আদালতকে এমন ভূমিকাতেই দেখতে চাই

রাজ্যপালের পদ নিয়ে নানা বিতর্ক। অনেকে মনে করেন, এই পদের দরকার নেই। কিন্তু বিদ্যাসাগর রাও বুঝিয়ে দিলেন, এখনও রাজ্যপাল চাইলে একটা রাজ্যকে বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচাতে পারেন। তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল এই পদের গুরুত্বকে অনেকটাই বাড়িয়ে দিলেন। লিখেছেন প্রসূন মিত্র।।

টুনির মায়ের পাঁচালি

টুনির মাকে সবাই চেনেন। তাঁরও অনেক না বলা কথা থেকে যায়। তিনিও চান বেঙ্গল টাইমসে নিয়মিত কলাম লিখতে। এবার থেকে বিভিন্ন বিষয়ের উপর কলাম লিখবেন টুনির মা। কলামের নাম ‘‌টুনির মায়ের পাঁচালি’‌। তিনি দেখে ফেললেন শাশ্বতর নতুন ছবি ব্ল্যাক কফি। তাই নিয়েই এবারের পাঁচালি।

কৃশানুকে দেখিয়ে বলতাম, ভারতের মারাদোনা

প্রত্যেকের জীবনেই কেউ কেউ থাকেন, যাঁরা স্বপ্নের পুরুষ। তেমনই স্বপ্নের পুরুষ ছিলেন কৃশানু দে। আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি তাঁর জন্মদিন। স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে দুটি উজ্জ্বল স্মৃতির কথা মেলে ধরলেন দিব্যেন্দু দে।।

আপনাকে বুঝব, এমন শিক্ষা কি সত্যিই আমাদের আছে?‌

কত সহজেই আমরা অমর্ত্য সেনের অবদান নিয়ে প্রশ্ন তুলি। ভুলে যাই, তাঁর যোগ্যতা বুঝব, এমন শিক্ষা–‌দীক্ষাই আমাদের নেই। এই দুর্ভাগা দেশে এভাবেই অসম্মানিত হতে হয় এমন বিশ্ববরেণ্যদের। অমর্ত্য সেনকে খোলা চিঠি। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।

কে বেশি বিকৃত?‌ উদয়ন নাকি মিডিয়া?‌

দেবযানীর কঙ্কাল কাণ্ড নিয়ে একমাস কেচ্ছা চলেছিল। পাওয়া গেছে আরেক কান্ড। আকাঙ্ক্ষা–‌উদয়নের উপাখ্যান। সারাদিন বিকৃতির প্রদর্শনী। কে বেশি বিকৃতমনষ্ক?‌ বান্ধবীকে খুন করা ওই উদয়ন?‌ নাকি সারাদিন কীর্তন করে চলা মিডিয়া?‌ পড়ুন বিশেষ প্রতিবেদন।

ঘুরে আসুন কক্সবাজার

শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কবিতাঃ কক্সবাজারে সন্ধ্যা। অনেকেই পড়েছেন। অনেকে পড়েননি। কিন্তু চাইলে আপনিও ঘুরে আসতে পারেন কক্সবাজার থেকে। পাশের দেশে, ১২০ কিমি সমুদ্র সৈকত। এই পুজোতেই ঘুরে আসুন। লিখেছেন পবিত্র মোহন্ত।

একবার নন্দনে যান, আপনার জন্য অনেক চমক অপেক্ষা করছে

হয়ত অনেকদিন রবীন্দ্রসদন বা নন্দনে যাননি। একবার গিয়ে ঘুরে আসুন। তাহলেই বুঝতে পারবেন, এগুলি কে বানিয়েছেন। দেখতে পাবেন বড় বড় ফলকে কার নাম, কে উদ্বোধন করেছেন। আপনার জন্য অনেক চমক অপেক্ষা করছে। লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।।

এক মঞ্চে দুই কিংবদন্তি, তবু কলকাতা এত উদাসীন?‌

সংস্কৃতি নিয়ে কলকাতার কতই না গর্ব। কিন্তু সেখানে নাটকে হল ভর্তি হয় না কেন?‌ একসঙ্গে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, দেবশঙ্কর হালদার। তার পরেও কলকাতা এত উদাসীন কেন?‌ প্রশ্ন তুললেন তনুশঙ্কর মিশ্র।

পাণ্ডব গোয়েন্দার অজানা কাহিনী

অনেকেরই শৈশব কেটেছে পাণ্ডব গোয়েন্দা পড়ে। এখন তাঁদের ছেলেরা, নাতিরাও পড়ে পাণ্ডব গোয়েন্দা। কীভাবে লেখা হল এই গোয়েন্দা কাহিনী ? লেখক ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় ও পঞ্চুর অনেক অজানা কাহিনী। লিখেছেন সংহিতা বারুই।।

পাহাড় মানেই সেই মানুষটা

দার্জিলিং মানেই এক মুগ্ধতা। কিন্তু দার্জিলিং মানে এক অপরাধবোধ, যা আজও তাড়া করে বেড়ায়। স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে অকপটে সেকথাই জানালেন রাজেন মল্লিক। পড়ুন। আপনার জীবনে এমন কিছু ঘটে থাকলে, লিখে জানান।