রিটায়ারিং রুমঃ রেল প্রচার করে না কেন?
অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনেই রিটায়ারিং রুম আছে? সুন্দর ব্যবস্থা। আমরা কজন জানি? রেলই বারিটায়ারিং রুমের প্রচারে এত নীরব কেন? আমাদের রাজ্য ও পড়শি রাজ্য- দুটি ভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা ওপেন ফোরামে তুলে ধরলেন সায়ন বিশ্বাস।
অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনেই রিটায়ারিং রুম আছে? সুন্দর ব্যবস্থা। আমরা কজন জানি? রেলই বারিটায়ারিং রুমের প্রচারে এত নীরব কেন? আমাদের রাজ্য ও পড়শি রাজ্য- দুটি ভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা ওপেন ফোরামে তুলে ধরলেন সায়ন বিশ্বাস।
অনেকে বলেন, তাঁর প্রতি অবিচার হয়েছে।তাঁর দ্রোণাচার্য পাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু দ্রোণাচার্যর সঙ্গে অমল দত্তর কোথাও মিল নেই। দ্রোণাচার্য শুধু রাজ পরিবারকে শিক্ষা দিয়েছেন। কিন্তু অমল দত্ত অনামি, অখ্যাতকেও নতুন প্রাণ দিয়েছেন। ভাগ্যিস তিনি দ্রোণাচার্য পাননি। পেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অন্যান্য দ্রোণাচার্যদের সঙ্গে তাঁকেও এক করে ফেলত। অমল দত্তর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে অসাধারণ লেখা ময়ূখ নস্করের। অবশ্যই পড়ুন।
কোনও দুর্ঘটনা ঘটল। কী করবেন, কিছু বুঝতে পারছেন না ? ফোন করুন। চলে আসবে নারায়ণা সুপার স্পেশালিটি হসপিটালের অ্যাম্বুলেন্স। চলে আসবে পুলিশের গাড়িও। ব্যাস, আপনাকে হাসপাতালেও নিয়ে যেতে হবে না। পুলিশি ঝামেলাতেও পড়তে হবে না। অভিনব এই পরিষেবা শুরু হল হাওড়ায়।
(বিস্তারিত জানতে পড়ুন)।
ইউরো ফাইনালের রাত। বিষণ্ণ কলকাতা। যিনি ইউরোপের ফুটবলের দরজা খুলে দিয়েছিলেন, এমন দিনে তিনি নেই! বেঙ্গল টাইমসের পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধার্ঘ্য চির-লড়াকু কোচকে। কয়েকদিন আগে প্রকাশিত একটি লেখা ফের ছাপা হল। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
স্বরূপ গোস্বামী ।।
কয়েকদিন আগের কথা। অমল দত্ত তখন গুরুতর অসুস্থ। সেই সময়েই মোহনবাগান রত্ন হিসেবে ঘোষণা হয় সৈয়দ নঈমুদ্দিনের নাম। নঈমের বয়ানে মোহনবাগান সচিব অঞ্জন মিত্রকে সুন্দর চিঠি লিখেছিলেন ময়ূখ নস্কর। দাবি ছিল, আমাকে নয়, এবার মোহনবাগান রত্ন দেওয়া হোক অমল দত্তকে। সেই লেখা আবার প্রকাশ করা হল। যাঁরা তখন পড়েননি, তাঁরা এখন অবশ্যই পড়ুন।
ফুল ফুটুক না ফুটুক, আজ বসন্ত। অমরত্ব পাওয়া এই লাইনগুলি লিখেছিলেন পদাতিক কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়। আজ তাঁর মৃত্যুদিন। দেখতে দেখতে তেরো বছর হয়ে গেল। তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের মুহূর্ত তুলে ধরলেন ময়ূখ নস্কর। পড়ুন, ভাল লাগবে।
নিজের হাতে রান্না করে খাওয়াতেন জ্যোতি বসুকে। জ্যোতিবাবুর জন্মদিন মানেই তাঁর অন্যরকম ব্যস্ততা। প্রতিবার ইন্দিরা ভবনে এই দিনটা পালন করতেন। স্মৃতির সরণি বেয়ে হাঁটলেন রমলা চক্রবর্তী। উঠে এল জ্যোতিবাবু সম্পর্কে অনেক অজানা কথা।
গত বছর জ্যোতি বসুর জন্মদিনে ইজেডসিসি-তে একটি অনুষ্ঠান। সেখানে জ্যোতি বাবুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি ভাষণ দিয়েছিলেন বর্ষীয়াণ সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ। একেবারে ভিন্নধর্মী একটি ভাষণ। গত বছর বেঙ্গল টাইমসে ছাপা হয়েছিল। তার কিছু নির্যাস এবারও তুলে ধরা হল ।