গুলজারের হাত ধরেই ফিরে আসতে চেয়েছিলেন
দারুণ বন্ধুত্ব ছিল গুলজারের সঙ্গে। সেই আঁধি ছবির পর আবার ছবি করতে চেয়েছিলেন গুলজারের সঙ্গেই। কিন্তু আর হয়ে ওঠেনি। সেই বন্ধুত্বের কথা উঠে এল বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদনে।
দারুণ বন্ধুত্ব ছিল গুলজারের সঙ্গে। সেই আঁধি ছবির পর আবার ছবি করতে চেয়েছিলেন গুলজারের সঙ্গেই। কিন্তু আর হয়ে ওঠেনি। সেই বন্ধুত্বের কথা উঠে এল বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদনে।
কখনও ক্ষমতার চোখরাঙানিকে পরোয়া করেননি। তাই রাষ্ট্রও মুখ ফিরিয়েই থেকেছে। জনতার হৃদয়ে, তবু রাষ্ট্রের কাছে তিনি যেন ব্রাত্যজন। তবে রুদ্ধসঙ্গীত নয়। গলা ছেড়েই গান গেয়েছেন। জোটেনি পদ্মশ্রীও। তাতে কী? মহাকালের বিচারে কে জয়ী ? লিখেছেন কুণাল দাশগুপ্ত।।
বাম নেতৃত্বকে ধন্যবাদ। দেরিতে হলেও তাঁরা ভুলটা বুঝতে পেরেছেন। আশা করব, আগামীদিনে এটা মেনে চলা হবে। সস্তা জনপ্রিয়তা ও হাততালির লোভে আমরা যেন নিজেদের দায়িত্ব ভুলে না যাই। ওপেন ফোরামে বেঙ্গালুরু থেকে পাঠিয়েছেন শুভ্রাংশু মহাপাত্র।।
ফেসবুক কত ক্ষতি করছে, বাংলাদেশ বুঝেছে। আমরা এখনও বুঝিনি। কখনও কখনও ছোটদের কাছেও শিখতে হয়। রাত বারোটা নয়, রাত দশটা থেকেই বন্ধ হোক এই উৎপাত। নইলে চোখের সামনে একটা প্রজন্ম শেষ হয়ে যাবে। ওপেন ফোরামে লিখেছেন নিবেদিতা মান্না।।
গৌতম দেব ভুল বুঝতে পারলেন। কিন্তু সারাদিন যাঁরা তাঁর হয়ে গলা ফাটিয়ে গেলেন, তাঁরা কি বুঝলেন? সোশাল মিডিয়ায় কাদের হাতে বাম পতাকা? তাঁরা আদৌ বোঝেন কোনটা গর্বের আর কোনটা লজ্জার? লিখেছেন ধীমান সাহা।।
বড় ম্যাচের আগে তিক্ততার আবহ। মোহনবাগান মাঠে টিকিট আনতে গিয়ে আক্রান্ত হতে হল লাল হলুদ সমর্থকদের। জাতীয় ক্লাবে এমন আচরণ কেন হবে? লিখলেন নির্মল দত্ত।
ভারী আমার ম্যাটিনি আইডল। এখন হলে দুপুরে কেউ ওই প্যানপ্যানানি ছবি দেখতে যেত না। দেবের ঠাকুরদার রোলও জুটল না। কী দুর্দশা যে হত! অনুমান করলেন নন্দ ঘোষ।
নোবেল পুরস্কার নিলেন। কোথাও কোনও ছবি উঠল না। তাঁর ড্রয়িংরুমেও কোনও ছবি থাকবে না। কী উদাসীন, কী নিষ্পৃহ ভিনদেশি এই চারণকবি! বব ডিলানকে নিয়ে লিখলেন বৃষ্টি চৌধুরি।।