ভোরে উঠুন, চিঠি লিখুন

সত্যজিৎ রায় রোজ ভোরে উঠে কী করতেন ? সবার আগে তিনি চিঠি লিখতে বসতেন। অনেক চিঠি জমে থাকত। শুটিং চলাকালীন লেখা হত না। তবে একটু ফুরসত পেলেই বসে যেতেন বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সেইসব চিঠি নিয়ে। একের পর এক চিঠির উত্তর লিখতেন। কাউকে হয়ত নিজে থেকেই লিখলেন। রোজ তিনটে বা চারটে চিঠি লিখতেন। তখনও বাড়ির অন্য কেউ হয়ত ঘুমিয়েও ওঠেননি। তারপর কাজ শুরু করতেন।

মাইনে বাড়ানোর ঘোষণা দলীয় সভায় কেন?

কোনটা দলীয় সভায় বলতে হয়, কোনটা সরকারি জায়গা থেকে বলতে হয়, এই সাধারণ নিয়মগুলো মাঝে মাঝেই মুখ্যমন্ত্রীর গুলিয়ে যায়। তাই তৃণমূল সভাপতিদের ডেকে আনা হয় নবান্নে। অন্য দল থেকে কেউ তৃণমূলে যোগ দিলে, সেই যোগদান পর্ব হয় নবান্নে। অথচ, মাইনে বাড়ার ঘোষণা, যেটা নবান্ন থেকে হওয়ার কথা, সেটা হয় দলীয় সভায়।

টাইগার হিল নিয়ে এই কড়াকড়ি ব্যুমেরাং হতে পারে

টাইগার হিলে যে কুপন সিস্টেম চালু হয়েছে, তা আরও নতুন সমস্যা তৈরি করবে। এই ব্যাপারে পরিবহণ সংস্থা ও পর্যটন সংস্থাগুলির সঙ্গে আরও আলোচনা জরুরি ছিল। গাজোয়ারি করে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে আগামীদিনে পাহাড় ফের অশান্ত হয়ে উঠতে পারে। প্রশাসন এখনও দেওয়াল লিখনটা পড়তেই পারছে না। লিখেছেন সঞ্জয় মিত্র।

কাল খুলে যাচ্ছে উত্তরের জঙ্গল

টানা তিন মাস বন্ধ ছিল। এবার খুলে যাচ্ছে উত্তরের জঙ্গল। খুলে যাচ্ছে সুন্দরবনও। বাঙালির জঙ্গল অভিযানের দ্বিতীয় অধ্যায় এবার শুরু।

বাংলা হারিয়ে যাচ্ছে, দায়ী আমরাই

ট্যাক্সি থেকে রেস্তোরাঁ, সব জায়গায় আপনাকে হিন্দিতেই কথা বলতে হবে। খাস কলকাতায় বাঙালিরা ক্রমশ প্রান্তিক হয়ে আসছে। আমরা নিজেরাই কি এর জন্য দায়ী নই?‌ এই নিয়েই বিশেষ প্রতিবেদন বেঙ্গল টাইমসে।

শুধু স্মৃতি থেকেই লিখেছিলেন ‘‌দেশে বিদেশে’‌!‌

আফগানিস্তানে চাকরি জীবন কাটিয়ে আসার অন্তত কুড়ি বছর পর লেখা হয়েছিল দেশে বিদেশে। পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ। অথচ, কোথাও কোনও ডায়েরির সাহায্য নেননি। পুরোটাই লিখেছিলেন স্মৃতি থেকে। সৈয়দ মুজতাবা আলির জন্মদিনে এমন কথা উঠে এল হেমন্ত রায়ের লেখায়।

ফিরে এসো, প্রিয় ডাবল ডেকার

ষাট পেরোনো নস্টালজিয়া নিয়ে আবার খুঁজতে বেরোবো। ফিরে আসুক সেই ডাবল ডেকার। আবার সেই উদ্দেশ্যহীনভাবে না হয় বাসে উঠে পড়ব। ষাটোর্ধ্ব চোখ দিয়ে আবার খুঁজব আমার হারানো কলকাতাকে। লিখেছেন শ্যামল আচার্য।।

অপু থেকে হরিহর, হরিহর থেকে অপু

কতকিছুই বদলে গেছে। সেদিনের কিশোর অপু এখন হরিহর। আরও কত বদলে যাওয়া ছবি। বিভূতিভূষণের জন্মদিনে টাইম মেশিনে চড়ে সেই সময় ও এই সময়ে উকি দিলেন ময়ূখ নস্কর।।

টাইগার হিলকে ঘিরে বাঙালির আদিখ্যেতা এবার কমবে

টাইগার হিলকে ঘিরে বাঙালির আদিখ্যেতার শেষ নেই। মাঝরাত থেকে কিচির মিচির করে সবাই ছুটবে সূর্যোদয় দেখতে। নিজের বাড়ির ছাদ থেকে কোনওদিন সর্যোদয় দেখেছে কিনা সন্দেহ। জিজ্ঞেস করুন, সূর্য কোনদিকে ওঠে, বলতেও পারবে না। এরাই কিনা ভিড় করত টাইগার হিলে। লিখেছেন সুরঞ্জন দাশগুপ্ত।।

মেট্রো নিয়ে অহেতুক জেদ এবার থামুক

মেট্রোর রুটে বউবাজার ছিলই না। এমনকী, ব্রিটিশরা যে নকশা করেছিল, সেখানেও বউবাজার ছিল না। জোর করে রুট বদল কেন?‌ সব ব্যাপারে গোঁয়ার্তুমি করতে নেই, বউবাজারের বিপর্যয়ের পর রাজ্য কি এই শিক্ষা নিল?‌