মোদি নাম বললেছিলেন, এবার মমতা বদলালেন

ইচ্ছেমতো নামবদল যেন একটা ট্রাডিশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই পথেই হেঁটেছিলেন মোদি। এবার তাঁর প্রকল্প বদলে দিলেন মমতা। সস্তা হাততালির মোহ থেকে বেরিয়ে আসা সত্যিই বড় কঠিন। লিখেছেন প্রসূন মিত্র।।

‌করণী সেনাদের ওপর একটা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করা যায় না ?

এত অবাধে তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে করণী সেনা?‌ তাও বেছে বেছে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে?‌ রাজ্য সরকারের নীরব প্রশ্রয় ছাড়া এমনটা হতে পারে?‌ করণী সেনাদের কাছে এই রাজ্য সরকারগুলি যেন বড়ই অসহায়। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।

মুলায়ম, আর নিজেকে ‘‌নেতাজি’‌ বলবেন না

নেতাজি বলতে আমরা চিনে এসেছি একজনকে। বর্তমান প্রজন্ম চিনছে মুলায়ম সিং যাদবকে। অনুরাগীরা ‘‌নেতাজি’ বলছেন, মুলায়মও দিব্যি উপভোগ করছেন। যাকে তাকে ‘‌নেতাজি’‌ বলা যায় না, এই বার্তাটা মুলায়মের কানে পৌঁছে দেওয়া যায় না?‌ নেতাজির জন্মদিনে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদন।।‌

সিবিআই তুলে দেওয়া হোক

সিবিআই রেখেই লাভ কী?‌ কোনও তদন্তই তারা ঠিকঠাক করতে পারে না। প্রমাণ জোগাড় করতে পারে না। পাড়ার পাঁচু কনস্টেবল যেটা পারে, সেটাও সিবিআই পারে না। আর তাই কানিমোঝিরা মিষ্টি বিলি করার, মালা গলায় সততার লেকটার দেওয়ার সুযোগ পেয়ে যায়। ওঁদের বিচার পরে হবে, তার আগে সিবিআই নামক প্রতিষ্ঠানটাই তুলে দেওয়া হোক। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

যতই চাপ থাক, ব্যর্থতার দায় সিবিআইকেই নিতে হবে

রাহুল সেন সুপ্রিম কোর্ট নাকি তিরষ্কার করেছে রাজ্য সরকারকে। কেন তারা সিবিআই কর্তাদের ডেকে পাঠাচ্ছেন?‌ কেন সিবিআই–‌কে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। কোর্টের কাছে তিরষ্কার নতুন কিছু নয়। মোটামুটি এটা রুটিন...

মুদ্রার উল্টো দিকটাও সত্যি

কমল হাসান যে মন্তব্যটি করেছেন তা সর্বৈব সত্য, কিন্তু তিনি একটি বিশেষ ধর্মের দৃষ্টিকোণ থেকে পরধর্মকে বিচার করেছেন। তাঁর অভিযোগ যেমন সত্যি, বিপরীতটাও সত্যি। দুই ধর্মের উগ্রতাই আগ্রাসনের ইন্ধন যোগাচ্ছে, সন্ত্রাসবাদের বীজ বপন করছে, দেশের অখণ্ডতা, সংহতির মূলে কুঠারাঘাত করছে। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।

রাজদীপকে সঠিক দাওয়াই দিলেন প্রণববাবু

ইন্টারভিউয়ের নামে যেন অসভ্যতা। অন্যকে বলতে না দেওয়া। মাঝপথে থামিয়ে দেওয়া। একা রাজদীপ সরদেশাই নন, অনেকেরই এই ‘‌সবজান্তা জ্যাঠামশাই’‌ হওয়ার রোগ আছে। তাঁদের জন্য একেবারে সঠিক বার্তাই দিয়েছেন প্রণব মুখার্জি। লিখেছেন ধীমান সাহা।।

এবার কি লালকেল্লা থেকে ভাষণও বাতিল!‌

তাজমহল নাকি ভারতের কলঙ্ক। তাই পর্যটন মানচিত্রে তার জায়গা হয় না। এরাই আবার দেশপ্রেমের কথা বলেন। কী জানি, এবার হয়ত লালকেল্লাকেও ভেঙে ফেলার দাবি উঠবে। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।

রাম রাজত্বের ঈষাণ কোণে কীসের মেঘ?‌

দেশের উত্তর-পূর্ব কোণের একটা রাজ্যের কিছু লোক কী যেন বলছে। বেশ কয়েক দিন ধরেই। শুনবেন নাকি একটু কান পেতে? অসীম ব্যস্ততা, ফেসবুক- হোয়াটসঅ্যাপে নিত্য হাজিরা, অ্যামাজনের সেলের মাঝে ১০ টা মিনিট বের করা যায় কি? লিখেছেন রাহুল চক্রবর্তী।।

এরকম দৃশ্য বাংলা আগেই দেখেছিল

রাম রহিমের শাস্তিতে উত্তাল হয়ে উঠল হরিয়ানা। রাস্তায় নেমে একজন ধর্ষক ও খুনির হয়ে মিছিল। কিন্তু আমাদের রাজ্য কি খুব আলাদা?‌ এখানেও সুপ্রিম কোর্ট সিবিআই নির্দেশ দিলেও মন্ত্রীরা প্রতিবাদে মিছিলে বেরিয়ে যান। চক্রান্তের গন্ধ পান, মানুষকে ক্ষেপিয়ে তোলেন। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।