মমতা বোঝালেন, ভুলস্বীকার তাঁর অভিধানে নেই

কখনও দোষ চাপাচ্ছেন ইভিএমের ঘাড়ে। কখনও সিপিএমের ঘাড়ে। যেন তাঁকে জেতানোর দায়িত্ব সিপিএমের!‌ তৃণমূল ও তাঁকে ঘিরে বাংলাজুড়ে কী তীব্র অনাস্থা, তা মুখ্যমন্ত্রী জানেন না। চারপাশে পেটোয়াদের ভিড় থাকলে এমনই হয়। কোনও শুভাকাঙ্খী নেই, তিনি সত্যিই বড় একা, বড় অসহায়।

রাজীবের নিষ্পত্তি পরে, আগে সিবিআই–‌কে ভর্ৎসনা করা হোক

রাজীব কুমার প্রমাণ লোপাট করেছেন, এটা বুঝতে সিবিআই–‌এর পাঁচ বছর লেগে গেল?‌ পাড়ার পল্টু যেটা পাঁচদিনে পারে, সেটা সিবিআই পাঁচ বছরেও পারে না!‌ রাজীব–‌অর্ণবকে নাকি আগে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তাঁরা আসেননি। এই স্পর্ধা তাঁদের হয় কী করে?‌ সিবিআই নিজেকে কোথায় টেনে নামিয়েছে, নিজেরাই ভেবে দেখুক। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।

‌ভারতের সব ম্যাচ দেখা যাবে আইনক্সে

সন্ধেবেলায় বিশ্বকাপ। রিমোটের মালিকানা নিশ্চিতভাবেই থাকবে গিন্নির কাছে। তাঁর সিরিয়াল নাকি আপনার বিশ্বকাপ!‌ এই নিয়ে ঠান্ডা লড়াই চলতেই থাকবে। ঝগড়া এড়াতে চাইলে হানা দিতে পারেন আইনক্সে। মনে হবে, পুরো স্টেডিয়ামটাই যেন উঠে এসেছে আইনক্সে।

এভাবে কতদিন আটকে রাখা যাবে শুভেন্দুকে?‌

মুকুল রায় কখনও তৃণমূলের প্রধান শত্রু হয়ে পড়বেন, এমনটা কেউ ভেবেছিলেন?‌ ঠিক তেমনি শুভেন্দুর বিজেপিতে যাওয়া আজকে বিশ্বাসযোগ্য মনে না হলেও আগামীদিনে এটাই হয়ত বাস্তবতা। সেই কারণেই তাঁর হাতে আরও দুটো দপ্তর গুঁজে দেওয়া হল।লিখেছেন অজয় কুমার।

বাবার স্মৃতি আগলে রয়েছেন অভিমানী জামলিং

বাইরেই ছাড়া আছে তিনটি বিদেশি কুকুর। তাদের আহ্বান শুনে শুরুতেই ভয় পেয়ে যেতেই পারেন। মনে হতে পারে, আর ওপরে উঠে কাজ নেই। ফিরে যাওয়াই ভাল। কিন্তু কুকুরের ভয় কাটিয়ে যদি ওপরে উঠে যান, এক জীবন্ত ইতিহাস অপেক্ষা করে আছে আপনার জন্য। হ্যাঁ, এখানেই তেনজিং নোরগের বাড়ি। ছোটবেলায় পাঠ্যবইয়ে পড়া সেই তেনজিং। প্রথম এভারেস্টে পা রাখা সেই তেনজিং। এভারেস্ট দিবসে সেই বাড়ির কথাই তুলে আনলেন স্বরূপ গোস্বামী।।

এখনও ব্রিগেড ডাকলেই ঢল নামবে

নেত্রীও আজ কাঁদুনি গাইছেন। বারবার বলছেন, বামেরা বিজেপিকে ভোট দিয়ে দিয়েছে। বামেরা যদি ছিলই না, যদি ওদেরকে দূরবীন দিয়েই দেখতে হত, তাহলে বার বার বাম বাম করছেন কেন? লেখেছেন সৌম্য সিনহা।

শেষের শুরু, এবার তাসের ঘরের মতোই ভাঙবে তৃণমূল

২০০৯ সালে তৃণমূল পেয়েছিল ১৯ আসন। তাতেই বিজয়োৎসব করেছিল। আর এবার ২২ আসন পেয়েও কার্যত শোকপালন করতে হচ্ছে। গ্রাফটা যে নামছে, তা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে। যত দিন যাবে, ততি তাসের ঘরের মতো ভাঙবে তৃণমূল। সন্দেহ, অবিশ্বাসের বাতাবরণ বাড়বে। আরও পুলিশ নির্ভরতা বাড়বে। পুলিশ দিয়ে এই ঘৃণা আটকানো যাবে না। লিখেছেন অজয় কুমার।

জঙ্গল মহলের ফাঁপা বেলুনও চুপসে গেল

পাহাড় নিয়ে যেমন প্রচার ছিল, জঙ্গল মহল নিয়েও একই ঢক্কা নিনাদ ছিল। সব যেন মুখ থুবড়ে পড়ল। পঞ্চায়েতে এই জঙ্গল মহলের বিস্তীর্ণ এলাকায় শাসকের নগ্ন রূপ দেখেছে মানুষ। ভোটে তারই মোক্ষম শিক্ষা দিল জঙ্গল মহলও। লিখেছেন সৌরভ সরকার।

‌পাহাড়ের হাসিই তৃণমূলের হাসি কেড়ে নিল

গত আট বছর ধরে লাগাতার প্রচার, পাহাড় হাসছে। পাহাড়ে নাকি উন্নয়নের বন্যা বইছে। পাহাড়ই ছিল সরকারের অন্যতম সেরা বিজ্ঞাপন। সেখানে চার লাখ ভোটে হার!‌ শুধু গায়ের জোর দেখিয়ে, আর পুলিশ লেলিয়ে দিয়ে সংগঠন বাড়ানো যায় না। সেটা পাহাড় আরও একবার বুঝিয়ে দিল।

ওই সাড়ে তিনশো বুথের আলাদ হিসেব হোক

উত্তম জানা ডায়মন্ড হারবার নিয়ে সবাই কেমন নিশ্চুপ। টিভিতে ভোট নিয়ে দিনভর আলোচনা। অথচ, ডায়মন্ড হারবারের প্রত্যন্ত এলাকায় কীভাবে ভোট হচ্ছে, সেই ছবিটা একেবারি উঠে এল না। অথচ, বিরোধীদের অভিযোগ,...