সত্যিই জুয়েল, সত্যিই রাজা
জানতেন, হারলেই সব আক্রমণ ধেয়ে আসবে তাঁর দিকে। তাঁকেই খলনায়ক বানানোর জন্য সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়বেন। তার পরেও শেষ শট নিতে এলেন জুয়েল রাজা। সত্যিই বুকের পাটা আছে। তিনি জুয়েল, তিনিই রাজা। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।
জানতেন, হারলেই সব আক্রমণ ধেয়ে আসবে তাঁর দিকে। তাঁকেই খলনায়ক বানানোর জন্য সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়বেন। তার পরেও শেষ শট নিতে এলেন জুয়েল রাজা। সত্যিই বুকের পাটা আছে। তিনি জুয়েল, তিনিই রাজা। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।
রবি ঠাকুর কোন দলের সমর্থক ছিলেন ? তাঁর কোন লেখায়, কোন ক্লাবের কথা কীভাবে উঠে এসেছে ? গোষ্ঠ পালকে দেখে কী বলেছিলেন রবীন্দ্রনাথ? এমন নানা অজানা বিষয় উঠে এল ময়ূখ নস্করের লেখায়।
খুচরোর আকাল। ব্যাঙ্ক, এটিএমে লম্বা লাইন। কীভাবে সামাল দিচ্ছেন মধ্যবিত্ত। একটি গল্পে উঠে এল সেই ছবিটা। এই সময়ের পটভূমিতে লিখেছেন সব্যসাচী কুণ্ডু।
বড়দিনের আগে শহরের নতুন অতিথি ফেলুদা। সিঙ্গল নয়, একেবারে ডাবল ফেলুদা। সব্যসাচী কতটা মানানসই? এটাই কি তাঁর শেষ ফেলুদা? এই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।
রাহুল গান্ধী মুখ খুললেই নাকি সংসদে ভূমিকম্প হবে। গত দশ বছরে পার্লামেন্টে যে সব ভাষণ দিয়েছেন, পাড়ার পল্টুদা বা জগাইদা চায়ের দোকানে তার থেকে ঢের ভাল ভাষণ দেয়। সরকারও তেমনি। এত কীসের ভয়, কী জানি! রাহুলকে প্রতিপক্ষ ভেবে ভেবে তাঁদের বুদ্ধিটাও ভোঁতা হয়ে গেছে। লিখলেন নন্দ ঘোষ।।
চার বছর আগে, বিরতির পর দল তুলে নিয়েছিল মোহনবাগান। সেই বিতর্ক এখনো আছে, থেকেও যাবে। সেদিন কি পালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন মোহন–কর্তারা ? চার বছর পর সেই ম্যাচের স্মৃতি ফিরে এল সত্রাজিত চ্যাটার্জির লেখায়।
আগে এই নাটক অহরহ দেখা যেত বাংলায়। এখনও দেখা যায়। বিরোধী থেকে শাসক হয়েও পুরানো অভ্যেস যায়নি। এখন সেই রোগে আক্রান্ত দেশের প্রধানমন্ত্রীও। তাঁকেও নাকি খুন করা হতে পারে। সংসদে তাঁকে নাকি বলতেই দেওয়া হচ্ছে না। রাজ্যের সস্তা নাটক দিল্লিতেও মঞ্চস্থ হচ্ছে। লিখেছেন সত্রাজিত চ্যাটার্জি।।
আমরা হলাম সেই মধ্যবিত্ত, যারা দিনরাত মন্ত্রীদের গালমন্দ করি। এদিকে, নিজের ছোট্ট সংসার চালাতে হিমশিম খেয়ে উঠি। এদিক সামলাতে গিয়ে ওদিকটা বেসামাল হয়ে যায়। ছেলের আবদার মেটাতে গিয়ে বউয়ের চাওয়াটার মূল্য দিতে পারি না। সারাক্ষণ দ্বিধাদ্বন্দ্বের রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে কত জানা–অজানা ঠোক্কর খেয়ে বসি। একটা ছোট্ট ভুলের খেসারত হিসেবে আরও কত ভুলকে ডেকে আনি। যাঁদের ‘দিন আনি দিন খাই’ অবস্থা, তাঁদের কথা বাদ দিন। যাঁরা মাস মাইনের চাকুরে, বাইরে থেকে দেখে যাঁদের আপাতভাবে সচ্ছল বলেই মনে হয়, তাঁদের সংসারে কখনও উকি দিযেছেন ? তাঁর আয় হয়ত মাসে তিরিশ হাজার টাকা। আমরা ভেবে নিই, মাস গেলে তিরিশ হাজার ঢুকছে, মাত্র তিনটি লোক, কী এমন খরচা! নিশ্চয় অনেক টাকা জমেছে। কিন্তু তাঁর যে নাভিঃশ্বাস উঠছে, সে খবর কজন রাখি! রাজ্য সরকারী কর্মী, কেন্দ্রের কর্মী, নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি, যৌথ পরিবার, স্বামী–স্ত্রী দুজনের চাকরি, নিঃসন্তান, ছেলে–মেয়ে কলেজ পড়ুয়া। এমন নানা দম্পতির সঙ্গে কথা বলা হল। সংসারের খরচের ছবিটা একটু বোঝার চেষ্টা। আসুন, টুকরো টুকরো খরচের হিসেবগুলোয় একটু চোখ মেলানো যাক। সব জায়গায় খরচগুলো একরকম নয়। শহরের সঙ্গে আধা শহরের ফারাক আছে। ছোট পরিবারের সঙ্গে বড় পরিবারের ফারাক আছে। রুচি ও অভ্যেসগত কারণেও ফারাক অনেকটা বেড়ে যায়। কোনও খরচটা একেবারেই অনিবার্য। আবার কোথাও কোথাও হয়ত একটু লাগাম টানা যায়। বিষয় ধরে ধরে একটু আলোচনা করা যাক।
সোনিয়া মানে পরিবারতন্ত্র, দেখে দেখে ভাষণ দেওয়া। এমনটা তো অহরহ বলে থাকি। কিন্তু তার আড়ালে অন্য এক সোনিয়া গান্ধী, যিনি দু–দুবার হেলায় ফিরিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীত্ব। আমার দেশের কজন পেরেছেন ? এর পরেও তাঁকে বিদেশি বলে দূরে সরিয়ে রাখব ? সোনিয়ার সত্তরতম জন্মদিনে তাঁকে নিয়ে বিশেষ লেখা। লিখেছেন বৃষ্টি চৌধুরি।।