কয়েকদিন আগের কথা। অমল দত্ত তখন গুরুতর অসুস্থ। সেই সময়েই মোহনবাগান রত্ন হিসেবে ঘোষণা হয় সৈয়দ নঈমুদ্দিনের নাম। নঈমের বয়ানে মোহনবাগান সচিব অঞ্জন মিত্রকে সুন্দর চিঠি লিখেছিলেন ময়ূখ নস্কর। দাবি ছিল, আমাকে নয়, এবার মোহনবাগান রত্ন দেওয়া হোক অমল দত্তকে। সেই লেখা আবার প্রকাশ করা হল। যাঁরা তখন পড়েননি, তাঁরা এখন অবশ্যই পড়ুন।
অমল দত্ত থাকতে আমি! প্লিজ, ক্ষমা করুন। আমাকে আপনারা পরেও মোহনবাগান রত্ন দিতে পারবেন। কিন্তু এবার এই সম্মানটা অমলদাকে দিন। সেই পুরস্কার আমি তুলে দেব। সেটাই হবে আমার গুরুদক্ষিণা। নঈমুদ্দিনের বয়ানে মোহনবাগান কর্তাদের এমনই এক আর্জি জানালেন ময়ূখ নস্কর।
সিপিএম-তৃণমূল বা মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলের লড়াই তো আছেই। ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির বাগযুদ্ধ ? সবাইকে ছাপিয়ে যেতে পারে পিকে-অমল জুটি। সেই অমল দত্ত শয্যাশায়ী, বাকরুদ্ধ। কাউকে নাকি চিনতেও পারছেন না। পি কে ব্যানার্জি, প্লিজ আপনি একবার বাগুইআটির বাড়িতে যান। আপনার ভোকাল টনিক দিয়ে উজ্জীবিত করে আসুন চির প্রতিদ্বন্দ্বীকে। কিংবদন্তি কোচকে নিয়ে মর্মস্পর্শী লেখা লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।