উপন্যাসের অচেনা পিচ। স্বভাবতই, শুরুর দিকে একটু ধরে খেলা। তারপর উইকেটে সেট হয়ে যাওয়ার পর হাত খোলা। এই ছকেই এগিয়েছেন। ফলে, ব্যাটে–বলে টাইমিংটা ঠিকঠাক ছন্দ মেনেই এগিয়েছে। বাংলার ক্রিকেট কীভাবে এগোচ্ছে, কোথায় খামতি, সেগুলোও সুন্দরভাবে উঠে এসেছে। অন্ধকার সরণিতে তিনি যে বেরিয়েছেন মশাল হাতে। ফলে, ভাই–বোনের গল্প হয়ে উঠেছে বাংলার ক্রিকেটের চালচিত্র। ক্যানভাসটা নিজের পরিসর ছাড়িয়ে গেছে নিজের অজান্তেই।
যাঁর জীবনে যত বেশি বিতর্ক, তিনি নাকি তত ‘বর্ণময়’ চরিত্র। সেদিক থেকে সুধীর একেবারেই ‘বর্ণময়’ নন। তিনি বরাবরই পরিশ্রম করা, শৃঙ্খলা মেনে চলা এক ফুটবলার। যিনি কাউকে ছোট করে নিজেকে বড় করার চেষ্টা করেন না। প্রাণ খুলে অন্যের তারিফ করতে জানেন।
স্মৃতি তর্পণের ক্ষেত্রেও কক্ষপথটা বড়ই চেনা ছকে বাঁধা। তিনি কতটা মহান ছিলেন, তা বোঝাতে নানা ঘটনার উল্লেখ। নিরপেক্ষ, নির্মোহ বিশ্লেষণের থেকে দেবত্ব আরোপের পাল্লা অনেক বেশি ভারী। এবড়ো খেবড়ো উঠোনেও যেন সুদৃশ্য কার্পেট বিছিয়ে দেওয়া।
একটা সময় ছিল, যখন বিয়েবাড়ি, উপনয়ন, জন্মদিনে মানুষ বই উপহার দিতেন। সেই নিয়মে কোথাও যেন ছেদ পড়েছে। স্মার্ট ফোন এসেছে, পড়ার অভ্যেস কমেছে, এটাকে অস্বীকার করা যায় না। তবু বইমেলাকে ঘিরে এই উন্মাদনা বুঝিয়ে দেয়, বই চিরন্তন। বইয়ের বিপণন ব্যবস্থাও অনেক আধুনিক হয়েছে। এখন ঘরে বসেই বই অর্ডার দেওয়া যায়। সামনেরবার বইমেলার পঞ্চাশ বছর। তার আগে বাঙালি আবার সেই হারানো অভ্যেস ফিরিয়ে আনুক।
অনেকে জোর গলায় বলে বেড়ান, ‘আমি চিনি গো চিনি তোমারে ওগো বিদেশিনী’ গানটা নাকি ওকাম্পোকে নিয়েই লেখা। ঘটনা হল, সেই গানটা মোটেই প্লাতা নদীর ধারে লেখা হয়নি। লেখা হয়েছিল শিলাইদহে, পদ্মার পাড়ে বসে। তাছাড়া, গানটা লেখা হয়েছিল ওকাম্পোর সঙ্গে কবির সাক্ষাতের প্রায় তিন দশক আগে, ১৮৯৫ সালে।
শুরু হল বেঙ্গল টাইমসের নতুন বিভাগ— বইমেলার ডায়েরি। চলবে পুরো জানুয়ারি মাস জুড়েই। বইমেলার নানা ঘটনা, বিতর্ক যেমন থাকবে। তেমনই থাকবে কিছু স্মরণীয় বইয়ের আলোচনা। ১) পাঠকরাও অংশ নিতে পারেন।...
সুচিত্রার চরিত্রের অনেক অজানা দিক ও গল্প নিয়েই বিশেষ ই–ম্যাগাজিন। পিডিএফ দেওয়া হল। সঙ্গে দেওয়া হল ওয়েব লিঙ্ক। ডাউনলোড করলেই সহজে পড়া যাবে।
নাম কে ওয়াস্তে কয়েকটা লোকের ফেসবুক পোস্ট দেখে আমরা কী অবলীলায় এই সিদ্ধান্তে পৌঁছে গেলাম যে, বাংলাদেশের লোকেরা ভারতকে সহ্য করতে পারে না। একশ্রেণির বিকৃত মনের উন্মাদ সব দেশেই থাকে। তাঁদের সেই হুঙ্কারকে আমরা সেই দেশের আমজনতার কণ্ঠস্বর হিসেবে ধরে নিচ্ছি। এ যে আমাদের কতবড় অজ্ঞতা, তা আমরা বুঝতেও পারছি না।
ময়ূখ নস্কর আমাকে কেউ সিরিয়াসলি নেয় না মশাই! কেউ সিরিয়াসলি নেয় না! মানছি, আমি আক্ষরিক অর্থেই একজন কাগুজে মানুষ। বইয়ের পাতার বাইরে আমার কোনও অস্তিত্বই নেই। হ্যাঁ, সিনেমা বা টিভির...
সহজ নামটার প্রতি রাহুলের একটা দুর্বলতা থাকারই কথা। কিন্তু অনুষ্ঠানটা সহজ–সরল রাখা খুব সহজ ছিল না। যেমন, একবার ডেকে আনলেন ট্যুর ভ্লগার শিবাজি গাঙ্গুলিকে। সঙ্গী পৃথ্বীজিৎ। ভ্রমণের কত অজানা দিক উঠে এল সেই মুখোমুখি আড্ডায়। যাঁরা বেড়াতে ভালবাসেন, তাঁদের কাছে যেন অমূল্য সঞ্চয়। অন্য কোনও পডকাস্টার এভাবে শিবাজিকে ডেকে এনে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা পরিসরকে এভাবে তুলে ধরার কথা হয়তো ভাবতেই পারতেন না।