বারো বছর পর নাকি দার্জিলংয়ে বরফ পড়ল। তাহলে গত কয়েক বছরে যে এত এত বরফের ছবি আর হেডিং ছাপা হল, সেগুলোর কী হবে? ভুয়ো ডাক্তারের মতো ভুয়ো হেডিং? পাহাড়ের বরফ নিয়ে চারিদিকে কত সেলফি, কত আদিখ্যেতা। এই সুযোগে হাওয়া অফিস আর কাগজওয়ালাদের একহাত নিলেন চিরনিন্দুক নন্দ ঘোষ। পড়ুন নন্দ ঘোষের কড়চা।
বন্ধ সিনেমা হল নয়, এবার বৃদ্ধের অবলম্বন একটা পুরনো গ্রামোফোন রেকর্ড। সারাদিন বেজে চলে কলের গান। ফেলে আসা দিনে উঁকি মারা। সিনেমাওয়ালার পর নতুন এক চ্যালেঞ্জের সামনে পরান বন্দ্যোপাধ্যায়।
মরুভূমি ঘোরা হয়ে গেছে। পাহাড়ের বরফ দর্শনও হয়ে গেছে। এবার কাকাবাবুর ঠিকানা জঙ্গল। তাও এ দেশের নয়, একেবারে আফ্রিকার জঙ্গল। এবার পুজোয় কাকাবাবুর জঙ্গল অভিযান। সঙ্গে অবশ্যই সন্তু।
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর প্রকাশ পেল দাদার কীর্তি। সঙ্গে সঙ্গে তরুণ মজুমদার জানিয়ে দিলেন, তিনি ছবি করতে চান। ছবিও হয়ে গেল। অজানা কাহিনী উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।