এই দেশে উল্লাস, ওই দেশে কান্না

আমাদের কাছে পনেরোই আগস্ট মানে স্বাধীনতা দিবস। আনন্দের দিন। কিন্তু পাশের দেশে ছবিটা অন্যরকম। সেখানে পনেরোই আগস্ট মানে মর্মান্তিক এক হত্যাকান্ড। পনেরোই আগস্ট মানেই ভয়াবহ সেই স্মৃতি। পনেরোই আগস্ট মানে যন্ত্রনার দিন, কান্নার দিন।

‌পনেরোই আগস্ট এলেই বাঙালি যে গান গাইবে….

পাড়ায় আজকাল আর মাইক বাজে না। রেকর্ডের যুগ তো কবেই ফুরিয়েছে। ক্যাসেটও যেন লুপ্তপ্রায় প্রজাতি। তবু গান কিন্তু থেমে নেই। নানা বিবর্তনের পরেও নানা উপলক্ষে সে ঠিক বেজে ওঠে। সে পঁচিশে বৈশাখ হোক বা পয়লা জানুয়ারি। সে ছাব্বিশে জানুয়ারি হোক বা পনেরোই আগস্ট।

ভোলেবাবা অভিযান, সেই প্রথম গঞ্জিকায় টান

শ্রাবণ মাসের এমনই এক রবিবার।শুশুনিয়া থেকে জল নিয়ে এক্তেশ্বর। কত নিষিদ্ধ হাতছানি। আটের দশক, নয়ের দশকে এটা ছিল চেনা ছবি। ভিড়টা এখনও আছে। তবে, আবেগটা হয়ত হারিয়ে গেছে। এমনই এক শ্রাবণের জল ঢালার কথা উঠে এল স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে।

শুধু করোনা নয়, হাঁটু নিয়েও সাবধান থাকুন

লাগাতার লকডাউনে কমে গেছে হাঁটাচলা। কমেছে শরীর চর্চাও। বাড়বাড়ন্ত হয়েছে অস্টিও আর্থ্রাইটিসের। প্রতিকারের উপায় কী?‌ জানালেন বিশিষ্ট অর্থোপেডিক সার্জন ডা. অভিষেক দাস।

কজন বাঙালি গিয়েছেন জোড়াসাঁকোয়?‌

রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে বাঙালির আদিখ্যেতার শেষ নেই। একটা সমীক্ষা করুন, কজন জোড়াসাঁকোয় গিয়েছেন। খাস কলকাতায় হাজারে একজনও পাবেন কিনা সন্দেহ। এই হল রবি ঠাকুরের প্রতি বাঙালির ভালবাসার নমুনা। লিখেছেন সজল মুখার্জি ।।

মন্দির নির্মাণের আস্ফালন বুঝিয়ে দিল বিশ্বকবি কতখানি প্রাসঙ্গিক

রবি ঠাকুরের কবিতার শেষ পংক্তির সঙ্গেও কি আশ্চর্য মিল বর্তমান সরকারের প্রতিনিধি বা সমর্থকদের। সেখানে সাধু নরোত্তমকে ক্রুদ্ধ রাজা বলছেন, ‘‌ভণ্ড পামর, মোর রাজ্য ত্যাগ করে এ মুহূর্তে চলি যাও।’‌ দেশের এই দারুণ দুর্দিনে ‘‌রামমন্দির’‌ নির্মাণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেই জবাব আসছে, ‘‌দেশদ্রোহী। হিন্দুত্বের কলঙ্ক। ভারতবর্ষ ছেড়ে চলে যাও পাকিস্তান বা অন্য কোনও দেশে!’‌ কী অসাধারণ দূরদর্শিতা বিশ্বকবির! ওপেন ফোরামে বিশেষ প্রতিবেদন।

উত্তমকে বড় করুন, অন্যদের ছোট করবেন না

উত্তম কুমারকে বড় করতে গিয়ে আমরা অহেতুক বাকিদের ছোট করে ফেলি। ভুলে যাই সেই সময়টাকে। প্রত্যেকেই যেন একেকজন দিকপাল। কাকে ছেড়ে কার কথা বলবেন ? অথচ, সেই মানুষগুলো উত্তমের আড়ালেই থেকে যান। সেই পরিমণ্ডলে কারা ছিলেন ? তুলে আনলেন সরল বিশ্বাস।

কত গানকে নতুন জীবন দিয়েছেন!

মস্ত এক ঝুঁকি নিয়েছিলেন শ্যামল মিত্র। চেয়েছিলেন উত্তম কুমারের লিপে তাঁর গান থাকুক। তাই দেয়া নেয়া ছবির প্রোডিউসার হয়ে গিয়েছিলেন। তারপর বাকিটা ইতিহাস। মহানায়ক ও শ্যামল মিত্রর এমন কিছু অজানা কাহিনি উঠে এল সৈকত মিত্রর স্মৃতিচারণে।

ড্রয়িংরুম থেকে রবীন্দ্র সঙ্গীতকে এনেছিলেন পুজো প্যান্ডেলে

কুণাল দাশগুপ্ত গ্রেট ইস্টার্নের সেদিনের সান্ধ্য আড্ডায় ছিলেন তসলিমা নাসরিন, রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ পার্থ বসু এবং এই লেখক। কথা হচ্ছিল রবীন্দ্র সঙ্গীতের বিষয়ে। দেবব্রত বিশ্বাস থেকে শান্তিদেব ঘোষ, উঠে আসছিল বহু...