রাহুল গান্ধী মুখ খুললেই নাকি সংসদে ভূমিকম্প হবে। গত দশ বছরে পার্লামেন্টে যে সব ভাষণ দিয়েছেন, পাড়ার পল্টুদা বা জগাইদা চায়ের দোকানে তার থেকে ঢের ভাল ভাষণ দেয়। সরকারও তেমনি। এত কীসের ভয়, কী জানি! রাহুলকে প্রতিপক্ষ ভেবে ভেবে তাঁদের বুদ্ধিটাও ভোঁতা হয়ে গেছে। লিখলেন নন্দ ঘোষ।।
চার বছর আগে, বিরতির পর দল তুলে নিয়েছিল মোহনবাগান। সেই বিতর্ক এখনো আছে, থেকেও যাবে। সেদিন কি পালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন মোহন–কর্তারা ? চার বছর পর সেই ম্যাচের স্মৃতি ফিরে এল সত্রাজিত চ্যাটার্জির লেখায়।
আগে এই নাটক অহরহ দেখা যেত বাংলায়। এখনও দেখা যায়। বিরোধী থেকে শাসক হয়েও পুরানো অভ্যেস যায়নি। এখন সেই রোগে আক্রান্ত দেশের প্রধানমন্ত্রীও। তাঁকেও নাকি খুন করা হতে পারে। সংসদে তাঁকে নাকি বলতেই দেওয়া হচ্ছে না। রাজ্যের সস্তা নাটক দিল্লিতেও মঞ্চস্থ হচ্ছে। লিখেছেন সত্রাজিত চ্যাটার্জি।।