এই ছবিতেও বেশ কয়েকটি রবীন্দ্র সঙ্গীত। ভারি চমৎকার তার ব্যবহার। কোনওটাই আরোপিত মনে হয় না। বেশ কয়েকটি গানে চোখের জল আপনাআপনিই গড়িয়ে যায়। অনেকটা আপন বেগে পাগল পারা হয়ে। ভালবাসার বাড়ি দেখে এসে লিখলেন কুন্তল আচার্য।।
মাঝে একটা লম্বা বিরতি। আবার ফিরে আসছেন রঞ্জিত মল্লিক। মুক্তি পাচ্ছে তাঁর নতুন ছবি— হানিমুন। কতটা ছাপ ফেলবে এই ছবি? কেমন হবে নতুন ইনিংস?
বিমল গুরুংয়ের মতোই হয়েছে তাঁর অবস্থা। অডিও বার্তা পাঠিয়ে যাচ্ছেন। কেউ পাত্তাও দিচ্ছে না। মিডিয়াতেও জায়গা হচ্ছে না। যা যা হচ্ছে, তিনিও তো এমনটাই করেছেন। তাই ভারতী ঘোষের এই আচরণই প্রাপ্য ছিল। লিখেছেন শতদল ভদ্র।।
এই প্রথম প্রসেনজিতের আত্মজীবনী। নিজের কথা, ইন্ডাস্ট্রির অজানা কথা উঠে আসবে তাঁরই বয়ানে। বইয়ের নাম— বুম্বা, শট রেডি। এবারের বইমেলায় এই বইটি নিশ্চিতভাবেই চলে আসবে বেস্টসেলারের তালিকায়। আলোকপাত করলেন বৃষ্টি চৌধুরি।
কাকে মানাবে ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকায়? মুম্বইয়ে তখন অভিনেত্রীর অভাব নেই। একের পর এক গ্ল্যামারাস মুখ। তবু গুলজারকে কিনা ছুটে আসতে হয়েছিল কলকাতায়!
বিধানসভায় স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থার নোটিশ। আলোচনা হবে কিনা, ঠিক নেই। তার আগেই বেঙ্গল টাইমসে আলোচনা শুরু। স্পিকারের পাশে দাঁড়িয়ে বিতর্ক শুরু করে দিলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
সুচিত্রার আভিজাত্য, চোখ ঝলসানো রূপ কিংবা সুপ্রিয়ার যৌনলাস্য সাবিত্রীর ছিল না, কিন্তু ছিল ওই দুটো চোখ— ”প্রহর শেষের আলোয় রাঙা/ সেদিন চৈত্রমাস/
তোমার চোখে দেখেছিলাম/ আমার সর্বনাশ! ” কিংবদন্তি অভিনেত্রীর জন্মদিনে অনেক অজানা দিক তুলে ধরলেন শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।
আমাদের কাছে পনেরোই আগস্ট মানে স্বাধীনতা দিবস। আনন্দের দিন। কিন্তু পাশের দেশে ছবিটা অন্যরকম। সেখানে পনেরোই আগস্ট মানে মর্মান্তিক এক হত্যাকান্ড। পনেরোই আগস্ট মানেই ভয়াবহ সেই স্মৃতি। পনেরোই আগস্ট মানে যন্ত্রনার দিন, কান্নার দিন।
বাঙালি যদি হতে হয়, তাহলে একদিন বা দুদিনের আদিখ্যেতা নয়। রোজ বাঙালি হয়ে উঠুন। বাংলাকে ভালবাসুন। বাংলা বই পড়ুন, গান শুনুন, ছবি দেখুন। বাংলা লিখতেও শিখুন। নইলে পয়লা বৈশাখ দিনটা বড্ড বেমানান মনে হবে। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
স্মৃতিটুকু থাক। পাঠকের মুক্তমঞ্চ। এবার উঠে এলেন মান্না দে। তাঁর গান বাজলেই একজনের মুখ ভেসে ওঠে। কীভাবে একটি পরিবারে ঢুকে পড়লেন মান্না দে। সেই কথাই উঠে এল স্মৃতির সরণিতে।