ভিক্টরের পাল্লা কংগ্রেসের দিকেই ঝুঁকে
দলের মধ্যে থেকে লড়াই করার রাস্তাটা বন্ধ। বাধ্য হয়েই অন্য কোনও পথ বেছে নিতে হবে। এক অদ্ভুত বাঁকের মুখে দাঁড়িয়ে। যেখান থেকে অনেকগুলো রাস্তা দেখা যায়।
দলের মধ্যে থেকে লড়াই করার রাস্তাটা বন্ধ। বাধ্য হয়েই অন্য কোনও পথ বেছে নিতে হবে। এক অদ্ভুত বাঁকের মুখে দাঁড়িয়ে। যেখান থেকে অনেকগুলো রাস্তা দেখা যায়।
বিধানসভায় তিনিই বিরোধীদের অন্যতম মুখ। কিন্তু সেই আলি ইমরান (ভিক্টর) অন্য এক অঙ্গিকার করে বসলেন। বললেন, কৃষ্ণ শিশুপালকে কথা দিয়েছিলেন, একশোটা অপরাধ ক্ষমা করবেন। আমিও কথা দিচ্ছি, সরকার মদ নিষিদ্ধ করুক, আগামী একবছর বিধানসভায় সরকারের বা মুখ্যমন্ত্রীর কোনও সমালোচনা করব না। বিধানভায় তাঁর স্মরণীয় বক্তৃতার নির্যাস পড়ুন বেঙ্গল টাইমসে।
দুদিনের রাজ্য কমিটির সভা। জোট নিয়ে নানা তাত্ত্বিক আলোচনা। তর্ক-বিতর্ক। পলিটবুরো, গণতান্ত্রিক কেন্দ্রীকতা। ভারি ভারি সব আলোচনা। বিপর্যয়ের আসল কারণগুলো নিয়ে আলোচনাই হল না। কোথায়, কেন সাফল্য, সেটুকুও আড়ালেই থেকে গেল। বিপর্যয়ের পরেও অন্য একদি দিকে আলো ফেললেন স্বরূপ গোস্বামী।।
শিলিগুড়ি মডেল মানে কংগ্রেস বা বিজেপি-র সঙ্গে হাত মেলানো নয়। শিলিগুড়ি মডেল মানে সারা বছর পাশে থেকে লড়াই করা। অশোক-মডেলই যদি মেনে নিতে হয়, তাহলে বিধানসভায় লড়াইয়ের মুখ হিসেবে অশোক ভট্টাচার্যকে মানতে দ্বিধা কোথায়? প্রশ্ন তুললেন উত্তরবঙ্গের লড়াকু বিধায়ক আলি ইমরান (ভিক্টর)।।
(পুরো লেখাটি পড়ুন বেঙ্গল টাইমসে)