বছরের সালতামামি, আপনিও অংশ নিন ‌

পেরিয়ে যাচ্ছে আরও একটা বছর। সবমিলিয়ে বছরটা কেমন গেল?‌ রাজনীতি থেকে সাহিত্য, খেলা থেকে সিনেমা–‌ এমন নানা বিষয়কে ছুঁয়ে দেখা। আপনিও এই আলোচনায় সামিল হতে পারেন। বেঙ্গল টাইমসে আপনার মননশীল...

যত বুদ্ধিজীবা মেলা, সব কি কলকাতার জন্য!‌

‌শীত মানেই একের পর এক মেলা। হস্ত শিল্প থেকে সবলা, সরস থেকে সুখাদ্য। মেলা মানেই কি শুধু কলকাতা ?‌ শুধু কলকাতা নিয়েই কি বাংলা ?‌ জেলার দিকে একটু তাকানো যায় না?‌ অনেক মেলা ঘুরে প্রশ্ন তুললেন অন্তরা চৌধুরী।

এই শীতে ফেলুদা দেখবেন না?‌

কেমন হল ডবল ফেলুদা?‌ ফেলুদার ভূমিকায় সব্যসাচী কতটা মাননসই?‌ নতুন কোনও চমক ?‌ এমন নানা প্রশ্নের উত্তর মিলল সুমিত চক্রবর্তীর লেখায়। লেখাটি পড়ুন। পারলে ফেলুদাও দেখে আসুন।

আপনার বেড়ানোর কথা লিখে ফেলুন

শীত মানেই মন উড়ু উড়ু। কোথাও না কোথাও বেরিয়ে পড়তে ইচ্ছে করে। লম্বা ছুটি পেলে তো কথাই নেই। অনেকে হয়ত একদিন বা দুদিনের ছোট্ট ছুটিতেও ঘুরে এলেন। বা কেউ হয়ত...

অমল ও চাওআলা

বাড়িতে একাকী অমল। হঠাৎ আগমন এক চাওয়ালার। এই শীতে দইওয়ালার থেকে চাওয়ালাই ভাল। দুজনের গপ্পো শুরু হয়ে গেল। লেখা হয়ে গেল নতুন এক ডাকঘর। রবি ঠাকুর ক্ষমা করবেন।

ব্যোমকেশ যেন কমপ্লিট প্যাকেজ, বাড়তি পাওনা ডুয়ার্স

শহরজুড়ে ব্যোমকেশ। শীতের নরম রোদে ডুয়ার্সের লোকেশান। বুদ্ধি, সাসপেন্স, বেড়ানো, বিনোদন–‌সবমিলিয়ে কমপ্লিট এক প্যাকেজ। ব্যোমকেশ পর্ব দেখে সেই অনুভূতির মেলে ধরলেন অন্তরা চৌধুরী।

ভরসা থাকুক বেলাশেষের আজানে আর শাঁখের সুরে

বাড়ি লুঠ হচ্ছে, আগুন জ্বলছে, হাজার তিনেক বোমা পড়ছে। এমন অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি এই বাংলায়। সবাই কেমন নির্বিকার। কেউ ধিক্কারটুকুও দিচ্ছেন না। শাসক, বিরোধী সবাই নির্বিকার। লিখেছেন নজরুল ইসলাম।

পায়ে বল লাগল, উনি হিরো হয়ে গেলেন!‌

টাইব্রেকারে দেবজিতের ভূমিকাটা ঠিক কী রকম ?‌ তিনটি গোল খেলেন, তিনটিই ভুল অনুমান। একটি বল উড়ে গেল উপর দিয়ে। একটি শটে ঝাপালেন ডানদিকে, বল এসে লাগল পায়ে। দেবজিতের কৃতিত্বটা কোথায় ?‌ অথচ, তাঁকে নায়ক বানানোর কী চেষ্টা। বাংলার বিশেষজ্ঞদের একহাত নিলেন নন্দ ঘোষ।

এতকিছু হল, অ্যাকাডেমি কই?

আবার ট্রফি এল। উৎসব হবে, হুল্লোড় হবে, পার্টি হবে। কিন্তু অ্যাটলেটিকো কর্তারা বলেছিলেন, অ্যাকাডেমি করবেন। সেই প্রতিশ্রুতি চাপাই থেকে যাবে। উৎসবের আবহে অপ্রিয় প্রশ্ন তুললেন সোহম সেন।