সমর্থকদের ভোগান্তি ধামাচাপাই পড়ে গেল

সবুজ সান্যাল খেলা শুরু সাড়ে সাতটায়। একজন সমর্থক কখন মাঠে আসবেন?‌ কেউ আসবেন সাতটায়। কেউ হয়তো তারও আগে, ছটায়। এসে আপনা কাউন্টারের সামনে লাইনে দাঁড়ালেন। আপনি অনলাইনে টিকিট কেটেছেন। কাউন্টার...

টিকিট নিয়ে এত ভোগান্তি কেন?‌

টিকিট যে মোহনবাগান তাঁবু থেকে তুলতে হবে, এমন কোনও আগাম ঘোষণাও ছিল না। খেলার দিন ফেসবুকে নাকি একটা ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। জেলা থেকে আসা সমর্থকদের আবেগের কথা একটু ভাবুন। তাঁদের এত হয়রানির মধ্যে ফেলা সত্যিই কি খুব জরুরি?‌ কীভাবে মানুষ আরও সহজে টিকিট পেতে পারেন, সেটা লক্ষ্য না হয়ে কীভাবে আরও ভোগান্তিতে ফেলা যায়, সেটাই যেন লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দ্বিধাদ্বন্দ্ব সরিয়েও ‘‌জাস্টিস’‌ চাই

উইশফুল থিঙ্কিং। অর্থাৎ, আমি কী চাই। ভোটে কে জিতবেন, কে হারবেন, তা ঠিক করবেন জনতা। কিন্তু কার জয় চাই, কার পরাজয় চাই। কেন?‌ এই নিয়েই বিশেষ বিভাগ। এবার জাস্টিস অভিজিৎ গাঙ্গুলি। তাঁকে নিয়ে লিখলেন রক্তিম মিত্র।।

রচনা শত্রু নন, তবু চাই তিনি হারুন

উইশফুল থিঙ্কিং। অর্থাৎ, আমি কী চাই। ভোটে কে জিতবেন, কে হারবেন, তা ঠিক করবেন জনতা। কিন্তু কার জয় চাই, কার পরাজয় চাই। কেন?‌ এই নিয়েই বিশেষ বিভাগ। এবার রচনা ব্যানার্জি। তাঁকে নিয়ে লিখলেন বিপ্লব মিশ্র।।

দেবের সৌজন্য মেকি নয়, বেশ আন্তরিক

লোকসভার পারফরমেন্সে তিনি ব্যর্থ। এলাকার উন্নয়নেও তেমন সফল নন। তারপরও চাইব, দেব থাকুন। সুস্থ রাজনীতির স্বার্থে, সৌজন্যের স্বার্থে। ‘‌উইশফুল থিঙ্কিং’‌ বিভাগে এবার দেবকে নিয়ে কলম ধরলেন সৌম্যজিৎ চৌধুরি।

সৃজনের ছোঁয়ায় সংসদটা একটু সৃজনশীল হয়ে উঠুক

বিপ্লব মিশ্র এবার ভোটে আমার প্রিয় প্রার্থী কে?‌ বিয়াল্লিশটি কেন্দ্র। এমন অনেকেই আছেন, যাঁরা জিতলে ভাল লাগবে। কিন্তু এক নম্বরে রাখব সৃজন ভট্টাচার্যকে। নামটার মধ্যেই অদ্ভুত এক সৃজনশীলতার অনুভূতি। অদ্ভুত...

‌সংসদের সেই দৃপ্ত কণ্ঠস্বর

বাংলার দিকপাল সাংসদরা যখন কথা বলতেন, গোটা সংসদ তখন যেন মুগ্ধ শ্রোতা। অতীত দিনের সেইসব দিকপাল সাংসদদের নিয়ে বিশেষ সিরিজ। এবারের শ্রদ্ধার্ঘ্য গুরুদাস দাশগুপ্তকে। তাঁকে নিয়ে লিখেছেন ড. অরিন্দম অধিকারী।

আদালতও আগে আসল মাথা খুঁজুক

রক্তিম মিত্র এক ধাক্কায় পঁচিশ হাজার শিক্ষকের চাকরি যাওয়ার নিদান। অনেকের কাছেই বৈপ্লবিক এক রায়। অনেকেই দেখছি উল্লসিত। কিন্তু আমি ঠিক ততখানি উল্লসিত হতে পারছি না। এই পর্যন্ত পড়ে অনেকেই...

বিপক্ষের প্রার্থী কে হবেন, সেটাও তিনিই ঠিক করে দেন

রক্তিম মিত্র বেশ কেকদিন আগের কথা। অন্তত দিন কুড়ি তো হবেই। হঠাৎ একটি অডিও ছড়িয়ে গেল। যেখানে শোনা যাচ্ছে, একজন অন্যজনকে বলছেন, ‘‌কবীর আমি খুব চাপে আছি। তুমি টিকিটটা নাও।’‌...

এমন স্পিকার আছেন বলেই দলবদলুরা এত উৎসাহ পান

হ্যাঁ, এমন স্পিকার থাকেন বলেই দলবদলুরা অনায়াসে দলবদল করতে পারেন। এমন স্পিকার থাকেন বলেই দলবদলুরা পিএসি চেয়ারম্যানও হয়ে যান। বলা হয়, স্পিকার পদের আলাদা একটা সম্মান আছে। তাই অনেকে এই পদের সমালোচনা থেকে বিরত থাকেন। কিন্তু যিনি এই চেয়ারে বসছেন, তাঁকে এই সম্মানের যোগ্য হয়ে উঠতে হয়।