ভারতী যদি ইস্তফা না দিতেন!‌

এত বছর ধরে ভারতী ঘোষ এই সমস্ত কাণ্ড চালিয়ে গেলেন। তাঁর ঊর্ধ্বতন অফিসারেরা এতদিন কী করছিলেন?‌ কার সাহসে, কার ‘‌অনুপ্রেরণা’‌য় এতটা বেপরোয়া হয়ে উঠলেন?‌ তাঁদের দিকে কোনও প্রশ্ন উঠবে না?‌ লিখেছেন সুজয় হালদার।।

এই সম্মেলনেই সরে দাঁড়াচ্ছেন গৌতম দেব

কলকাতায় জেলা সম্পাদক বাছাইকে ঘিরে চলল ভোটাভুটি। উত্তর ২৪ পরগনায় তেমনটা সম্ভবত হচ্ছে না। এবার জেলা সম্পাদক পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন গৌতম দেব।

এ কোন বইমেলা, যেখান জয় গোস্বামীর চেয়ে ঋতুপর্ণার কদর বেশি!‌

একাকী দাঁড়িয়ে জয় গোস্বামী, কেউ চিনতেও পারছেন না। পাশ দিয়ে পেরিয়ে যাচ্ছেন ঋতুপর্ণা। তাঁর সঙ্গে ছবি তোলার কী হুড়োহুড়ি!‌ এ কোন বইমেলা?‌ লিখলেন রাহুল বিশ্বাস।।

ঝড় তুলতে আসছে সৌরভের আত্মজীবনী

কেমন ছিল সেই প্রত্যাবর্তনের দিনগুলো?‌ দাঁতে দাঁত চেপে কীভাবে লড়াই করেছেন?‌ নিজেকে প্রতিনিয়ত কী বলে অনু্প্রাণিত করতেন?‌ চারপাশের চেনা জগৎটা ঠিক কেমন ছিল? এমন অনেক অজানা দিক উঠে আসবে এই আত্মজীবনীতে। সৌরভের আত্মজীবনী নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।।

পাগলি তোমার সঙ্গে

একদিকে পাইন বন, ভেসে আসছে মেঘের ভেলা। ওদিকে শ্বেতশুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘা। সেও ডাকছে হাতছানি দিয়ে। এমনই এক জায়গা থেকে মুগ্ধতামাখানো চিঠি। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।

একটু দূরে, মধুপুরে

সেই রাজবাড়ি এখনও আছে। আছে সেই আরামকেদারা, যেখানে রবি ঠাকুর বসতেন, লিখতেন। চাইলে মধুপুরের সেই রাজবাড়িতে আপনিও থাকতে পারেন। বিস্তারিত জানতে পড়ুন শান্তনু ব্যানার্জির লেখা।।

বিমল গুরুংকে খোলা চিঠি

আপনি বুঝেছেন। ভারতী ঘোষ বুঝেছেন। একদিন বিনয় তামাংরাও বুঝবেন। আপাতত সেই অপেক্ষায় থাকা ছাড়া উপায় কী?‌ টিভিতে চোখ রাখুন। পাহাড়ে ‘‌উন্নয়ন’‌ আর ‘‌অনুপ্রেরণা’‌র লাইভ টেলিকাস্ট দেখুন। বিমল গুরুংকে খোলা চিঠি। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।

‌পৌনে ২ লাখ টাকার বই কিনল মুম্বইয়ের যুবক!‌

নাম মহেশ রায়। থাকেন মুম্বইয়ে। কলকাতায় এসেছিলেন শুধু বইমেলার জন্যই। ছিলেন বাইপাসের কাছেই একটি হোটেলে। তিনদিন ছিলেন। তিনদিন ধরে বইমেলায় ঘুরেছেন। বই কিনেছেন পৌনে দু লাখ টাকার। শনি আর রবি মিলে কিনেছিলেন ৭৫ হাজারের। সোমবার কিনলেন এক লাখ টাকার।

ভোটাভুটিতে জেলা সম্পাদক কল্লোল

কোনও জেলাতেই ভোটাভুটি হয়নি। কিন্তু কলকাতায় এড়ানো গেল না। সিপিএমের নতুন জেলা সম্পাদক কল্লোল মজুমদার। ৩০–‌২৬ ভোটে হারালেন মানব মুখার্জিকে। গঠিত হল ৬০ জনের জেলা কমিটি।