মহানায়িকা! না থেকেও আছেন সুচিত্রা
প্রয়োজনে দল ছাড়তে পারেন অধীর
বইমেলার মঞ্চে সরকারি সাফল্যের বিজ্ঞাপন!
আমি মদন বলছি
২৩ জানুয়ারির সারা দেশ যখন নেতাজিকে স্মরণ করছে, তখন মদনবাবুর দিন কাটছে জেলের কক্ষে। কড়া নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে সাংবাদিকরা তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না। যদি, শুধু আজকের দিনটার জন্য সাংবাদিকরা তাঁর কাছে যেতে পারতেন, কী বলতেন তিনি? কীভাবে স্মরণ করতেন নেতাজিকে? অনুমান করলেন রবি কর।
রেখেছো বাঙালি করে, মানুষ করোনি
জানুয়ারি বলতে বাঙালি বুঝল বিবেকানন্দর জন্মদিন আর নেতাজির জন্মদিন। আরও এক মহিয়সী নারীর জন্মদিন এই জানুয়ারি মাসেই। তিনি মমতা ব্যানার্জি। অথচ, বাঙালি সে কথা জানেই না! ইতিহাস বিস্মৃত, এমনকি বর্তমান বিস্মৃত এই জাতিকে ধিক্কার দিলেন রবি কর।।
রেজ্জাক সাহেব, এটাই আপনার সঠিক ঠিকানা
মাঝে কিছুটা বিরতি। আবার ফিরে এলেন নন্দ ঘোষ। এতদিন সবাই তাঁর দোষ ধরে এসেছে। এবার তিনি বেরিয়েছেন অন্যের দোষ ধরতে। একেকদিন তাঁর শিকার একেকজন। আজ তিনি কলম ধরলেন রেজ্জাক মোল্লাকে নিয়ে।
নাটোরের বনলতা নয়, আমাদের সুচিত্রা সেন !
আজ ১৭ জানুয়ারি। সুচিত্রা সেনের মৃত্যুর দু‘বছর। বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য।একটি অভিনব সাক্ষাৎকার।
স্বয়ং সুচিত্রা সেন ফোন করে ইন্টারভিউ দিতে চাইলেন! কিন্তু ছবি তুলতে বাধা দিলেন কেন? লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
বুদ্ধিজীবী ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট
অবশেষে তাঁর সন্ধান পাওয়া গেল। এতদিন কোথায় ছিলেন রবি কর ? জানা গেল, তিনি নাকি বুদ্ধিজীবী ম্যানেজমেন্ট স্কুল নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। সাংবাদিকতায় তাঁর মন নেই, তিনি নাকি ভোটের আগে চ্যানেলে চ্যানেলে বুদ্ধিজীবী সাপ্লাই করতে চান। বিশ্বাস হচ্ছে না ? তাহলে, তাঁর মুখেই শুনুন।
