নতুন মহালয়াকে মেনে নেয়নি বাঙালি জনতা
একবারই মহালয়া করেছিলেন উত্তম কুমার। সঙ্গীত পরিচালক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা? কেন ক্ষমা চাইতে হল আকাশবাণীকে ? এসব অজানা কথা উঠে এল দিব্যেন্দু দে-র কলমে। সঙ্গে সেই মহালয়ার ইউ টিউব লিঙ্ক।
একবারই মহালয়া করেছিলেন উত্তম কুমার। সঙ্গীত পরিচালক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা? কেন ক্ষমা চাইতে হল আকাশবাণীকে ? এসব অজানা কথা উঠে এল দিব্যেন্দু দে-র কলমে। সঙ্গে সেই মহালয়ার ইউ টিউব লিঙ্ক।
বাংলা ভাগের নিদান দিয়েছিলেন। ভেসে গিয়েছিল সম্মিলিত প্রতিবাদে। বিদায়ী গভর্নর জেনারেল কীভাবে দেখেছিলেন মোহনবাগানের শিল্ড জয়কে ? সেই সময়ে ফিরে গিয়ে লর্ড কার্জনের মনের কথা জেনে নিলেন মযূখ নস্কর।
ধামাধরাদের ভিড়ে তিনি স্বতন্ত্র। তাঁর কণ্ঠে নতুন করে প্রাণ পেয়েছে হারিয়ে যাওয়া অনেক কবিতা। ২৫ বছর সঙ্গীত জীবনের অনুষ্ঠান রবীন্দ্র সদনে। তার আগে তাঁকে খোলা চিঠি। লিখলেন বৃষ্টি চৌধুরি।
(বাংলা ভাগের নিদান দিয়েছিলেন। ভেসে গিয়েছিল সম্মিলিত প্রতিবাদে। বিদায়ী গভর্নর জেনারেল কীভাবে দেখেছিলেন মোহনবাগানের শিল্ড জয়কে ? সেই সময়ে ফিরে গিয়ে লর্ড কার্জনের মনের কথা জেনে নিলেন মযূখ নস্কর। )
প্রাক্তন-এর পর একটা বাড়তি প্রত্যাশা ছিল। কতটা দাগ কাটতে পারল প্রসেনজিৎ-রাইমা-পাওলির ত্রিকোণ প্রেমের দ্বন্দ্ব ? কতটা সাড়া জাগালেন পরিচালক কমলেশ্বর মুখার্জি ? সত্যিই কি সময়ের থেকে এগিয়ে থাকা সিনেমা ? দেখে এসে বিশ্লেষণ করলেন সুবর্ণ ভট্টাচার্য।
উত্তম কুমারকে বড় করতে গিয়ে আমরা অহেতুক বাকিদের ছোট করে ফেলি। ভুলে যাই সেই সময়টাকে। প্রত্যেকেই যেন একেকজন দিকপাল। কাকে ছেড়ে কার কথা বলবেন ? অথচ, সেই মানুষগুলো উত্তমের আড়ালেই থেকে যান। সেই পরিমণ্ডলে কারা ছিলেন ? তুলে আনলেন সরল বিশ্বাস।
বলিউডে উত্তম কুমার হয়ত তেমন সফল নন। কিন্তু তাঁর সুপারহিট বাংলা ছবিগুলিই কয়েক বছর পর হয়েছে বলিউডে। কোন বাংলা ছবি থেকে কোন হিন্দি ছবি তৈরি হয়েছিল, তেমনই এক তালিকা তুলে ধরলেন বৃষ্টি চৌধুরি।
(শিল্ড জয়ের রাত। চারিদিকে উৎসব। উড়ছে মোহনবাগানের পতাকা।মোহনবাগানের জয় আর স্বাধীনতা যেন মিলেমিশে একাকার। সেই রাতে ডায়েরিতে কী লিখেছিলেন শিবদাস ভাদুড়ি। না লেখা সেই ডায়েরির পাতা বেঙ্গল টাইমসে উঠে এল। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।)
বেঙ্গল টাইমসে শুরু হয়েছে নতুন বিভাগ। স্মৃতিটুকু থাক। সেলিব্রিটি নয়, আপনার কথা। পাঠকদের নানা অনুভূতির কথা উঠে আসবে এই ফিচারে। কোথাও অতীতকে একটু ছুঁয়ে দেখা। কোথাও হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর কথা। ছোটবেলার ভুল, যা আজও তাড়া করে বেড়ায়। সেসব একান্ত ব্যক্তিগত অনুভূতি উজাড় করে দিন। আজ ভোলেবাবা যাওয়ার সেই স্মৃতি সেইসঙ্গে গঞ্জিকা সেবন করে নদীর পাড়ে ঘুমিয়ে যাওয়ার কাহিনি।
বৃষ্টি এলে মনে আসতেই পারে মেঘদূত, চেতনাকে নাড়া দিয়ে যায় মেঘমল্লার। সুদূর মার্কিন মুলুকে বসেও অনুভূতিটা পাল্টায় না। দুই দেশের বর্ষা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। তেমনই ছবি ফুটে উঠেছে নিউইয়র্ক থেকে পাঠানো মধুজা মুখোপাধ্যায়ের মরমী কলমে।