আদি তুঘলক বনাম নব তুঘলক

একটি সংক্ষিপ্ত নাটক। রম্য রচনাও বলতে পারেন। প্ল্যানচেট করে নামিয়ে আনা হল মহম্মদ বিন তুঘলককে। এই সময়ে দাঁড়িয়ে তিনি কীভাবে দেখছেন বাংলাকে ? খোঁজ নিলেন তাঁর উত্তরসূরীদের। কখনও মজা পেলেন। কখনও মেজাজ হারালেন। দুরন্ত সেই সাক্ষাৎকারের অভিজ্ঞতা তুলে ধরলেন সাংবাদিক রবি কর।

বুদ্ধবাবুকে দেখতে এইসব অবাঞ্ছিত লোকেরা কেন?‌

হাসপাতালে থাকা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে অনেকেই দেখতে এসেছেন। সেই ভিড়ে শুভাপ্রসন্ন বা শঙ্কুদেব পন্ডারাও হাজির! এঁরা কি সত্যিই বুদ্ধবাবুকে সম্মান জানানোর যোগ্য!‌ তাঁরা কতটা অবাঞ্ছিত, তা কি তাঁরা নিজেরাও বোঝেন না?‌ ‌ লিখেছেন অজয় কুমার।

মাত্র ১৬ বছর বয়সে লিখেছিলেন দাদার কীর্তি!‌

ব্যোমকেশের স্রষ্টা হিসেবেই তাঁর মূল পরিচিতি। কেউ কেউ চেনেন ঐতিহাসিক উপন্যাসের জন্যও।কিন্তু কজন জানেন দাদার কীর্তিও লিখেছিলেন শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়! কীভাবে তৈরি হল দাদার কীর্তি?‌ সেই কাহিনী উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে। লিখেছেন রুদ্র ভৌমিক।।

রবিবারের গল্প: কর্পোরেট অশরীরী

ঝাঁ চকচকে কর্পোরেট অফিস। কিন্তু প্রদীপের তলায় অন্ধকারের অভাব নেই। নানা অছিলায় কীভাবে নিশব্দে ঘটে চলে সেই নির্যাতন ? কেউ নীরবে মেনে নেয়।আবার কেউ গর্জে ওঠে প্রতিবাদে।এমনই এক বিষয় উঠে এল রবিবারের জমজমাট গল্পে। এবারের গল্প কর্পোরেট অশরীরী। লিখেছেন শুভ্রা রায়।

রোজ সাদা পাতার সামনে বোসো

অনুজ কবি, সাহিত্যিকদের বলতেন, রোজ একটা সময় বেছে নাও। কিছুক্ষণের জন্য হলেও সাদা পাতার সামনে বোসো। হয়ত কোনও লেখাই এল না। বা যেটা লিখলে, সেটা একেবারেই পছন্দ হল না। হয়ত নিজে লিখে নিজেই ছিঁড়ে ফেলে দিলে। তবু, দিনের একটা সময় অন্তত সাদা পাতার সামনে বোসো। কিছু একটা লেখার চেষ্টা করো। মনে রাখবে, লেখাও একটা সাধনা। লিখতে বসলেই মাথায় ভাবনা ঠিক এসে যাবে। কলম বেয়ে ঠিক নেমে আসবে।

শুভেন্দুকে তিরষ্কারের সাহস স্পিকার মশাইয়ের নেই

বিধানসভার শৃঙ্খলা রাখার ক্ষেত্রে শাসক দলের দায় সবসময় বেশি।কিন্তু শাসকদলের নেতা মন্ত্রীরা অধিকাংশক্ষেত্রেই এটা ভুলে যান। স্পিকাশ মশাইও ভুলে যান। তাই, শুভেন্দু অধিকারী এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করলেও তাঁকে তিরষ্কার করার সাহস স্পিকার মশাইয়ের নেই। এমনকী, মুখ্যমন্ত্রীরও নেই। কারণ, জানেন, তিরষ্কার করলেই পাখি উড়ে যাবে। মুখ্যমন্ত্রী বেশ ভাল করেই জানেন, বিজেপিতে শুভেন্দু ইট পেতেই রেখেছেন।

বইয়ের বিকল্প হয়ে উঠুক অডিও বুক

বই পড়ার অভ্যেস ক্রমশ কমে আসছে। মানুষের সময় যেমন কমে আসছে, তেমনই ধৈর্যও কমে আসছে। বাংলা সাহিত্য কি তাহলে একটু একটু করে হারিয়ে যাবে?‌ পরের প্রজন্ম কি বই পড়াই ছেড়ে দেবে?‌ লাইব্রেরিগুলো কি তাহলে বন্ধ হয়ে যাবে?‌ প্রকাশনা সংস্থাগুলো কি ক্রমশ ধুঁকতে থাকবে?‌ এই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।।

হারিয়ে যাওয়া সেই শিমূলতলা

কোন ট্রেনে গিয়েছিলাম, কোথায় গিয়ে নেমেছিলাম, এতদিন পর আর মনে নেই। শুধু মনে আছে, ভোরেই ট্রেনে উঠেছিলাম। বোধ হয় ঘণ্টা তিনেক লেগেছিল। অনলাইন বুকিং নামক শব্দটা তখনও আমরা শুনিনি। নেমে শুনলাম, হোটেল–‌ফোটেল তেমন কিছু নেই। কারও বাড়িতেই থাকতে হবে। একটা ঠ্যালা ভ্যান জুটল। সে–‌ই একটা বাড়িতে নিয়ে গেল। আসার পথেই দেখছিলাম, একের পর এক বাড়ি। বাইরে তালা ঝোলানো। দরজায় শ্যাওলা জমে। কোনও অনুপ্রেরণা ছাড়াই নিজের নিয়মে লতা পাতা গজিয়ে গেছে। কেউ থাকে বলে মনে হয় না। সাম্প্রতিককালে কেউ এসেছে বলেও মনে হয় না। তাহলে এগুলো কাদের বাড়ি?‌ কারা বানিয়েছেন?‌ কেনই বা বানিয়েছেন?‌

ভিন্ন স্বাদের ভ্রমণ

কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন মার্কা টিপিক্যাল ভ্রমণ কাহিনী নয়। একেবারে ভিন্নস্বাদের বেড়ানোর গল্প। বেঙ্গল টাইমসে পড়ুন। আপনিও লিখুন। চেনা ছকে নয়, একেবারে আপনার নিজের মতো করে লিখুন।

জাতীয় শিক্ষকদের বাঁকা চোখে দেখতে হয় কেন!‌

‘‌রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক’‌ শুনলেই কেমন একটা শ্রদ্ধা হত। পরে জানলাম, এই পুরস্কার পাওয়ার জন্য শিক্ষককে নিজে থেকে আবেদন করতে হয়। নিজের ঢাক নিজেকে পেটাতে হয়। ঠিকঠাক ‘‌লোক’‌ ধরতে হয়। তাই, এখন কেউ জাতীয় শিক্ষককে শুনলেই বাঁকা চোখে দেখতে হয়। মনে হয়, পুরস্কার পাওয়ার জন্য বিস্তর ‘‌লবিবাজি’‌ করতে হয়েছে। এটা কি সেই শিক্ষকের পক্ষে খুব সম্মানের?‌ শিক্ষক দিবসে প্রশ্ন তুললেন সজল মুখার্জি।।