প্রথম ছবি। ততটা ভাল না হতেই পারে। তাই বলে এমন আষাঢ়ে গপ্প কেন ফাঁদতে হবে? তিনি কি দর্শককে এতই বোকা ভাবেন? বিদেশের গল্প শুনিয়ে যাবেন, আর দর্শক হলের সামনে ভিড় জমাবে? আসলে, সিনেমা দেখার অভ্যেসটাও শঙ্কুবাবুদের নেই। তাহলে বুঝতে পারতেন, এই ছবি নিয়ে আর যাই হোক, বড়াই করা চলে না। লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।।
মুকুল রায় বৈঠক করলেন অরুণ জেটলির সঙ্গে। বিজেপি কর্মীরা দারুণ উৎসাহিত, এই মুকুল এলেন বলে! কোনও চান্স নেই। মমতার সম্মতি ছাড়া মুকুল রায় বৈঠক করেছেন, এটা বিশ্বাস করেন? সেই বৈঠকের নির্যাস জানলে হয়ত হতাশই হতে হবে। লিখেছেন রজন সেনগুপ্ত।।
এমন ছবি নন্দনে? কারা চালাচ্ছেন নন্দন? এমন ছবি সেন্সর ছাড়পত্র পেয়ে গেল? কারা বসে আছেন সেন্সরের মাথায়? একা শঙ্কু নয়, আরও অনেককে নিয়েই প্রশ্ন তুলতে হয়। শঙ্কু নিজেকে চেনালেন, এঁদেরও চিনিয়ে দিয়ে গেলেন। বাংলা ছবিতে অন্তত এটুকু অবদান শঙ্কুদেব পন্ডার থেকেই গেল। লিখেছেন অভিরূপ কুমার।।