ব্যোমকেশ যেন কমপ্লিট প্যাকেজ, বাড়তি পাওনা ডুয়ার্স

শহরজুড়ে ব্যোমকেশ। শীতের নরম রোদে ডুয়ার্সের লোকেশান। বুদ্ধি, সাসপেন্স, বেড়ানো, বিনোদন–‌সবমিলিয়ে কমপ্লিট এক প্যাকেজ। ব্যোমকেশ পর্ব দেখে সেই অনুভূতির মেলে ধরলেন অন্তরা চৌধুরী।

ভরসা থাকুক বেলাশেষের আজানে আর শাঁখের সুরে

বাড়ি লুঠ হচ্ছে, আগুন জ্বলছে, হাজার তিনেক বোমা পড়ছে। এমন অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি এই বাংলায়। সবাই কেমন নির্বিকার। কেউ ধিক্কারটুকুও দিচ্ছেন না। শাসক, বিরোধী সবাই নির্বিকার। লিখেছেন নজরুল ইসলাম।

পায়ে বল লাগল, উনি হিরো হয়ে গেলেন!‌

টাইব্রেকারে দেবজিতের ভূমিকাটা ঠিক কী রকম ?‌ তিনটি গোল খেলেন, তিনটিই ভুল অনুমান। একটি বল উড়ে গেল উপর দিয়ে। একটি শটে ঝাপালেন ডানদিকে, বল এসে লাগল পায়ে। দেবজিতের কৃতিত্বটা কোথায় ?‌ অথচ, তাঁকে নায়ক বানানোর কী চেষ্টা। বাংলার বিশেষজ্ঞদের একহাত নিলেন নন্দ ঘোষ।

এতকিছু হল, অ্যাকাডেমি কই?

আবার ট্রফি এল। উৎসব হবে, হুল্লোড় হবে, পার্টি হবে। কিন্তু অ্যাটলেটিকো কর্তারা বলেছিলেন, অ্যাকাডেমি করবেন। সেই প্রতিশ্রুতি চাপাই থেকে যাবে। উৎসবের আবহে অপ্রিয় প্রশ্ন তুললেন সোহম সেন।

সত্যিই জুয়েল, সত্যিই রাজা

জানতেন, হারলেই সব আক্রমণ ধেয়ে আসবে তাঁর দিকে। তাঁকেই খলনায়ক বানানোর জন্য সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়বেন। তার পরেও শেষ শট নিতে এলেন জুয়েল রাজা। সত্যিই বুকের পাটা আছে। তিনি জুয়েল, তিনিই রাজা। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।