মোহনবাগান যদি এমন শর্ত দিত!‌

নন্দ ঘোষ অনেকদিন খেলা নিয়ে কলম ধরেননি। তিনি বললেন, মোহনবাগান কর্তারা একটা চিঠি লিখতেও পারে না!‌ নীতা আম্বানিকে পাল্টা শর্ত দিতে পারে না?‌ এক, দুই, তিন করে দশ দফা শর্ত। মোহন কর্তাদের হয়ে তিনিই লিখে ফেললেন। মোহন কর্তারা পড়ে দেখতে পারেন। এই চিঠিটাই পাঠিয়ে দিতে পারেন।

বাঙালি রামকে চিনত, এই হিংস্রতাকে চিনত না

বাংলার সংস্কৃতিতে কৃত্তিবাসের বাঙালি রাম আছে, উপেন্দ্রকিশোরের “ছেলেদের রামায়ণ” আছে, লীলা মজুমদারের বা সুকুমার রায়ের দুর্দান্ত নাটিকা আছে – উত্তরভারতীয় হিংস্রতা নেই। লিখেছেন কৃতিষ্ণু সান্যাল।।

এই বাংলায়, অন্য অযোধ্যায়

অযোধ্যা, তবে যোগীর রাজ্যে নয়। আমাদের এই বাংলায়। একদিকে সবুজের সমারোহ, অন্যদিকে পলাশের লাল রঙ। একদিকে রুক্ষতা, অন্যদিকে সুন্দরী ঝর্না। সবমিলিয়ে অযোধ্যা সত্যিই অনন্য। সেখান থেকে ঘুরে এসে লিখলেন সংহিতা বারুই।।

বন্ধুত্ব!‌ শুরুই হয়েছিল ঝগড়া দিয়ে

তিনি ছিলেন কিংবদন্তি সাংবাদিক। একইসঙ্গে সুচিত্রা সেনের বন্ধু। তিন বছর আগে সুচিত্রা বিদায় নিয়েছেন। তিনিও বিদায় নিলেন গত বছর। কীভাবে আলাপ? তিন বছর আগে সেই স্মৃতিই মেলে ধরেছিলেন বর্ষীয়াণ সাংবাদিক অমিতাভ চৌধুরি।

গাড়ি থেকে নেমে এলেন সুচিত্রা সেন

একা সুচিত্রা, একা তিনি। একঘরে ঠিক একঘণ্টা পাঁচ মিনিট। সেই অভিজ্ঞতার স্মৃতি রোমন্থন করলেন তুষার প্রধান। জন্মদিনে মহানায়িকাকে বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য।।

তবে কেমন হত তুমি বলো তো!

ধরা যাক, আবার ফিরে এলেন সুচিত্রা সেন। কী কী হতে পারে?‌ টিভি–‌র সান্ধ্য আসর থেকে মাওবাদী, ভবানী পাঠক থেকে হাসপাতালের রোগী। বিচিত্র সব প্রতিক্রিয়া তুলে আনলেন ময়ূখ নস্কর।।

পোস্টারে আগে থাকত সুচিত্রার নাম

আমরা মুখে বলি উত্তম–‌সুচিত্রা। পোস্টারে কিন্তু আগে থাকত সুচিত্রার নাম। এমন শর্তই দিতেন সুচিত্রা। আর সেটাই মেনে নিতে হত মহানায়ককে। সেই জুটির এমন ঠাণ্ডা লড়াইয়ের কথা তুলে আনলেন সংহিতা বারুই।।