বাংলাদেশের তিনটি অণু গল্প
বাংলাদেশ থেকে এসেছে তিনটি অণু গল্প। পাঠিয়েছেন ময়মনসিংহের এক ছাত্র। নাম জুয়েল মিয়াজী। তিনটির পটভূমি আলাদা। একসঙ্গেই তিনটি প্রকাশিত হল। আগামীদিনে আরও অনেক অণু গল্প প্রকাশিত হবে।
বাংলাদেশ থেকে এসেছে তিনটি অণু গল্প। পাঠিয়েছেন ময়মনসিংহের এক ছাত্র। নাম জুয়েল মিয়াজী। তিনটির পটভূমি আলাদা। একসঙ্গেই তিনটি প্রকাশিত হল। আগামীদিনে আরও অনেক অণু গল্প প্রকাশিত হবে।
সৃজিত কী করবেন, সেটা তাঁর বিষয়। তবু অনুরোধ, এখনই স্বপ্নার দিকে হাত বাড়াবেন না। আপনি অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি, ভাওয়াল রাজাদের নিয়ে থাকুন। এই মেয়েটাকে এখন ছুটতে দিন, লাফাতে দিন। ওঁকে যে এখনও অনেকদূর যেতে হবে! লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।।
এতদিন ভাবতেন, কলকাতা লিগ কোনও টুর্নামেন্টই নয়। মোহনবাগানের জয় যেন চোখ খুলে দিল। মনে হল, এটা বোধ হয় বিশ্বকাপের কাছাকাছি। দারুণ একটা ছবির বিষয় পেয়ে গেলেন গোত্র গুপ্ত। রম্যরচনায় সেই কাহিনীই তুলে আনলেন কুণাল দাশগুপ্ত।।
ঘরে ঢুকে গেছে একবুক জল। জলের তোড়ে কারও আবার ঘরই ভেসে গেছে। কারও ঠিকানা স্কুলবাড়ি, কেউ আছেন ত্রাণশিবিরে। সেখানেই পৌঁছে গেল টিভি ক্যামেরা। বন্যা দুর্গতদের না বলা কথা উলে এল বিশেষ প্রতিবেদনে।
কতকিছুই বদলে গেছে। সেদিনের কিশোর অপু এখন হরিহর। আরও কত বদলে যাওয়া ছবি। টাইম মেশিনে চড়ে সেই সময় ও এই সময়ে উকি দিলেন ময়ূখ নস্কর।।
আজ বিভূতিভূষণের জন্মদিন। তাঁর সাহিত্যের তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ নয়। বরং সেই পড়ার মুগ্ধতা, চরিত্রগুলোর সঙ্গে একাত্ম হয়ে ওঠার পটভূমি উঠে এল অন্তরা চৌধুরির লেখায়।
সকাল থেকে এক অদ্ভুত আদিখ্যেতা শুরু হয়েছে। টিভি চ্যানেলগুলোকেও বলিহারি। কাজ নেই, অমনি ডান্ডা নিয়ে বেরিয়ে পড়ল। ভূমিকম্পের লাইভ কভারেজ। কেউ পৌঁছে গেল পাতাল রেলে, তো কেউ সেক্টর ফাইভে। আদিখ্যেতার শেষ নেই। তাই নিয়েই নন্দ ঘোষের কড়চা।
কেউ মেট্রোয়। কেউ ব্যস্ত টিভি দেখায়। আবার কেউ মগ্ন মোবাইলে। নানা লোকের জীবনে নানা চেহারায় হাজির ভূমিকম্প। টুকরো টুকরো সেই জীবনের ছবি উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।
দলের লোকেরা যেন অনাস্থা না আনতে পারে, সেই কারণেই বিধানসভায় নতুন আইন আনা হয়েছিল। সেই আইনটাই এখন ব্যুমেরাং হয়ে ফিরে আসছে শাসকদলের কাছে।লিখেছেন অজয় কুমার।
ভিন রাজ্য। তবে, খুব দূরে নয়, কলকাতা থেকে ঘণ্টা তিনেক। ঘাটশিলা পেরিয়ে গালুডি। পাহাড় দিয়ে ঘেরা। নির্জন প্রান্তর। অনেক স্মৃতি নিয়ে থাকা সুবর্ণরেখা। এই পথেই তো হেঁটে বেড়াতেন বিভূতিভূষণ। আপনিও হেঁটে বেড়ান। লিখেছেন সন্তু বিশ্বাস।।