বাইচুং তো সিকিমের ভোটারই নন

আমি–‌আপনি বাইচুংকে যতটা চিনি, পবন চামলিং তার থেকে ঢের ভাল চেনেন। তাই তিনি যা করেছেন, ঠিকই করেছেন। এমন সুবিধাবাদী লোককে রাজ্যের ব্র‌্যান্ড অ্যাম্বাসাডর না করাই ভাল। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।।

জনৈক মাতালের আত্মকথা

কী আজব নিয়ম!‌ মাতাল গাড়ি চালাতে পারবে কিনা ঠিক করবে পানশালার ওই লোকটি। মাতালরা মাতাল বলে যা খুশি চাপিয়ে দেওয়া?‌ তাদের বুঝি বুদ্ধি নেই!‌ পরলোকে গিয়েও গর্জে উঠলেন কেষ্ট মুখার্জি। মাতালভাইদের শিখিয়ে দিলেন পাল্টা দাওয়াই।

প্রাক্তনঃ হারিয়ে যাওয়ার নয়, থেকে যাওয়ারই ছবি

তোর্সা চ্যাটার্জি চমক তো একটা ছিলই। ১৫ বছর পর একসঙ্গে পর্দায় ফিরছেন প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা। এতদিন তাঁদের জুটিকে ফিরিয়ে আনার কম চেষ্টা তো হয়নি। কিন্তু ফিরতে রাজি হননি। ফিরছেন যখন, একটা বাড়তি...

বড়ন্তি ডাকে

ময়ূখ নস্কর কে ডাকছে আমাকে? ঠুক-ঠুক-ঠুক। দরজায় টোকা পড়ছে খুব আস্তে আস্তে। ঠুক-ঠুক-ঠুক। নিখিলবাবু নাকি? এত রাতে? নাকি রাত শেষ হয়ে গেল? কটা বাজে এখন? নিখিলবাবুকে বলেছিলাম, সূর্য ওঠার আগেই...

অজানা বাড়ি দারিংবাড়ি

কাছেই ওড়িশা। ওড়িশা বলতেই আমরা বুঝি পুরী। আর পুরী মানেই সমুদ্র। এর বাইরে অন্য এক ওড়িশা, যেখানে আছে পাহাড়, জঙ্গল। আছে দারিংবাড়ি, যাকে বলা হয় ওড়িশার কাশ্মীর। লিখেছেন বৃষ্টি চৌধুরি।।

অশোক মডেল যদি হয়, তাহলে মুখ অশোক ভট্টাচার্য নয় কেন?

শিলিগুড়ি মডেল মানে কংগ্রেস বা বিজেপি-র সঙ্গে হাত মেলানো নয়। শিলিগুড়ি মডেল মানে সারা বছর পাশে থেকে লড়াই করা। অশোক-মডেলই যদি মেনে নিতে হয়, তাহলে বিধানসভায় লড়াইয়ের মুখ হিসেবে অশোক ভট্টাচার্যকে মানতে দ্বিধা কোথায়? প্রশ্ন তুললেন উত্তরবঙ্গের লড়াকু বিধায়ক আলি ইমরান (ভিক্টর)।।
(পুরো লেখাটি পড়ুন বেঙ্গল টাইমসে)

সব ভুলে তিন চুলে

অজানা, অচেনা পাখির কুজন, দূরে শ্বেতশুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘা, সিঁদুররাঙা আকাশ, হাতের সামনে সবুজ চা বাগানের উদ্দাম ঢেউ আপনার মনকে দু-দন্ড শান্তি দিয়ে যাবে। কোলাহল থেকে দূরে, নির্জন এক পাহাড়ি গ্রাম। মন মাতাল করে দেওয়া দৃশ্য। দেখে এলেন রূপম রায়।

হাঁসুলি বাঁকের নাট্যরূপঃ মুগ্ধতায় হাততালি দিতে ভুলে যান দর্শক

ময়ূখ নস্কর হাঁসুলি বাঁকের উপকথা নিয়ে সিনেমা করেছিলেন তপন সিনহা। সেখানে করালির ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন দিলীপ রায়। এক সিনিয়র সাংবাদিকের মুখে শুনেছি, সেই অভিনয় দেখে স্বয়ং তারাশঙ্কর বলেছিলেন, “আমার করালি-টা...

একই গান, টেক্কা দিয়ে গেছেন অন্যদের

একই গান। কিশোর গেয়েছেন, অন্যরাও গেয়েছেন। কিন্তু রফি, লতা বা আশা নয়, মহাকালের বিচারে শেষমেষ থেকে গেছে কিশোরের গানটাই। মানুষ ‘অশিক্ষিত’ গায়কের গানকেই বুকে ঠাঁই দিয়েছেন। এমনই অনেক গানের কথা তুলে ধরলেন কুণাল দাশগুপ্ত।

সেই রহস্যময় বাঁশি আর হকিং হিলের বিচিত্র সন্ধ্যে

মধুজা মুখোপাধ্যায় আচ্ছা পড়ন্ত সূর্যের আলো প্রকৃতির ক্যানভাসে নানা অবাক করা ছবি আঁকে, তাই না? কম বেশি সবাই তা অনুভব করেছি কখনও- সখনও। আবার অনেকে বলেন,  দিনের এই সময়টা খুব বিষন্নতা বহন করে নিয়ে...