি থাকুন। বোঝাই যায়, ট্যাক্সির ওপর পুলিশের কোনও নিয়ন্ত্রণই নেই। ওপেন ফোরামে এমনই অভিজ্জতার কথা...

এত প্রচার, এত আস্ফালন, লোক কই?‌

একেকটা কেন্দ্রে মুখ্যমন্ত্রীর চারটে–‌পাঁচটা করে সভা। কিন্তু লোক কোথায়?‌ আশি ভাগ তো আশা কর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি, সিভিক ভলান্টিয়ারে ভর্তি। সাধারণ মানুষ বা তৃণমূল কর্মীরা কোথায়?‌ লোক জড়ো করতে ভরসা সেই পুলিশ।...

নতুন ফিচার:‌ ভোটকর্মীর ডায়েরি

ভোটের বাজনা বেজে গেছে আগেই। একদিকে তীব্র দাবদাহ। অন্যদিকে, প্রচারও চলছে বেশ জোরকদমে। মিটিং, মিছিল, রোড শো চলছে নিজের নিয়মেই। এবারও ভোট শুরু উত্তরবঙ্গ থেকে। কী ভাবছেন ভোটকর্মীরা?‌ কতখানি আশঙ্কায় আছেন?‌ আগে ভোটের ডিউটির অভিজ্ঞতাই বা কেমন?‌

ছোট্ট ছুটিতে, মেঘের দেশে

প্রখর দারুণ অতি দীর্ঘ দগ্ধ দিন। এই গরমে কোথায় একটু প্রাণ জুড়োই। অথচ, খুব দূরেও যাওয়া যাবে না। লম্বা ছুটিও পাওয়া যাবে না। তাই পড়শি রাজ্য সিকিম থেকেই ঘুরে আসা যাক। মেঘ ভেসে বেড়ায়, এমন এক রাজ্য। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।

পায়ে হেঁটেই নববর্ষের আড্ডায় হাজির দাদাঠাকুর

পোশাকি নাম সবিতেন্দ্রনাথ রায়। বইপাড়ায় জনপ্রিয় নাম ভানুবাবু। নববর্ষ মানেই তাঁর দোকানে লেখকদের জমজমাট আড্ডা। অনেক স্মৃতি সযত্নে আগলে রেখেছেন। তাঁর সঙ্গে মুখোমুখি আলাপচারিতায় স্বরূপ গোস্বামী।।

উপেক্ষা করুন, কুকথার স্রোত থেমে যাবে

নির্বাচনী ভাষণ আগেও ছিল। তাতে একে অন্যকে দেখে নেওয়ার হুঙ্কার ছিল। এখন সেই হুঙ্কার এসে পৌঁছে যাচ্ছে আপনার বাড়িতে। টিভিতে সারাদিন সেই প্ররোচনা মূলক ভাষণের ক্লিপিং। এক দৃশ্য, এক সংলাপ সারা দিনে অন্তত তিনশোবার দেখানো হচ্ছে। সেটাকে কাউন্টার করে পাল্লা কোনও কুকথা বলা হলে সেটাকে ঘিরেও দিনভর প্রচার।

বেঙ্গল টাইমস। ই ম্যাগাজিন। নববর্ষ সংখ্যা

বেঙ্গল টাইমসের নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা। বাংলা নতুন বছরে পঞ্চাশ পাতার ই ম্যাগাজিন। ডাউনলোড করলেই পড়ায় যায়। দেওয়া হল ওয়েবলিঙ্কও।

আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম

পয়লা বৈশাখ ব্যাপারটা ঠিক কী?‌ যখনই এই তারিখটা আসে, নানারকম জ্ঞানগর্ভ আলোচনা হাজির হয়ে যায়। ভারতের কোন কোন রাজ্যে কী নামে তা পরিচিত। কোন রাজার হাত ধরে কীভাবে এর বিস্তার ইত্যাদি ইত্যাদি। আর কেউ একটা যদি ফেসবুকে ছাড়ল, তাহলে তো কথাই নেই। একদল সেটাকে শেয়ার করতে ব্যস্ত রইল। আরেকদল বলা নেই, কওয়া নেই, কপি পেস্ট করে নিজের নামে ঝেঁপে দিল। তারপর সারাদিন লাইক গুনতে লাগল।

যেখানে মেঘ গাভীর মতো চরে

পাহাড়ের আনাচে কানাচে কত অচেনা জনপদ। দার্জিলিং–‌গ্যাংটক চিৎকারের আড়ালে সেগুলি চাপা পড়ে যায়। কার্শিয়াংয়ের কাছে তেমনই একটি মন ভালো করে দেওয়া জায়গা বাগোড়া। সেখান থেকে ঘুরে এসে লিখলেন অন্তরা চৌধুরী।।