একজন অর্জুন সিং মানে পাঁচশোখানা অনুপম হাজরা

এখনও পর্যন্ত বিজেপিতে আসা সবথেকে কার্যকরী নাম অর্জুন সিং। এর থেকে বড় নাম আর কেউ আসবে বলে মনে হয় না। এতদিন অর্জুন জিতেছেন, নিজের রাজ্যপাট বিস্তার করেছেন। কিন্তু দলের প্রতীক ছাড়া, তাঁর নিজের ক্যারিশ্মা কতটা, এবারই বোঝা যাবে। লিখেছেন নির্মল দত্ত।

আজ অর্জুন খারাপ, সেদিন বুঝি ভাল ছিলেন!‌

১৯ বছর আগের কথা কে আর মনে রাখে। সেবারও টিকিট নিয়ে ঝগড়া। ভোটের আগে খুন হয়েছিলেন তৃণমূলের যুব নেতা বিকাশ বসু। মূল অভিযুক্ত ছিলেন অর্জুন সিং। অভিযোগকারী বিকাশের স্ত্রী মঞ্জু। মঞ্জু দাঁড়ালেন নোয়াপাড়া থেকে, অর্জুন দাঁড়ালেন ভাটপাড়া থেকে। আজ বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় অর্জুনকে অনেক গালমন্দ করা হবে। কিন্তু সেদিন খুনে অভিযুক্ত অর্জুনকে কে টিকিট দিয়েছিলেন?‌ লিখেছেন ধীমান সাহা।

বৈশাখী ভার্সেস রত্না, ভোটের সময় ঘোর সঙ্কটে মেগা সিরিয়াল

জীবনের ওপর বউয়ের দখলদারি। টিভির রিমোটেও তাই। সে দেখবে মেগা সিরিয়াল। খবর দেখার সুযোগই নেই। কিন্তু ভোটের আবহে গিন্নি বলছে, খবরের চ্যানেল ছাড়া কিছুই দেখবে না। শোভন–‌বৈশাখী বিজেপিতে গেলে রত্নাও নেমে পড়বে পাল্টা প্রচারে। তখন তা মেগা সিরিয়ালকেও ছাপিয়ে যাবে। দাম্পত্যের এই গোপন কথা উঠে এল রবি করের লেখায়।

সাত দফা, আসলে সাত থাপ্পড়

বাংলার মূলস্রোত মিডিয়া ভয়ে চুপ থাকতেই পারে, কিন্তু এ রাজ্যে ভোটের আসল চিত্রটা এখন আর গোপন নেই। তারই প্রতিফলন নির্বাচন কমিশনের এই সাত দফার বিন্যাসে। শুধু সাত দফা নয়, এটা আসলে মোক্ষম সাত থাপ্পড়। কিন্তু রাজ্য সরকার বা শাসক দল কি আত্মসমীক্ষা করবে?‌ সম্ভাবনা কম। এসব তাদের অভিধানে নেই। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।

জোটের জট নিয়ে এখনও ভুগতে হবে

রায়গঞ্জ আর মুর্শিদাবাদ নিয়ে হয়ত কিছুটা স্বস্তি এল। কিন্তু জট কি কাটল?‌ নানা আসন নিয়ে একের পর এক বায়না চলতেই থাকবে। যে কংগ্রেসের অন্তত তিরিশটা আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার কথা, তারা হয়ত ১৮ খানা আসন চেয়ে বসবে। আসলে, পায়ের তলায় মাটি আছে কিনা, কংগ্রেস নেতারা নিজেরাই জানেন না। লিখেছেন ধীমান সাহা।

৭০ নারীর লড়াই, আস্ত ক্যানভাসে

সে প্রেমে পড়ে, তাও নিঃশব্দে। সে কষ্ট পায়, সে কষ্ট বুকের ভেতরেই চাপা থাকে। কেউ টেরও পায় না। তার জীবনের নানা বাঁকে ‘‌চেনা আলো, চেনা অন্ধকার’‌।‌ এমনই নানা মুহূর্ত যদি আস্ত ক্যানভাসে উঠে আসে!‌ নারী দিবেস এমনই ‘‌না বলা কথা’‌র ছবি উঠে এল।

অপেক্ষা নয়, প্রার্থী ঘোষণা করেই দিল সিপিএম

রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ কোনওভাবেই কংগ্রেসকে ছাড়া হবে না। সাফ জানিয়ে দিল বামফ্রন্ট। দুই আসনে প্রার্থী ঘোষণা হয়ে গেল। পাশাপাশি, কংগ্রেসের জেতা চার আসনে প্রার্থী দেওয়া হবে না, এমন ঘোষণাও হল। কংগ্রেস যদি এরপরও রায়গঞ্জ, মুর্শিদাবাদে প্রার্থী দেয়, তখন সেই চার আসনে বামেরাও প্রার্থী দিতে পারে।

শোভনের পর এবার টার্গেট সব্যসাচী

শুধুই আলুর দম–‌লুচি খেতে হলে সন্ধে বেলায় এত ঢাক পিটিয়ে যাওয়ার দরকার ছিল না। মুকুল বা সব্যসাচী যে দাবিই করে থাকুন, বিষয়টি আপাদমস্তক রাজনৈতিক। সূত্রের খবর, বারাসত লোকসভা আসনে সব্যসাচীকে প্রার্থী করতে চায় বিজেপি। সব্যসাচী রাজি থাকলে তাঁকেই কাকলি ঘোষ দস্তিদারের বিরুদ্ধে প্রার্থী করা হবে।

খেতাবের সামনে ইস্টবেঙ্গল

চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হাতছানি ইস্টবেঙ্গলের সামনে। কেরলের মাঠে নিজেদের জিততে হবে। অন্যদিকে, ঘরের মাঠে চেন্নাইকে পয়েন্ট নষ্ট করতে হবে। একইসঙ্গে দুই ম্যাচ। চেন্নাইয়ের বিপর্যয় বাংলার মুখে হাসি ফোটাতেই পারে।

আই লিগ শেষ করল মোহনবাগান

মোহনবাগানের আই লিগ অভিযান শেষ। শেষ ম্যাচে জয়ের সুবাদে আপাতত তারা রইল পাঁচ নম্বরে। তবে এটাই চূড়ান্ত নয়। শনিবার নেরোকা জিতলে ছয় নম্বরে নেমে যাবে মোহনবাগান। তাই, প্রথম ছয়ে থাকা অন্তত নিশ্চিত করল বাগান।