যার সঙ্গে কথা হবে, সে কেমন অবস্থায় থাকবে, কে জানে! সে হয়ত ফোন ধরবেই না। র কথা বলা ফ্রি জানলে কথার মূল্যও কমে যায়। যেতে বাধ্য। তাই যারা মোবাইল খুটখুট করে চলেছে, তাদের মেসেজ করার জন্য হয়ত অনেক লোক আছে। কিন্তু হায়! তাঁদের সঙ্গে কথা বলার লোকের বড্ড অভাব।
বক্সাদুয়ার। যেন মেঘের গায়ে জেলখানা। পাহাড়, জঙ্গলঘেরা জনপদ। দুর্গের আনাচে কানাচে অজানা ইতিহাসের হাতছানি। তুলে ধরলেন মলয় সিংহ।।
বইমেলা শেষ হচ্ছে রবিবার। তার দুদিন আগেই এসে যাচ্ছে ভালবাসার বাড়ি। একসঙ্গে যেন জোড়া উপহার। একটা শেষ হওয়ার আগেই আরেকটা দেখে ফেলুন। লিখেছেন বৃষ্টি চৌধুরি।
নন্দ ঘোষ আবার বইমেলায় হাজির। ফ্রান্সের থিম প্যাভিলিয়নেও পৌঁছে গেলেন। তাঁর ইচ্ছে হল গিল্ডের মহাপন্ডিত মাতব্বর ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায়কে একটু প্রেম নিবেদন করবেন। সেই প্রেমপত্র কেমন হতে পারে? পড়ে নিন। জেনে নিন।
এটা কোনও সেলিব্রিটিদের কলাম নয়। একেবারে আম আদমির কথা। প্রায় দু’ বছর ধরে চলছে বিভাগটি। এর মধ্যেই বেশ জনপ্রিয়। শুরুতে চিঠি পাঠাতে হয়ত কিছুটা দ্বিধা থাকত। এখন কিন্তু অনেক চিঠি আসছে। অনেকেই নিজের নানা অভিজ্ঞতার কথা মেলে ধরছেন।
রাজনীতি, সাহিত্য, সিনেমা, খেলা— সব বিভাগেই নব্বইয়ের দশককে ছুঁয়ে দেখার চেষ্টা। ফেলে আসা সময়ের স্রোতে কিছুটা ভেসে যাওয়া। তাই নিয়েই জমজমাট বিভাগ— নব্বইয়ের দশক।।
কে কীভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন? সাহিত্যিক থেকে বিজ্ঞানী, খেলোয়াড় থেকে শিল্পী। এমন অনেকের জীবনের সাফল্যের কাহিনি।
শুধু আবৃত্তিকে ঘিরে উৎসব! তাও টানা তিনদিন! তাও আবার হাওড়ার মফস্বলে! এমনটাই করে দেখাল কথাসরিৎ। সেই উৎসবের নানা বর্ণনা উঠে এল সংহিতা বারুইয়ের লেখায়।
বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদন: আই লিগের আশা ফের কিছুটা জাগিয়ে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ইন্ডিয়ান অ্যারোজকে হারানোর সুবাদে ফের উঠে এল তিন নম্বরে। লাল হলুদের পয়েন্ট ১৩ ম্যাচে ২৩। পয়েন্ট টেবিলে আপাতত শীর্ষে...
চৌরঙ্গীর রিমেক! নন্দ ঘোষের কানে পৌঁছে গেছে। সৃজিত মুখার্জি বা প্রসেনজিৎকে নয়। স্বনামধন্য নন্দ ঘোষ ‘প্রেমপত্র’ দেওয়ার জন্য বেছে নিলেন লেখক শঙ্করকে।