বাইচুং তো সিকিমের ভোটারই নন
আমি–আপনি বাইচুংকে যতটা চিনি, পবন চামলিং তার থেকে ঢের ভাল চেনেন। তাই তিনি যা করেছেন, ঠিকই করেছেন। এমন সুবিধাবাদী লোককে রাজ্যের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর না করাই ভাল। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।।
আমি–আপনি বাইচুংকে যতটা চিনি, পবন চামলিং তার থেকে ঢের ভাল চেনেন। তাই তিনি যা করেছেন, ঠিকই করেছেন। এমন সুবিধাবাদী লোককে রাজ্যের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর না করাই ভাল। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।।
কী আজব নিয়ম! মাতাল গাড়ি চালাতে পারবে কিনা ঠিক করবে পানশালার ওই লোকটি। মাতালরা মাতাল বলে যা খুশি চাপিয়ে দেওয়া? তাদের বুঝি বুদ্ধি নেই! পরলোকে গিয়েও গর্জে উঠলেন কেষ্ট মুখার্জি। মাতালভাইদের শিখিয়ে দিলেন পাল্টা দাওয়াই।
কাছেই ওড়িশা। ওড়িশা বলতেই আমরা বুঝি পুরী। আর পুরী মানেই সমুদ্র। এর বাইরে অন্য এক ওড়িশা, যেখানে আছে পাহাড়, জঙ্গল। আছে দারিংবাড়ি, যাকে বলা হয় ওড়িশার কাশ্মীর। লিখেছেন বৃষ্টি চৌধুরি।।
শিলিগুড়ি মডেল মানে কংগ্রেস বা বিজেপি-র সঙ্গে হাত মেলানো নয়। শিলিগুড়ি মডেল মানে সারা বছর পাশে থেকে লড়াই করা। অশোক-মডেলই যদি মেনে নিতে হয়, তাহলে বিধানসভায় লড়াইয়ের মুখ হিসেবে অশোক ভট্টাচার্যকে মানতে দ্বিধা কোথায়? প্রশ্ন তুললেন উত্তরবঙ্গের লড়াকু বিধায়ক আলি ইমরান (ভিক্টর)।।
(পুরো লেখাটি পড়ুন বেঙ্গল টাইমসে)
অজানা, অচেনা পাখির কুজন, দূরে শ্বেতশুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘা, সিঁদুররাঙা আকাশ, হাতের সামনে সবুজ চা বাগানের উদ্দাম ঢেউ আপনার মনকে দু-দন্ড শান্তি দিয়ে যাবে। কোলাহল থেকে দূরে, নির্জন এক পাহাড়ি গ্রাম। মন মাতাল করে দেওয়া দৃশ্য। দেখে এলেন রূপম রায়।
একই গান। কিশোর গেয়েছেন, অন্যরাও গেয়েছেন। কিন্তু রফি, লতা বা আশা নয়, মহাকালের বিচারে শেষমেষ থেকে গেছে কিশোরের গানটাই। মানুষ ‘অশিক্ষিত’ গায়কের গানকেই বুকে ঠাঁই দিয়েছেন। এমনই অনেক গানের কথা তুলে ধরলেন কুণাল দাশগুপ্ত।