সত্যিই কি জ্ঞানবন্ত নিজের দায়িত্বে এমন সিদ্ধান্ত নিলেন? নাকি বিশেষ অনুমতি নিতে হয়েছিল ? দ্বিতীয়টার সম্ভাবনাই বেশি। মুখ্যমন্ত্রীকে না জানিয়ে এতবড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক্তিয়ার জ্ঞানবন্তের নেই। সেক্ষেত্রে বলা যায়, মুখ্যমন্ত্রী চেয়েছেন বলেই তাঁর গান বাজানোর ফতোয়া জারি করা হয়েছে।
কোনও বাঙালিকে জিজ্ঞেস করুন, জোড়াসাঁকোয় গেছে কিনা। অধিকাংশ লোক এমন ভান করবে যেন কতই ব্যস্ত! কেউ কেউ লকডাউনের অজুহাত দেখাবেন। মোদ্দা কথাটা হল, অধিকাংশ বাঙালিই ও পথ মাড়ায় না। তার থেকে বাঙালি বোধ হয় মদের দোকানে লাইন দিতেই বেশি ব্যস্ত।
রবি ঠাকুরের লেখা পড়ি আর নাই পড়ি, তাঁর বিয়ে নিয়ে, বউ নিয়ে, চরিত্র নিয়ে আমাদের কৌতূহলের অন্ত নেই। রবীন্দ্র জয়ন্তীতেও সেই কৌতূহল থেমে নেই। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।
রবীন্দ্রনাথ এমন একটা বিষয়, যাকে ছাড়া চলে না। ঘর সাজাতে রবি ঠাকুর। নিজেকে বুদ্ধিজীবী জাহির করতেও ভরসা সেই রবি ঠাকুর। ট্রাফিক সিগনালেও তিনি, রেস্তোরাঁর মৃদু মন্দ আলোতেও তিনি। তাঁর নিস্তার নেই। লিখেছেন অন্তরা চৌধুরি।