জানালা খুললেই মেঘ আর চা বাগান
এই গরমে একটু ঠাণ্ডার দেশে গেলে কেমন হয়! চেনা দার্জিলিং নয়, অচেনা তাবাকোশি। জানালা খুললেই চা বাগান। ওই খোলা জানালা দিয়েই ভেসে আসবে মেঘ। লিখেছেন ভুবন সোম।
এই গরমে একটু ঠাণ্ডার দেশে গেলে কেমন হয়! চেনা দার্জিলিং নয়, অচেনা তাবাকোশি। জানালা খুললেই চা বাগান। ওই খোলা জানালা দিয়েই ভেসে আসবে মেঘ। লিখেছেন ভুবন সোম।
আপনার সবথেকে বড় গুণ আপনার লেখা মহিলারাও গোগ্রাসে পড়েছেন। কিন্তু আপনার এই লেখাগুলো আজকের সিরিয়ালের উন্নত সংস্করণ। সিরিয়ালে যেমন একটি করে দজ্জাল মহিলা থাকে, যারা সংসারে আগুন লাগায়। সিরিয়ালে যেমন অধিকাংশ পুরুষ হয় বদমাশ নয় মেনিমুখো। আপনার লেখাতেও তাই। নন্দ ঘোষের কড়চায় এবার শিকার শরৎচন্দ্র।
ইমেলে বা হোয়াটসঅ্যাপে মনোনয়ন দেওয়ার আবেদন খারিজ করে দিলেন। অথচ, যাঁরা হোয়াটসঅ্যাপে মনোনয়ন দিলেন, তাঁদের মনোনয়ন গ্রাহ্য হল। এটা কোন যুক্তিতে সম্ভব, মাথায় ঢুকছে না। আদালত নিজেই তো নিজের রায়কে খণ্ডন করল। ডিভিশন বেঞ্চে বা সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার রাস্তা দেখিয়ে দিল।
কীভাবে সন্ত্রাসের মোকাবিলা করতে হয়, ফের দেখিয়ে দিলেন ভিক্টর। সব আসনে বিরোধীদের প্রার্থী। লাঠি হাতে ব্লক অফিস ঘিরে রইলেন বাম কর্মীরা। সুবোধ বালকের মতো মনোনয়ন দিয়ে গেল তৃণমূল। তরুণ বিধায়কের কাছে পুলিশও শিখল, আইনশৃঙ্খলা কীভাবে রক্ষা করতে হয়। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।
আবার পরম পুলকে ছুটলেন হাইকোর্টে। না আছে তথ্য। না ঠিকঠাক যুক্তি। সেই চায়ের দোকানের চর্বিত চর্বন ভাষণ। যাঁরা ন্যূনতম আইন বোঝেন না, তাঁরা কথায় কথায় মামলা করতে ছোটেন কেন?
এখন তো ইন্টারনেটের যুগ। একটু সার্চ করলেই অনেক ছবির পোস্টার পেয়ে যাবেন। বা টিভিতেও মাঝে মাঝেই পুরনো ছবিগুলো দেখায়। ঘরে ডিভিডি থাকলে তো কথাই নেই। আরও ভাল করে ছবিগুলো দেখুন। টাইটেল কার্ডে সবার আগে সুচিত্রার নাম। আগে সুচিত্রা, তারপর উত্তম।
ওলার মধ্যেও যেন হলুদ ট্যাক্সির ভূত। অধিকাংশ চালক বাংলা জানেন না। কলকাতার সাধারণ রাস্তাগুলোও চেনেন না। তাহলে, কাদের গাড়ি চালানোর ছাড়পত্র দিচ্ছে ওলা? যে খুশি ওলার গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়বে? লিখেছেন শ্রীপর্ণা গাঙ্গুলি।।
মাইলের পর মাইল হেঁটে যান চা বাগানের মাঝ দিয়ে। এই গরমে একটু হিমেল হাওয়া, একটু ভেসে বেড়ানো মেঘ। ভিনদেশ বা ভিনরাজ্য নয়, একেবারেই মিরিকের লাগোয়া ছোট্ট গ্রাম তাবাকোশি। সন্ধান দিলেন ভুবন সোম।।
গ্রিন টি। মোটেই সুস্বাদু নয়। তবু সকালে অভ্যেস করুন। না হয় ওষুধ মনে করেই খান।