সিবিআই যদি নবান্নের কাছে শিখত!
মুকুল রায়ের অভিযোগের জবাবে নবান্নের দুই কর্তা যদি প্রেস কনফারেন্স ডাকতে পারেন, তাহলে তৃণমূল নেতাদের অভিযোগের জবাবে সিবিআই–ও নিশ্চয় পারে। সিবিআই কর্তারা ভেবে দেখতে পারেন। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
মুকুল রায়ের অভিযোগের জবাবে নবান্নের দুই কর্তা যদি প্রেস কনফারেন্স ডাকতে পারেন, তাহলে তৃণমূল নেতাদের অভিযোগের জবাবে সিবিআই–ও নিশ্চয় পারে। সিবিআই কর্তারা ভেবে দেখতে পারেন। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
শীতের অলস রোদ গায়ে মেখে নীল নির্জনে কয়েকটা দিন। খুব দূরে নয়, কাছেই মুকুটমণিপুরে। ব্যস্ততা ভুলে নিখাদ হারিয়ে যাওয়া। আড্ডা, খুনসুটি মাখানো সেই সফর। উঠে এল সন্দীপ লায়েকের কিবোর্ডে।
আজ দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন মুকুল রায়। অথচ, এইসব দুর্নীতিতেও তিনিই নেতৃত্ব দিয়েছেন। কত সহজে সে সব দায় ঝেড়ে ফেলা যায়! লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।
বেঙ্গল টাইমসে জমজমাট অণু গল্পের আসর। গল্পও আছে, আবার বেড়ানোর আমেজও আছে। একদিকে শিলং–চেরাপুঞ্জি। অন্যদিকে ঝিঙ্গার বাটিচচ্চড়ি। ভাষা বিভ্রাটে অন্য আরও মজাদার। লিখেছেন শর্মিলা চন্দ।
চারিদিকে ভাষার খিচুড়ি। ইংরাজি বলতে গিয়ে আটকে গিয়ে বাংলায় ফিরে আসা। আবার সেটাও তিন লাইন বলে থমকে যাওয়া। ফের ইংরাজিতে। কেন এমনটা হচ্ছে? আসলে, কোনও ভাষাটাই ভাল করে শিখছি না। লিখেছেন অরিজিৎ চৌধুরি।।
পাশে থাকা ঠিক কাকে বলে? হাতে হাত ধরে হাঁটা নাকি ফেসবুকে চ্যাট করে যাওয়া! আসলে মানেটা অবশেষে বোঝা গেল। লিখেছেন কুণাল দাশগুপ্ত।।
অর্জুনের আরেক নাম কী, সুন্দর বললেই তার আগে কোন শব্দটা আসে, যাঁরা বোঝার, তাঁরা বোঝেন। আড্ডার ছলে কী চমৎকার লেখাটা এগিয়ে গেছে। তীব্র আক্রমণ নেই, কিন্তু যেখানে যেটুকু শ্লেষের প্রয়োজন, ঠিক ঠিক পরিমাণেই আছে। মিডিয়া সমাচারে বিশেষ প্রতিবেদন।।
নোটবাতিলের একবছর। অর্তনীতি, রাজনীতি এসবকে দূরে সরিয়ে রেখে একটু নিজের মতো করে ফিরে দেখা।
কমল হাসান যে মন্তব্যটি করেছেন তা সর্বৈব সত্য, কিন্তু তিনি একটি বিশেষ ধর্মের দৃষ্টিকোণ থেকে পরধর্মকে বিচার করেছেন। তাঁর অভিযোগ যেমন সত্যি, বিপরীতটাও সত্যি। দুই ধর্মের উগ্রতাই আগ্রাসনের ইন্ধন যোগাচ্ছে, সন্ত্রাসবাদের বীজ বপন করছে, দেশের অখণ্ডতা, সংহতির মূলে কুঠারাঘাত করছে। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।