এই ওয়াকআউট সত্যিই বিরক্তিকর হয়ে উঠছে

বিধানসভা হল্লা করার জায়গা নয়। রোজ রোজ ওয়াক আউট করাটাও ক্রমশ একঘেয়ে ও বিরক্তিকর হয়ে উঠছে। বাম পরিষদীয় দল কবে যে এই সহজ সত্যিটা বুঝবে!‌ লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

মনে হচ্ছে, বাংলা জানাটাই যেন অপরাধ

যাঁরা কয়েকমাসের জন্য এসেছেন, তাঁদের কথা বলছি না। কিন্তু যাঁরা বহু বছর ধরে এখানে আছেন, যাঁদের এখানেই জন্ম ও বেড়ে ওঠা, তাঁরাও বাংলায় কথা বলেন না। বরং আমরা আদিখ্যেতা করে তাঁদের সঙ্গে হিন্দিতে কথা বলি। অনেক হয়েছে। এবার এটা বন্ধ হওয়া দরকার। লিখেছেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।।

ওই লোগো যদি রাষ্ট্রসঙ্ঘ নিয়ে নিত!‌

বিশ্ববাংলার ওই লোগো যদি রাষ্ট্রসঙ্ঘ নিয়ে নিত?‌ যদি ডোনাল্ড ট্রাম্প নিয়ে আমেরিকার সব অফিসে টাঙিয়ে দিত!‌ তা হচ্ছে না। কারণ, মুখ্যমন্ত্রী এটা বাংলার সরকারকে দিয়েছেন। আমরা সত্যিই ধন্য।। লিখেছেন রঞ্জন মিত্র।।

সিআইডি পারে, সিবিআই পারে না

সিআইডি–‌র অনেক অপকর্ম আছে। অনেক সাফল্যও আছে। তারা ভিনরাজ্য থেকে আসামী ধরেও আনতে পারে। কিন্তু সিবিআই!‌ বারো মাসই তাদের শীতঘুম। পাঁচুর মা যেটা জানে, সাড়ে তিন বছরেও সিবিআই সেটা জানতে পারল না। লিখেছেন রাজেশ ভট্টাচার্য।

হাতিকে হাতির মতো থাকতে দাও

হাতির সঙ্গে মোটেও পাঙ্গা নেবেন না। হাতিকে হাতির মতো থাকতে দিন। সে ক্ষেপে গেলে আর রক্ষে নেই। সে উসান বোল্টের থেকেও জোরে দৌড়তে পারে। চিতাবাঘ পালাতে পারল না, আর আপনি–‌আমি তো কোন ছার!‌ লিখেছেন রজত বসু।।

অন্যের ঘাড়ে দায় চাপিয়ে শিল্প আসবে?

রাজ্যে শিল্প আসছে না, এর জন্য প্রধানমন্ত্রী দায়ী? আজব আজব সব ব্যাখ্যা। যতদিন লোকের ঘাড়ে দায় চাপানোর এই প্রবণতা বন্ধ না হবে, ততদিন প্রকৃত উন্নয়ন হবে না, শিল্পও আসবে না। লিখেছেন সব্যসাচী কুণ্ডু।।

সংসারে সন্ন্যাসী লোকটা

আপনভোলা এক কবি। সংসারে থেকেও যিনি সন্ন্যাসী। ‘অবনী বাড়ি আছো’, বা ‘যেতে পারি কিন্তু কেন যাব’ আজ যেন প্রবাদের চেহারায়। মুখে মুখে ফেরে, মনে মনেও ফেরে। কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়কে বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য। তাঁর জন্মদিনে, তাঁকে নিয়ে বিশেষ লেখা। লিখলেন শোভন চন্দ।।

যাক, হাইজ্যাক অন্তত হল না

বিদায়বেলায় প্রিয়রঞ্জন হাইজ্যাক হয়ে যেতেই পারতেন। শিলিগুড়ির বৈঠক সেরে হয়ত একটা কপ্টার উড়ে আসত রায়গঞ্জে। সবকিছুই হত বিশেষ কারও ‘‌অনুপ্রেরণা’‌য়। রাজ্যে মেরুদণ্ডের বড় অভাব। অন্তত দীপার তা আছে। সেটা আবার বোঝা গেল। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।

এত অতিরঞ্জন!‌ শুধু প্রিয়বাবুই দেখে যেতে পারলেন না

প্রিয়রঞ্জনের স্মৃতিচারণ নয়। আসলে নিজের স্মৃতিচারণ, প্রিয়রঞ্জন সেখানে নিতান্তই গৌণ চরিত্র। কেউ কেউ মনের সুখে অতিরঞ্জন করে গেলেন। ইসস, প্রিয়বাবুই দেখে যেতে পারলেন না!‌ লিখেছেন সরল বিশ্বাস।

অণু গল্প:‌ সেই চিঠি

দাম্পত্যের সন্ত্রাস। এ আর নতুন কী?‌ কিন্তু যা যদি পূর্বাভাস দিয়ে আসে?‌ না খোলা একটি নীল খাম। কী ছিল সেই মেনিফেস্টোতে?‌ তাই নিয়েই জমজমাট অণু গল্প। লিখেছেন বাসু মুখোপাধ্যায়।