বইয়ের বিকল্প হয়ে উঠুক অডিও বুক

বই পড়ার অভ্যেস ক্রমশ কমে আসছে। মানুষের সময় যেমন কমে আসছে, তেমনই ধৈর্যও কমে আসছে। বাংলা সাহিত্য কি তাহলে একটু একটু করে হারিয়ে যাবে?‌ পরের প্রজন্ম কি বই পড়াই ছেড়ে দেবে?‌ লাইব্রেরিগুলো কি তাহলে বন্ধ হয়ে যাবে?‌ প্রকাশনা সংস্থাগুলো কি ক্রমশ ধুঁকতে থাকবে?‌ এই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।।

প্রণববাবু জানেন, কোথায় যেতে নেই

প্রণব মুখার্জি জানেন, কোথায় যেতে হয়, কোথায় যেতে নেই। কোথায় গিয়ে কী বলতে হয়, সে ব্যাপারেও তিনি বরাবরই সচেতন। তাই আরএসএসের অনুষ্ঠানে গেলেও তিনি আরএসএসের সুরে সুর মেলাননি। বরং, ভারতের ঐতিহ্য ও পরম্পরার কথাই মনে করিয়ে দিয়েছেন। সেখানে গিয়ে সর্বধর্ম সমন্বয়ের কথাই বলেছিলেন। এক্ষেত্রেও নিশ্চিত থাকতে পারেন, তিনি কোনওভাবেই রাঁচীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যাবেন না

ফাঁদে পা না দিয়েই বাজিমাত

‌ সারা দেশের চোখ তখন ঝাড়খণ্ডের দিকে। চ্যানেলে চ্যানেলে চলছে বিশ্লেষণ। চ্যানেলওয়ালাদের অপেক্ষা, কখন তিনি বেরিয়ে আসবেন। কখন সাংবাদিক সম্মেলন করবেন। অবশেষে মঞ্চে তাঁর আবির্ভাব। হেঁটে নয়। সাইকেলে। সামনের সিটে...

পাহাড়ে আবার হঠকারি বন্‌ধের ডাক কেন?

ভরা পর্যটন মুরশুম। আবার পাহাড়ে বন্‌ধের ডাক। এবার আর গুরুংবাহিনী নয়, বনধ ডাকল বিনয় তামাংদের যুব মোর্চা। বিনয় বলেছিলেন, আর কখনও পাহাড়ে বন্‌ধ ডাকবেন না। অথচ, তাঁর দলই কিনা বন্‌ধ ডেকে বসল! এতে পাহাড়ের ভাল হবে? গুরুংদের সঙ্গে তাহলে তফাত কোথায় ?

ফের মোহনবাগানের সভাপতি হচ্ছেন টুটু বসু

আপাতত সভাপতির পদ শূন্য। বাইরে থেকে হেভিওয়েট কাউকে আনা হচ্ছে না। সচিব টুটু বসুকেই হয়ত ফের সভাপতি করা হবে। সেক্ষেত্রে সচিব হয়ে যাবেন সৃঞ্জয় বসু।

এই অরাজকতায় কিন্তু বিজেপিই অক্সিজেন পাচ্ছে

চতুর্থ দিনের মাথায় মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বিজেপি টাকা দিয়ে এইসব করাচ্ছে। তাহলে যাঁরা এইসব কাণ্ড করছে, তাঁদের প্রতি ধিক্কার দিতে এত দ্বিধা কেন? কেন বলা যাচ্ছে না, এসব যাঁরা করছেন, তাঁরা দুষ্কৃতী। তাঁদের ধিক্কার জানাই। কেন তাঁদের বলতে হচ্ছে দয়া করে এসব করবেন না।এতে কিন্তু বিজেপির হাতই শক্তিশালী হচ্ছে। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

চায়ের দোকান আর সংসদ এক নয়, বিরোধীরা কবে বুঝবেন!

এভাবেই সংসদের বিতর্ক ক্রমশ লঘু হয়ে যাচ্ছে। কোন বিল নিয়ে কাকে বলানো উচিত, সেই সিদ্ধান্তটাই নিতে পারছে না বিরোধীরা।পাড়ার চায়ের দোকান আর সংসদ যে এক নয়, এই সহজ ব্যাপারটাই বিরোধীরা এখনও বুঝতে চাইছেন না। এমনিতেই অনেকে হেরে গেছেন। বিরোধীদের অনেক বড় বড় বক্তা লোকসভায় আসার ছাড়পত্রই পাননি। যে কয়েকজন আছেন, তাঁদেরকেও যদি ঠিকঠাক তুলে ধরা না যায়, আখেরে কার লাভ! লিখেছেন সৌম্যদীপ ঠাকুর।

ফের বোঝা গেল, ফিরহাদ অনেক বেশি বিচক্ষণ

প্রথম দিনেই আসল সত্যিটা আঁচ করেছিলেন ফিরহাদ হাকিম। বুঝেছিলেন, এই ঝামেলা, এই হিংসা তৃণমূলকেই অনেক পিছিয়ে দেবে। যত হিংসাত্মক ঘটনা ঘটবে, ততই অক্সিজেন পাবে বিজেপি। এই সহজ সত্যিটা যদি মুখ্যমন্ত্রী বুঝতেন!

ঘুরে আসুন গাছবাড়ি

মেন্দাবাড়ি কোনও বিখ্যাত জায়গা নয়। বাংলার পর্যটন মানচিত্রে তাকে খুঁজেও পাবেন না। কোনও বহুজাতিক কোম্পানি এখানে হোটেল করতে এগিয়ে আসেনি। এমনকি সাধারণ মানের কোনও হোটেলও আপনি পাবেন না। কোনও ট্যুর অপারেটর আপনাকে মেন্দাবাড়ি নিয়ে যাবে না। শপিং মল তো দূরের কথা, চা খেতে চাইলে তেমন দোকানও বোধ হয় তিন কিলোমিটারের আগে খুঁজে পাবেন না। বিদ্যুতের আলো নেই। পাকা রাস্তা থেকে অনেক ভেতরে। ঘাস, জঙ্গল পেরিয়ে সে অনেকটা পথ। দশবার গেলেও রাস্তা গুলিয়ে যেতে পারে। বর্ষাকালে আপনার গাড়ি ঢুকবে, এমন নিশ্চয়তাও নেই। যদিও বা ঢুকল, হাতির পাল এসে অন্ধকারে পথ আগলে দাঁড়াতেও পারে। চাইলে হয়ত আরও অনেক অভিযোগের ফিরিস্তি পেয়ে যাবেন। তাই, আরও একবার ভেবে নিন, যাবেন কিনা। পর্যটনের লেখায় শুধু ভাল ভাল কথার ফিরিস্তি থাকে। এখানে এই নেই, সেই নেই, এসব লিখতে নেই। কিন্তু কী করব? মেন্দাবাড়িতে যে অনেককিছুই নেই। কিন্তু যা আছে, তা যে অনেক অনেক বেশি। তবে, তা সবাই অনুভব করতে পারবেন, এমন আশা না করাই ভাল। এটা অনুভব করতে গেলে প্রকৃতিকে ভালবাসতে হবে। প্রকৃতির প্রতি ভালবাসা না থাকলে, নির্জনতাপ্রিয় না হলে, আপনাকে শুধু অভিযোগের ফিরিস্তি দিয়ে যেতে হবে। তাই এই জায়গা শুধু তাঁদের, যারা অনেক ‘নেই’ এর সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেন। যাঁরা প্রাণভরে প্রকৃতিকে অনুভব করতে পারেন।

মহানায়ক যেতেন, আপনিও চলুন তোপচাঁচি

এত ভাল লেগেছিল, জমিই কিনে ফেলেছিলেন মহানায়ক। দিগন্তজুড়ে নীল জলাশয়। ওপারেই সবুজ পাহাড়। বেশি দূরে নয়, কাছেই আছে তোপচাঁচি। চাইলে ঘুরে আসতে পারেন। লিখেছেন অভিরূপ কুমার।