কোথায় বাংলা, কোথায় রাবাংলা!‌

শীত বিদায় নিয়েছে আগেই। ‘‌বসন্ত এসে গেছে’‌ বলে যতই আদিখ্যেতা করুন, এ আসলে গরমেরই ট্রেলার চলছে। এই সময় যদি সিকিমের ছোট্ট পাহাড়ি জনপদ থেকে ঘুরে আসা যায়!‌ আপনার আদর্শ ঠিকানা হয়ে উঠতে পারে রাবাংলা। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।

এই মায়াবতীর জন্য একটি লাইনও থাকে না

গোটা দেশ মেতে আছে শ্রীদেবীর হাওয়ায়। বাংলা কাগজও তাই। তাই এমন প্রতিবাদের পরেও মায়াবতীকে নিয়ে একটি লাইনও লেখা হয় না। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

ঝান্ডি অভিযান

পাহাড়ের মাঝে অচেনা এক ছোট্ট জনপদ। অরণ্যে মোড়া শান্তির ঠিকানা। ঝান্ডি। ছবির মতো সুন্দর। মুচমুচে লেখনীতে সেই মুহূর্তগুলো তুলে ধরলেন জাহির রায়হান। পড়ুন, পারলে এই বসন্তেই ঘুরে আসুন।

শ্রীদেবী মানে কী, এই প্রজন্ম জানলই না

শ্রী দেবী মাধুরীরা রুপালি পর্দা থেকে সরে গেলেন, আর বাৎস্যায়নের দেশে জিরো ফিগারের চল শুরু হল। এই নায়িকাদের দেখে যারা মুগ্ধ হন, তাঁদের অধিকাংশই কিশোর বা নবযুবক, তারা কি জানবে আজ থেকে ৩০ বছর আগে শ্রীদেবীর রূপ কী ছিল!

হঠাৎ বসন্ত

শেষের কবিতার শহর শিলঙ থেকে কবিতার শহর কলকাতা। অ্যালবামে জমে থাকা ছবি। ধূসর স্মৃতি। সবমিলিয়ে মন কেমন করা আলতো ছোঁয়া। উঠে এল অনবদ্য একটি গল্পে।

সময়ের কাজ কীভাবে সময়ে করবেন?‌

সময়ের কাজ সময়ে করতে পারি না। বাকির পাহাড় জমে যায়। কীভাবে সময়কে কাজে লাগানো যায়?‌ আসুন, কয়েকটা জরুরি পরামর্শে চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক।

কেরল থেকে রাজ্যসভার আসন চাওয়া হোক

একসময় এই রাজ্য থেকে রাজ্যসভায় পাঠানো হয়েছে বৃন্দা কারাতকে। ইয়েচুরিকে পাঠানো হয়েছে দুবার। এবার এই রাজ্যের কাউকে কেরল থেকে রাজ্যসভায় পাঠানো হোক। এখনই এই দাবি তুলুক আলিমুদ্দিন। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

বিকল্প মুখ ভাবা হোক নজরুলকে

নজরুল মানেই সততা। নজরুল মানেই প্রগতিশীল এক কণ্ঠস্বর। নজরুল মানেই যথার্থ প্রতিবাদ। রাজ্যসভায় বিরোধীদের সম্মিলিত প্রার্থী হিসেবে এমন মানুষকে বিকল্প হিসেবে তুলে ধরা যায় না?‌ লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

এখন থেকে অরাজনৈতিক মুখ খোঁজা শুরু হোক

বিরোধীদের থেকে একজনই যেতে পারেন। বাম বা কংগ্রেস–‌কোনও দলেরই নয়। দুই শিবিরের কাছে গ্রহণযোগ্য, বাংলার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য এমন প্রার্থীই খোঁজা হোক। হাতে দশদিনও সময় নেই। অহেতুক কালবিলম্ব না করে এখন থেকেই সেই আলোচনা জোরদার হোক। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

‌দলহীন, কিন্তু কোনদিকে ঝুঁকে ঋতব্রত?‌

যাওয়ার কথা ছিল বিজেপি–‌তে। এক পা বাড়িয়েও ছিলেন। মাঝে এসে গেলেন নম্রতা দত্ত। এমনই তাঁর নম্রতা যে, এখন তৃণমূল শিবিরে ঝুঁকে থাকা ছাড়া গতি নেই ঋতব্রতর। বেঙ্গল টাইমসে বিশেষ প্রতিবেদন।