এন আর সি নিয়ে যত আলোচনা হবে, তাতে বিজেপিরই লাভ। তারা উন্নয়নের মানদন্ডে পিছিয়ে গিয়ে কখনও কাশ্মীর, কখনও পাকিস্তান, কখনও হিন্দু, কখনও এন আর সি এসব করে গুলিয়ে দিতে চাইছে। সেই ফাঁদে বিরোধীরাও পা দিচ্ছে। তাঁদের আলোচনা থেকেও উন্নয়ন হারিয়ে যাচ্ছে। যেসব আলোচনা বিজেপি চায়, সেই আলোচনাতে বিরোধীরাও মেতে থাকছে।
খুঁত ধরতে চাইলে, অনেক উপাদান হয়ত আছে। কিন্তু সচেতনভাবেই সেগুলোকে উপেক্ষা করেছি। এই ছবি অসঙ্গতি খোঁজার ছবি নয়। এই ছবি দেখার ও দেখানোর ছবি। ভাল ছবির প্রত্যাশা পূরণে পুরোপুরি সফল শিবু–নন্দিতা। তারকা ছাড়াও হলে মানুষ টেনে আনা যায়, সেটা তাঁরা আবার দেখিয়ে দিলেন। ‘গোত্র’ ছবি দেখে নিজের অনুভূতি মেলে ধরলেন অভিরূপ কুমার।
দার্জিলিং মানেই বাঙালি পর্যটক বোঝে ধরাবাঁধা কয়েকটি জায়গা। গাড়িওয়ালার চক্করে পড়ে ওই ফাইভ পয়েন্ট, সেভেন পয়েন্ট। এর বাইরে পরতে পরতে কত ইতিহাস লুকিয়ে আছে, বাঙালি খোঁজার চেষ্টাই করল না। তাই টাইগার হিলে যান নিয়ন্ত্রণ শাপে বর হয়ে উঠতে পারে। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।
সামনের বছর রাজ্যসভায় খালি হচ্ছে পাঁচটি আসন। কেডি সিং, আহমেদ হাসান ইমরান নিশ্চিতভাবেই বাদ পড়ছেন। হয়ত বাদ যেতে পারেন যোগেন চৌধুরিও। রীতিমতো অঙ্ক কষেই শিবির বদল করলেন ওমপ্রকাশ মিশ্র। একটু হলেও চাপ বাড়ল ঋতব্রতর।
বিধানসভায় হইহই করে বিল পাস করলেই হবে না। সেইসব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুণমান বজায় রাখছে কিনা, শিক্ষার নামে কার্যত ডিগ্রি বিক্রি করছে কিনা, তার একটা তদারকি থাকুক। এবং এই তদারকির দায়িত্ব থাকুক যথার্থ শিক্ষামনষ্ক লোকের হাতেই। ওপেন ফোরামে লিখেছেন হেমন্ত রায়।
উত্তম কুমারের মৃত্যুদিন বহুচর্চিত। কিন্তু জন্মদিন কেন সাদা কালো? উত্তমের নায়িকা বলতে সুচিত্রা বা সুপ্রিয়ার নাম ভেসে ওঠে। সাবিত্রীর মুখ কেন ভেসে ওঠে না ? হেমন্ত মুখোপাধ্যায় যদি পূব আকাশের উত্তমের গায়ক হন, যদি মাঝ আকাশে শ্যামল মিত্র–মান্না দে থাকেন, তাহলে শেষযাত্রার উত্তম কেন কিশোর কুমারে ভরপুর হবে না? মহানায়কের জন্মদিনে তিন প্রশ্ন উস্কে দিলেন কুণাল দাশগুপ্ত।
যে সমন্বয়টা বিধানসভার ভেতর দেখা যায়, তা বাইরে দেখা যায় না কেন? জোট হলে হোক, তবে আন্তরিকভাবেই হোক। ধরি মাছ, না ছুঁই পানি নয়। জোট নয়, আসন সমঝোতা— এই জাতীয় কোনও বিবৃতিও নয়। জোট হোক সৎভাবে। এই সদিচ্ছা দুই তরফেই তৈরি হোক। ওপেন ফোরামে লিখেছেন অমিত ভট্টাচার্য।
নেতাজি চিঠি লিখেছেন। কীভাবে লিখলেন? কোথা থেকে লিখলেন, তা আমরা জানি না। সত্যিই নেতাজি লিখলেন, নাকি তাঁর নাম করে অন্য কেউ লিখল, তাও আমরা জানি না। চিঠিটা লেখা হয়েছে সুগত বসুকে। কিন্তু এসে পৌঁছেছে আমাদের হাতে। কীভাবে এল? না, এটাও আমাদের জানা নেই। আপনারও জানার দরকার নেই। আমাদের কাজ ছাপা। আপনার কাজ পড়া। বিশ্বাস করা না করা আপনার ব্যাপার।
এক কাপ সস্তার আদা–চায়ের এত ক্ষমতা? এভাবে ক্ষত–বিক্ষত করে দিতে পারে? টলোমলো পায়ে প্রবোধবাবু এগোলেন তাঁর ঘরের দিকে। অণু গল্প। জীবনের টুকরো টুকরো কিছু অনুভূতি। লিখেছেন বাসু মুখোপাধ্যায়।
তিনি সুগত বসুর মতো গবেষক নন। তিনি সৃজিত মুখুজ্জের মতো সবজান্তা পরিচালকও নন। কিন্তু তিনি প্রসেনজিৎ। বাংলায় এঁদের থেকে অনেক বড় সেলিব্রিটি। কিন্তু তিনি জানেন, কখন চুপ থাকতে হয়। তাই, এঁদের দুজনের মাঝেও কার্যত নীরব শ্রোতা হয়ে বসে রইলেন। এই মৌনতা শিক্ষনীয়। প্রসেনজিৎকে দেখে বাংলার বুদ্ধিজীবীকূল যদি কিছুটা শিখতেন!