তিনি কাশ্মীরের, তিনি কলকাতারও। মন পড়ে থাকে ভূস্বর্গে। কিন্তু কলকাতার সুখ–দুঃখের সঙ্গেও তিনি জড়িয়ে আছেন। যাই যাই শীতে তিনি কলকাতার অতিথি। কেমন হয় এক শালবিক্রেতার জীবন? কাবুলিওয়ালার রহমতের সঙ্গে মিল কোথায়? এই নিয়ে নস্টালজিক এক চিঠি। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
বেঙ্গল টাইমসে শুরু হয়েছে নতুন বিভাগ— আত্মকথা। আজ ৩০ জানুয়ারি, গান্ধীহত্যার কলঙ্কিত দিন। এই দিনে যদি নাথুরাম গডসে তাঁর আত্মকথা লিখতেন, কেমন হত? সেই ভাবনা থেকেই এই লেখা। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।।
নন্দ ঘোষ ঠিক করলেন, বইমেলায় যাবেন। গেলেন। নানা প্রকাশক ও লেখকদের নিয়ে অনেক খোঁজখবর নিলেন। বইমেলা নিয়ে কিস্তি লিখতে চান। তাঁকে কে না করবে? শুধু হল দেজ পাবলিশিংকে দিয়ে। আজ তাঁর শিকার দেজ–এর কর্ণধার শুধাংশুশেখর দে।।
আমরা হলাম সেই মধ্যবিত্ত, যারা দিনরাত মন্ত্রীদের গালমন্দ করি। এদিকে, নিজের ছোট্ট সংসার চালাতে হিমশিম খেয়ে উঠি। এদিক সামলাতে গিয়ে ওদিকটা বেসামাল হয়ে যায়। ছেলের আবদার মেটাতে গিয়ে বউয়ের চাওয়াটার মূল্য দিতে পারি না। সারাক্ষণ দ্বিধাদ্বন্দ্বের রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে কত জানা–অজানা ঠোক্কর খেয়ে বসি। একটা ছোট্ট ভুলের খেসারত হিসেবে আরও কত ভুলকে ডেকে আনি। যাঁদের ‘দিন আনি দিন খাই’ অবস্থা, তাঁদের কথা বাদ দিন। যাঁরা মাস মাইনের চাকুরে, বাইরে থেকে দেখে যাঁদের আপাতভাবে সচ্ছল বলেই মনে হয়, তাঁদের সংসারে কখনও উকি দিযেছেন ? তাঁর আয় হয়ত মাসে তিরিশ হাজার টাকা। আমরা ভেবে নিই, মাস গেলে তিরিশ হাজার ঢুকছে, মাত্র তিনটি লোক, কী এমন খরচা! নিশ্চয় অনেক টাকা জমেছে। কিন্তু তাঁর যে নাভিঃশ্বাস উঠছে, সে খবর কজন রাখি! রাজ্য সরকারী কর্মী, কেন্দ্রের কর্মী, নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি, যৌথ পরিবার, স্বামী–স্ত্রী দুজনের চাকরি, নিঃসন্তান, ছেলে–মেয়ে কলেজ পড়ুয়া। এমন নানা দম্পতির সঙ্গে কথা বলা হল। সংসারের খরচের ছবিটা একটু বোঝার চেষ্টা। আসুন, টুকরো টুকরো খরচের হিসেবগুলোয় একটু চোখ মেলানো যাক। সব জায়গায় খরচগুলো একরকম নয়। শহরের সঙ্গে আধা শহরের ফারাক আছে। ছোট পরিবারের সঙ্গে বড় পরিবারের ফারাক আছে। রুচি ও অভ্যেসগত কারণেও ফারাক অনেকটা বেড়ে যায়। কোনও খরচটা একেবারেই অনিবার্য। আবার কোথাও কোথাও হয়ত একটু লাগাম টানা যায়। বিষয় ধরে ধরে একটু আলোচনা করা যাক।
সোনিয়া মানে পরিবারতন্ত্র, দেখে দেখে ভাষণ দেওয়া। এমনটা তো অহরহ বলে থাকি। কিন্তু তার আড়ালে অন্য এক সোনিয়া গান্ধী, যিনি দু–দুবার হেলায় ফিরিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীত্ব। আমার দেশের কজন পেরেছেন ? এর পরেও তাঁকে বিদেশি বলে দূরে সরিয়ে রাখব ? সোনিয়ার সত্তরতম জন্মদিনে তাঁকে নিয়ে বিশেষ লেখা। লিখেছেন বৃষ্টি চৌধুরি।।
গড়াপেটার বিরুদ্ধে আই এফ এ কখনও কড়া শাস্তি দিয়েছে? গড়াপেটায় যুক্ত ক্লাবকে সাসপেন্ড করেছে? কোনও ফুটবলার কি গড়াপেটার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন? কলকাতা ফুটবলে এমন ঘটনা বছর দশেক আগে ঘটেছিল। নিঃশব্দে পেরিয়ে গেল দশটা বছর। সেই প্রতিবাদের নায়ক কুমারেশ ভাওয়াল বেঙ্গল টাইমসের মুখোমুখি।।
এখন যারা হানি সিংদের জন্য লাফাচ্ছে, তারা কুড়ি বছর পর এইসব গান শুনবে তো ? আমরা কিন্তু এখনও শানুর গান শুনি। বেশ গর্বের সঙ্গেই শুনি। নিজের অজান্তে গেয়েও উঠি। ৬০ তম জন্মদিনে কুমার শানুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে লিখলেন শ্রীপর্ণা গাঙ্গুলি।
ব্যোমকেশের স্রষ্টা হিসেবেই তাঁর পরিচিতি। অনেকে চেনেন ঐতিহাসিক উপন্যাসের জন্যও। কিন্তু সাহিত্যিকরা তাঁর কাছে এলেই সঙ্গে ঠিকুজি-কোষ্ঠী নিয়ে আসতেন। জ্যোতিষের জন্যও বিশেষ পরিচিতি ছিল শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিংবদন্তি সাহিত্যিকের মৃত্যুবার্ষিকীতে এমনই নানা অজানা কাহিনি তুলে আনলেন মিত্র অ্যান্ড ঘোষের কর্ণধার সবিতেন্দ্রনাথ রায়। বেঙ্গল টাইমসের পক্ষ থেকে তাঁর মুখোমুখি শোভন চন্দ।
জন্মদিনে মহানায়ককে বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য। উত্তম কুমারকে নিয়ে প্রকাশিত হচ্ছে বিশেষ ই ম্যাগাজিন- মহানায়ক, তোমারে সেলাম। তাঁর অভিনয় জীবন, ব্যক্তিজীবনের নানা অজানা দিক উঠে আসবে।
(বিস্তারিত জানতে পড়ুন)
সিঙ্গুর এখন আবির খেলুক। মিস্টিমুখ করুক। বিজয়োৎসব করুক। একদিন তাঁরা ঠিক বুঝতে পারবেন, কে তাঁদের আসল বন্ধু ছিল। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে খোলা চিঠি। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।