এক দল থেকে অন্য দলে যাওয়ার নজির অনেক আগেও ছিল। কিন্তু তার একটা ধারাবাহিক প্রক্রিয়া থাকত। দীর্ঘদিন ধরে দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে। অভিমান জমা হচ্ছে। যা হয়তো তাঁকে অন্য শিবিরে নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এখন দলবদলটাও যেন তৎকাল টিকিটের মতো। সকাল পর্যন্ত যিনি এক দলের হয়ে মিছিল করেছেন, হঠাৎ দেখা গেল, বিকেলে তিনি অন্য দলের পতাকা ধরছেন।
গোটা দেশ তো আর কাশ্মীর বা হরিদ্বার বা দার্জিলিং নয়। দেশের নব্বই শতাংশ জায়গাই এই উষ্ণায়নের চোখরাঙানিতে সন্ত্রস্ত। সেখানে তিন মাস ধরে ভোট পর্ব মানে, সেও এক সন্ত্রাস।
সুচিত্রা সেনের জন্মদিনে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি। কিংবদন্তি নায়িকার জীবনের নানা অজানা অধ্যায় নিয়ে রয়েছে বিভিন্ন আকর্ষণীয় লেখা। প্রায় পঞ্চাশ পাতার ই ম্যাগাজিন। ডাউনলোড করলেই পড়তে পারবেন।
স্বয়ং সুচিত্রা সেন ফোন করে ইন্টারভিউ দিতে চাইলেন! কিন্তু ছবি তুলতে বাধা দিলেন। কেন? লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।। হঠাৎ বেজে উঠল মোবাইলটা। অচেনা নম্বর। সাতসকালে কে আবার ফোন করে জ্বালাত করছে!...
কাকে মানাবে ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকায়? মুম্বইয়ে তখন অভিনেত্রীর অভাব নেই। একের পর এক গ্ল্যামারাস মুখ। তবু গুলজারকে কিনা ছুটে আসতে হয়েছিল কলকাতায়! লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
একা সুচিত্রা, একা তিনি। একঘরে ঠিক একঘণ্টা পাঁচ মিনিট। সেই অভিজ্ঞতার স্মৃতি রোমন্থন করলেন তুষার প্রধান। আঁধির ইন্দিরা গান্ধীকে মনে পড়ছিল খুব। আমি যখন সুচিত্রা সেনের সামনে বসে। সপ্তপদীর রিনা...
উত্তম ছাড়া সুচিত্রা অচল। অথচ, কত বায়নাক্কা! উত্তমের চেয়ে বেশি টাকা চাই। পোস্টারে আগে নাম চাই। অন্যদের সঙ্গে ছবি হিট হল না কেন? নন্দ ঘোষের আক্রমণের শিকার এবার সুচিত্রা সেন।
আলাপ হয়েছিল ঝগড়া দিয়ে। তারপর থেকে তাঁরা একে অপরের বন্ধু। সুচিত্রা সেনের বাড়িতে তাঁর জন্য অবারিত দ্বার। টুকরো টুকরো সেই মুহূর্তের ছবি উঠে এসেছিল বর্ষীয়াণ সাংবাদিক অমিতাভ চৌধুরির স্মৃতিচারণে। বয়স...