সমীক্ষার এপিঠ–‌ওপিঠ

একেক চ্যানেলের সামনে একেক রকম দায়। কাউকে দিল্লিতে মোদিকে খুশি রাখতে হবে। কাউকে আবার রাজ্যে দিদিমণিকে খুশি রাখতে হবে। কারও আবার দু জায়গাতেই টিঁকি বাঁধা। তাঁকে দু জায়গাতেই ব্যালান্স করতে হবে। এই এক্সিট পোল আসলে নিজেদের অসহায়তার এক বিজ্ঞাপন। লিখেছেন নির্মল দত্ত।

তৃণমূল পনেরোর নিচে নামলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই

নেত্রী ১১ শতাংশকে বাড়িয়ে হয়ত ২০–‌২২ শতাংশে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এতটাই বেড়ে গেল, আর নিয়ন্ত্রণ রইল না। সেটা ৩০ শতাংশ ছাপিয়ে গেল। সেই কারণেই বিজেপির এই ১৬ আসন অসম্ভব মনে হচ্ছে না। বরং, এটা আরও বেড়ে যেতেই পারে। তৃণমূল যদি শেষমেষ ১৫ আসনে নেমে যায়, তাও অবাক হওয়ার কিছু নেই। লিখেছেন ধীমান দাশগুপ্ত।

‌সেজে উঠছে দার্জিলিং ম্যাল

দার্জিলিং মানেই বাঙালির কাছে এক নস্টালজিয়া। আর দার্জিলিং বললেই প্রথমে যে ছবিটা ভেসে ওঠে, তা হল ম্যাল। এবার সেই ম্যালের চেহারাই বদলে যাচ্ছে। পুজোর সময় যাঁরা পাহাড়ে যাবেন, তাঁরা হয়ত ম্যালকে চিনতেই পারবেন না।

ভোট চুকলেই নজর বিশ্বকাপে

আইপিএলের আসর থেকে অনেকটাই দূরে ছিল বেঙ্গল টাইমস। কিন্তু এবার দুয়ারে কড়া নাড়ছে বিশ্বকাপ। ভোট–‌পর্ব চুকলেই বিশ্বকাপ সংক্রান্ত নানা আকর্ষণীয় প্রতিবেদন থাকবে বেঙ্গল টাইমসে। পুরো জুন মাস জুড়েই এই ক্রিকেট জ্বর থাকবে। ‌শুধু খেলা নয়, তাকে ঘিরে নানা স্মৃতিচারণ, গল্প, ছড়াও থাকতে পারে। পাঠকের জন্যও থাকছে বিশেষজ্ঞ হয়ে ওঠার সুযোগ।

ভিন্ন স্বাদের ভ্রমণ

কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন মার্কা টিপিক্যাল ভ্রমণ কাহিনী নয়। একেবারে ভিন্নস্বাদের বেড়ানোর গল্প। বেঙ্গল টাইমসে পড়ুন। আপনিও লিখুন। চেনা ছকে নয়, একেবারে আপনার নিজের মতো করে লিখুন।

‌একটি মূর্তি ভাঙা এবং দশটি অপ্রিয় প্রশ্ন

বিদ্যাসাগর মূর্তি কারা ভাঙল?‌ এই নিয়ে তর্ক চলতেই থাকবে। ভোটের উত্তাপ থেকে বেচারা বিদ্যাসাগরেরও রেহাই নেই!‌ বাংলার মিডিয়া আর জাতীয় মিডিয়ার সুর একেবারেই আলাদা। অনেক প্রশ্ন উঠতেই পারে, কিন্তু উঠছে না। কেন উঠছে না, কে জানে!‌ এমনই দশ দফা অপ্রিয় প্রশ্ন উঠে এল বেঙ্গল টাইসমের প্রতিবেদনে।

এখন পাড়ায় পাড়ায় বিদ্যাসাগর

সোশ্যাল সাইটে এখন বিদ্যাসাগরকে নিয়ে পোস্টের বন্যা। কে মূর্তি ভেঙেছে, তা নিয়ে যেমন তরজা চলছে, তেমনই কে কত অনুরাগী, কে কত বড় মূর্তি বানাবেন, তা নিয়েও যেন প্রতিযোগিতা। সেই আবহে নন্দ ঘোষের কড়চার সেই লেখা আবার ফিরিয়ে আনা হল। বিদ্যাসাগরকে দু—চার কথা শুনিয়ে দিলেন নন্দ ঘোষ।

ভুবনের মাসির বা বাঙ্গালির পিসির গল্প

যাহারা বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙিল, তাহাদের সহিত দফায় দফায় জোট ছিল, ইহা জানিয়াও আমরা vandal দের নেত্রীকে ভোট দিয়াছি। বিধানসভায় ভাঙচুরের কথা জানিয়াও ইহাকে ক্ষমতায় আনিয়াছি। সেসময় যদি ইহাকে শাসন ও নিবারণ করিতাম, যদি ত্রিপুরায় মূর্তি ভাঙার প্রতিবাদ করিতাম, তাহা হইলে আজ এ দশা ঘটিত না। তাহা করি নাই। এজন্য আমাদের এই পুরস্কার হইল।

ভোট না দিতে পারাটা কিন্তু সমর্থককেও শত্রু বানিয়ে দেয়

গত বছর ঠিক এরকম সময়। পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ঘিরে উত্তাল বাংলা। ভোটের নামে হয়েছিল চূড়ান্ত প্রহসন। অধিকাংশ মানুষই ভোট দিতে পারেননি। বলা ভাল, প্রশাসনের নির্লজ্জ মদতে জুলুমবাজি করেই পঞ্চায়েত দখল করেছিল তৃণমূল। এবারও ভোটের আবহ। ছবিটা অনেকটাই অন্যরকম। এই ভোটের আবহে সেই ভোটের সময়কে ফিরে দেখা। এক বছর আগের সেই লেখাটি ফিরিয়ে আনা হল বেঙ্গল টাইমসে।

ঝাউবনের ছায়ায় ছায়ায়

অনেক টুকরো টুকরো স্মৃতি জমে থাকে জীবনে। দিনগুলো হারিয়ে যায়। স্মৃতিটা থেকেই যায়। সুখস্মৃতি হয়ে বারবার ফিরে আসে। তেমনই কিছু অনুভূতি উঠে আসছে স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে। দেখুন তো, আপনার অনুভূতির সঙ্গে মেলে কিনা।