হিসেব কষেই চলছেন অনুপম হাজরা। নিশ্চিত থাকুন, এবার তিনি ভিড়বেন বিজেপি–র নৌকোয়। এবং সাদরে তাঁকে নেওয়াও হবে। সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের আসনে সাংসদ অনুপম! যাঁরা এমন লোককে সাংসদ বানালেন, তাঁরা দায় নেবেন না? লিখেছেন অরিজিৎ সেন।।
ধামাধরাদের ভিড়ে অনেকটাই স্বতন্ত্র। তাঁর গানও স্বতন্ত্র। বাংলা ছবি কি সেভাবে ব্যবহার করতে পারল লোপামুদ্রাকে? কারা সঙ্গীত পরিচালনা করেন, তাঁরা কী চান, জানতে খুব ইচ্ছে করে। লোপামুদ্রাকে খোলা চিঠি। লিখলেন বৃষ্টি চৌধুরি।।
কুশমন্ডির ঘটনার পর মঞ্চ থেকে ধমক দেওয়া হল পুলিশ অফিসারদের। কিন্তু নারী নির্যাতন ঠেকাতে সরকার কি সত্যিই আন্তরিক? অতীত ইতিহাস কিন্তি তা বলছে না? ধর্ষণ হলেই প্রথম কাজ অস্বীকার করা, পরের কাজ বিরোধীদের নিশানায় তোলা। তারপর রেট বেঁধে দেওয়া। এই মানসিকতা নিয়ে যদি সরকার চলে, তাহলে তো নির্যাতন বাড়বেই। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।
আমরা দর্শকরাই দায়ী।আমরা বিগতযৌবনা নায়িকাদের দেখলেই তাঁর খুঁত খুঁজে বার করি।ইস কি বুড়ি হয়ে গেছে বলি।না না এই বিশ্রী ছবি দেখবনা বলি।তাই হয়তো শ্রীদেবী তাঁর সাম্রাজ্য রক্ষা করতে গিয়ে শেষ হয়ে গেলেন। লিখেছেন শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।।
শীত বিদায় নিয়েছে আগেই। ‘বসন্ত এসে গেছে’ বলে যতই আদিখ্যেতা করুন, এ আসলে গরমেরই ট্রেলার চলছে। এই সময় যদি সিকিমের ছোট্ট পাহাড়ি জনপদ থেকে ঘুরে আসা যায়! আপনার আদর্শ ঠিকানা হয়ে উঠতে পারে রাবাংলা। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।
গোটা দেশ মেতে আছে শ্রীদেবীর হাওয়ায়। বাংলা কাগজও তাই। তাই এমন প্রতিবাদের পরেও মায়াবতীকে নিয়ে একটি লাইনও লেখা হয় না। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।
পাহাড়ের মাঝে অচেনা এক ছোট্ট জনপদ। অরণ্যে মোড়া শান্তির ঠিকানা। ঝান্ডি। ছবির মতো সুন্দর। মুচমুচে লেখনীতে সেই মুহূর্তগুলো তুলে ধরলেন জাহির রায়হান। পড়ুন, পারলে এই বসন্তেই ঘুরে আসুন।