আবার এক স্বাধীনতা উৎসব এসে গেল।
‘স্বাধীনতা’ ‘স্বাধীনতা’ খেলা। তেরঙ্গা পতাকা উড়িয়ে, বন্দেমাতরম্ হুঙ্কার ছেড়ে, চেনা জানা কিছু স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নাম আউড়ে–তাঁদের নিয়ে জানা অজানা কিছু বক্তব্য দিয়ে মঞ্চ মাতানো কিছু বিদ্বজনের সাদা পোষাকে আনাগোনা–জয় হিন্দ ধ্বনি দেওয়া –এরই নাম আজ কাল স্বাধীনতা খেলা। লিখেছেন অম্লান রায়চৌধুরী।।
মুকুল রায় বৈঠক করলেন অরুণ জেটলির সঙ্গে। বিজেপি কর্মীরা দারুণ উৎসাহিত, এই মুকুল এলেন বলে! কোনও চান্স নেই। মমতার সম্মতি ছাড়া মুকুল রায় বৈঠক করেছেন, এটা বিশ্বাস করেন? সেই বৈঠকের নির্যাস জানলে হয়ত হতাশই হতে হবে। লিখেছেন রজন সেনগুপ্ত।।
নিজেদের চূড়ান্ত ক্ষতি কীভাবে করতে হয়, তা কারাটবাবুদের কাছ থেকেই শেখা উচিত। সংসদে সংখ্যার দিক দিয়ে এমনিতেই গুরুত্ব কমে গিয়েছে। সীতারাম ইয়েচুরিকে রাজ্যসভায় না পাঠিয়ে যেটুকু প্রাসঙ্গিকতা আছে, সেটুকুও হারাতে চাইছেন। একের পর এক সিদ্ধান্ত দলকে ক্রমশ প্রান্তিক করে তুলছে। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
দশ বছর আগেই রাষ্ট্রপতি হতে পারতেন আরেক বাঙালি। সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে প্রস্তাব এসেছিল সর্বসম্মত প্রার্থী হওয়ার। এক সাক্ষাৎকারে এমন কথাই উঠে এল। বিস্তারিত জানতে হলে পড়ুন। সঙ্গে সেই সাক্ষাৎকারের লিঙ্ক।
ভাবতে ভাল লাগছে, অনেক বিচ্যুতি এলেও বাংলার বেশিরভাগ মিডিয়া এখনও দায়িত্বশীল। কোনটা দেখানো উচিত আর কোনটা উচিত নয়, এই বোধটা এখনও তারা হারিয়ে ফেলেনি। লিখেছেন সাগর সেনগুপ্ত।।
প্রচারের ঢক্কানিনাদ ছিল না। আমিত্বের বড়াই ছিল না। ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য হিংসা ছড়ানো ছিল না। এক লহমায় ছুঁড়ে ফেলতে পেরেছিলেন প্রধানমন্ত্রিত্ব। আশির দশকে এমন একজন ভিপি সিং ছিলেন। এই প্রজন্ম সত্যিই দুর্ভাগা, তাঁদের সামনে কোনও ভিপি সিং নেই। লিখেছেন ইন্দ্রজিৎ দাশগুপ্ত।
অধিকাংশ সর্বভারতীয় চ্যানেল এমন ভান করে, যেন তারা সরকারের কতই ঘনিষ্ঠ। সারাক্ষণ ব্রেকিং নিউজ, ব্রেকিং নিউজ করে চিৎকার। কিন্তু রাষ্ট্রপতি কে হবেন? এই প্রশ্নে সবাই কুপোকাত। বোঝা গেল এদের ব্রেকিং নিউজের দৌড় কতদূর। নন্দ ঘোষের কড়চায় ফের স্বমহিমায় নন্দ ঘোষ।।
কর্তা যা চাইবেন, সেটাই হবে। আর কোনও কথা নয়, কোনও আলোচনা নয়। কমিটি থাকবে, শুধু সিলমোহর দেওয়ার জন্য। এভাবেই ভারতের রাষ্ট্রপতিও কারও একার ইচ্ছেয় ঠিক হয়ে যায়। কোথাও কোনও পাল্টা নাম, পাল্টা যুক্তি থাকবে না। হ্যাঁ, এটাই ভারতবর্ষ। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
এই বিজেপিই একসময় রাষ্ট্রপতি করেছিল এপিজে আব্দুল কালামকে। অনেকেই তাঁকে দেশের সেরা রাষ্ট্রপতি মনে করেন। এখন তাঁদের প্রার্থী রামনাথ কোবিন্দ। বলা হচ্ছে, ইনি প্রতিভা পাটিলের থেকে ভাল। শেষপর্যন্ত প্রতিভা পাটিলের সঙ্গে তুলনা টানতে হচ্ছে! লিখেছেন অমিত ভট্টাচার্য।।
অন্য দলের কথা ছেড়ে দিন। সাধারণ মানুষের কথা ছেড়ে দিন। খোদ বিজেপি–র কজন চিনতেন রামনাথ কোবিন্দকে? তিনি হয়ে যাবেন দেশের রাষ্ট্রপতি! তিনি হবেন রাষ্ট্রের অভিভাবক! ক্ষমতা আছে বলে যাঁকে খুশি রাষ্ট্রপতি বানিয়ে দিলেই হল! লিখেছেন মনোজ মুখার্জি।।