মিডিয়া সমাচার
বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদন:
বিশ্বকাপের আসরে এতদিনে পৌঁছল আনন্দবাজার। কলকাতার বিভিন্ন চ্যানেল ও কাগজ থেকে প্রতিনিধিরা বিশ্বকাপ শুরুর অনেক আগেই পৌঁছে গিয়েছিলেন রাশিয়ায়। বিশ্বকাপের আগে থেকেই চালু হয়ে যায় নানা আঙ্গিকের প্রতিবেদন। গ্রুপ লিগের খেলা শেষ। প্রি কোয়ার্টার ফাইনালও শেষের মুখে। ইতিমধ্যেই জার্মানি, আর্জেন্টিনা, পর্তুগাল, স্পেনের মতো দল বিদায় নিয়েছে। ভাঙা হাটে গিয়ে পৌঁছলেন আনন্দবাজারের প্রতিনিধি রতন চক্রবর্তী।
শোনা যায়, অনেক আগেই তাঁর ছাড়পত্র চলে এসেছিল। কিন্তু পত্রিকাগোষ্ঠী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, নক আউট পর্বের আগে লোক পাঠানোর কোনও মানে হয় না। প্রতিনিধি গেলে, নক আউটের পর যাবেন। এদিকে, কোনও কোনও কাগজ বা চ্যানেলের দুজন করে প্রতিনিধি গিয়েছিলেন। একজন চলে এসেছেন। অন্যজন দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। আনন্দবাজার অবশ্য শুরুর দিকে দীপেন্দু বিশ্বাসের বাইলাইন ছাপছিল। নিজের উদ্যোগে আগেরবারও বিশ্বকাপে গিয়েছিলেন দীপেন্দু। এবারও গিয়েছিলেন। ইতিমধ্যে ফিরেও এসেছেন। সেই দীপেন্দুর বয়ানে শুরুর কয়েকদিন কভারেজ ছিল। পরের দিকে বিভিন্ন সিন্ডিকেট কলাম ছাপা হয়। টিভি থেকেই কলকাতার বিশেষজ্ঞদের দিয়ে ম্যাচ রিপোর্ট চলছিল। যে আনন্দবাজার এত সার্তুলেশনের বড়াই করে, যে আনন্দবাজার না পড়লে বাঙালিকে পিছিয়ে পড়তে হয়, সেই আনন্দবাজার হঠাৎ লোক পাঠানোর ব্যাপারে এত কার্পণ্য দেখাল কেন? মিডিয়া মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে।
এবার রতনবাবু পৌঁছলেন। দেখা যাক, ভাঙা হাটে কতটা আলো জ্বালাতে পারেন।

