ফের মৌচাকে ঢিল ছুঁড়েছেন বিপ্লব দেব। শুভেন্দু নাকি বিজেপিতে আসতে পারেন। শুভেন্দু আপাতত এই জল্পনাকে উড়িয়ে দিতেই পারেন। মামলাও করতে পারেন। কিন্তু দু বছর পর তাঁর ঠিকানা কী হবে? তিনি বিজেপিতে যেতে পারেন, একথা বিজেপি নেতাকর্মীরাও বিশ্বাস করেন, আবার তৃণমূল নেতাকর্মীরাও বিশ্বাস করেন। বিপ্লব দেব শুধু সেই জল্পনাকে আরও একটু উস্কে দিলেন। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।
মানুষ পরিত্রাণ চাইছেন। বিকল্প ভাবতেও শুরু করে দিয়েছেন। হয়ত এর থেকেও খারাপ কোনও শক্তি আসবে। কিন্তু বদলের হাওয়া চারিদিকে। এতটাই ফল খারাপ হবে, শাসক দল ভাবতেও পারছে না। লিখেছেন সুগত রায়মজুমদার।
রাতের কলকাতায় ট্যাক্সি ধরা মানে ভয়ঙ্কর এক অভিজ্ঞতা। প্রায় সবার কাছেই আপনি ‘না’ শোনার জন্য তৈরি থাকুন। বোঝাই যায়, ট্যাক্সির ওপর পুলিশের কোনও নিয়ন্ত্রণই নেই। ওপেন ফোরামে এমনই অভিজ্জতার কথা লিখেছেন মলয় সাহা।।
রবীন্দ্র চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার বদলে রবীন্দ্রনাথকে বন্দী রাখার কাজটাই করেছে বিশ্বভারতী। তাই রবি ঠাকুর বিশ্বকবি তো দূরের কথা, জাতীয় কবিও হতে পারেননি। বাঙালি হয়েই থেকে গিয়েছেন।
কোন এলাকায় ভোটের ছবিটা কেমন? সবথেকে কাছ থেকে দেখলেন ভোটকর্মীরা। তাঁদের অভিজ্ঞতা কেমন? কোথায় শান্তি, কোথায় চাপা সন্ত্রাস, কোথায় খুনসুটি। এমন নানা ঘটনা নিয়ে নতুন ফিচার— ভোটকর্মীদের ডায়েরি। চলবে মে মাস জুড়ে।
সংস্কৃতির জন্য বাঙালির কতই না বড়াই। রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে কতই আদিখ্যেতা। কিন্তু বুকে হাত রেখে বলুন তো, কজন জোড়াসাঁকোয় গিয়েছেন। হাতের কাছেই, টিকিট লাগে না, চাইলেই যাওয়া যায়। এই রবীন্দ্র জয়ন্তীতে না হয় সেখান থেকেই ঘুরে এলেন। এই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।
কারা কারা রবীন্দ্রনাথকে দুশ্চরিত্র মনে করেন, হাত তুলুন। রবি ঠাকুরের লেখা পড়ি আর নাই পড়ি, তাঁর বিয়ে নিয়ে, বউ নিয়ে, চরিত্র নিয়ে আমাদের কৌতূহলের অন্ত নেই। রবীন্দ্র জয়ন্তীতেও সেই কৌতূহল থেমে নেই। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।
রবীন্দ্রনাথ এমন একটা বিষয়, যাকে ছাড়া চলে না। ঘর সাজাতে রবি ঠাকুর। নিজেকে বুদ্ধিজীবী জাহির করতেও ভরসা সেই রবি ঠাকুর। ট্রাফিক সিগনালেও তিনি, রেস্তোরাঁর মৃদু মন্দ আলোতেও তিনি। তাঁর নিস্তার নেই। লিখেছেন অন্তরা চৌধুরি।
রবি ঠাকুর কোন দলের সমর্থক ছিলেন ? তাঁর কোন লেখায়, কোন ক্লাবের কথা কীভাবে উঠে এসেছে ? গোষ্ঠ পালকে দেখে কী বলেছিলেন রবীন্দ্রনাথ? এমন নানা অজানা বিষয় উঠে এল ময়ূখ নস্করের লেখায়।
কুকুরের মতো মারব, ছেলে ঢোকাবো— এসব কথা ছেড়ে আসল কথায় আসুন। বলুন কিষেনজির কী হল, বলুন কার নির্দেশে ফোন ট্যাপ হত? মিথ্যে মামলা কার নির্দেশে, গরু–বালির আসল ভাগ কার কাছে যায়? ভারতী ঘোষ যা যা জানেন, তার এক শতাংশও বলেননি। মুখ্যমন্ত্রী এস এম এস ফাঁসের হমকি দিচ্ছেন। ভারতী কেন চ্যালেঞ্জটা গ্রহণ করলেন না? ভবিষ্যতে সমঝোতার রাস্তা খোলা রাখছেন না তো? লিখেছেন ধীমান সাহা।