ব্যান্ডের সেকাল একাল

কত স্মৃতি, কত আবেগ জড়িয়ে। কত বিয়েবাড়ি, কত অনুষ্ঠানে বেজে উঠত ব্যান্ড পার্টি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যেন হারিয়ে যাচ্ছে সেই ঐতিহ্য। ব্যান্ড পার্টির সেকাল একাল নিয়ে মন ছুঁয়ে যাওয়া লেখা। লিখেছেন সংহিতা বারুই।।

মেয়ে দুটিকে জঙ্গি বানানোর আগে সত্যিকারের তদন্ত হোক

বিমান দেরিতে নামলে পাইলট জঙ্গি। মঞ্চে কোনও অসহায় মহিলা উঠে পড়লে তাঁকেও শারীরিক ও মানসিক হেনস্থা। এখনও পুলিশি পাহারায় হেমতাবাদের মেয়ে দুটি হাসপাতালে বন্দী। তাঁদেরও নাকি ‘‌অন্য উদ্দেশ্য’‌ ছিল। তাঁদের জঙ্গি বানানোর চেষ্টা। তদন্তের নামে কতকিছুই না হচ্ছে!‌ কিন্তু হেমতাবাদের মঞ্চ ও প্যান্ডেল করতে দক্ষিণ কলকাতার ডেকরেটর কেন লাগে, সেই তদন্ত হবে তো?‌ লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

হাতের কাছেই রহস্যে ঘেরা এক সৈকত

দিঘায় তো অনেকেই গিয়েছেন। মন্দারমণি বা শঙ্করপুরও অচেনা নয়। কিন্তু কাছেই এক অজানা সৈকত, রহস্যে ঘেরা অন্য এক সমুদ্র। ঝাউ আর ক্যাসুরিনার জঙ্গল। সন্ধান দিলেন বৃষ্টি চৌধুরি।।

‌‌এবার নব্বইয়ের দশক

দারুণ সাড়া ফেলেছিল আশির দশক। এবার পাঠকদের দাবিতে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ ফিচার— নব্বইয়ের দশক। রাজনীতি, সাহিত্য, সিনেমা, খেলা, সমাজজীবন সহ নানা দিককে একটু ছুঁয়ে যাওয়ার চেষ্টা। নানা আঙ্গিক থেকে আকর্ষণীয় লেখার সম্ভার।

বাইচুং এখনও দুরন্ত স্ট্রাইকার, ঠিক গোলের গন্ধ পেয়েছেন

বলা হয়, ফর্ম ইজ টেম্পোরারি, ক্লাস ইজ পার্মানেন্ট। কিন্তু বাইচুং ভুটিয়া একটু অন্য ধাতুতে গড়া। তাঁর ফর্ম, ক্লাস দুটোই পার্মানেন্ট। সুযোগ সন্ধানী স্ট্রাইকার, ঠিক গোলের গন্ধ পেয়েছেন। তাঁকে খোলা চিঠি।...

চৌরাস্তার মোড়ে বাইচুং

তৃণমূল তো ছাড়লেন। এবার কোথায় যাবেন বাইচুং?‌ নানা জল্পনা ভেসে বেড়াচ্ছে। নানা সম্ভাবনাকে একটু তলিয়ে দেখা। চৌরাস্তার মোড়ে আপাতত দাঁড়িয়ে। কোন দরজা খুলবে, বাইচুং নিশ্চয় জানেন।

সোমনাথ চ্যাটার্জির আসনে অনুপম সাংসদ!‌

হিসেব কষেই চলছেন অনুপম হাজরা। নিশ্চিত থাকুন, এবার তিনি ভিড়বেন বিজেপি–‌র নৌকোয়। এবং সাদরে তাঁকে নেওয়াও হবে। সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের আসনে সাংসদ অনুপম!‌ যাঁরা এমন লোককে সাংসদ বানালেন, তাঁরা দায় নেবেন না?‌ লিখেছেন অরিজিৎ সেন।।

বাংলা ছবি লোপাকে ব্যবহার করতেই পারল না

ধামাধরাদের ভিড়ে অনেকটাই স্বতন্ত্র। তাঁর গানও স্বতন্ত্র। বাংলা ছবি কি সেভাবে ব্যবহার করতে পারল লোপামুদ্রাকে?‌ কারা সঙ্গীত পরিচালনা করেন, তাঁরা কী চান, জানতে খুব ইচ্ছে করে। লোপামুদ্রাকে খোলা চিঠি। লিখলেন বৃষ্টি চৌধুরি।।

লোকদেখানো ধমক নয়, পুলিশকে কাজ করতে দিন

কুশমন্ডির ঘটনার পর মঞ্চ থেকে ধমক দেওয়া হল পুলিশ অফিসারদের। কিন্তু নারী নির্যাতন ঠেকাতে সরকার কি সত্যিই আন্তরিক?‌ অতীত ইতিহাস কিন্তি তা বলছে না?‌ ধর্ষণ হলেই প্রথম কাজ অস্বীকার করা, পরের কাজ বিরোধীদের নিশানায় তোলা। তারপর রেট বেঁধে দেওয়া। এই মানসিকতা নিয়ে যদি সরকার চলে, তাহলে তো নির্যাতন বাড়বেই। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।

শ্রীদেবীর জীবনে যদি কোনও ভরত মহারাজ থাকতেন!

আমরা দর্শকরাই দায়ী।আমরা বিগতযৌবনা নায়িকাদের দেখলেই তাঁর খুঁত খুঁজে বার করি।ইস কি বুড়ি হয়ে গেছে বলি।না না এই বিশ্রী ছবি দেখবনা বলি।তাই হয়তো শ্রীদেবী তাঁর সাম্রাজ্য রক্ষা করতে গিয়ে শেষ হয়ে গেলেন। লিখেছেন শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।।