দারুণ ফিল্ম বানিয়েছো হে, অস্কার না পেয়ে যাও!‌

সত্যজিত রায়ের ‘‌পথের পাঁচালী’‌ এক স্বপ্ন জয়ের লড়াই। সত্যজিত বেচে দিলেন সহধর্মিনী বিজয়া রায়ের সব গহনা, জীবনবীমার পলিসি, নিজের দুষ্প্রাপ্য গানের রেকর্ডের সংগ্রহ। সব যোগ করেও যে হল না ফিল্ম...

এই চিরঞ্জিৎকে আপনি চিনতেন?‌

এই চিরঞ্জিৎকে কি আপনি চিনতেন?‌ হ্যাঁ, তিনি এক সময় দূরদর্শনে খবর পড়তেন। সেই সাবেকি দূরদর্শন যাঁরা দেখতেন, তাঁদের হয়ত মনে আছে। সেই স্মৃতির সরণি বেয়ে হাঁটলেন চিরঞ্জিৎ।

পাহাড় যেন দু’‌হাত উজাড় করে সবকিছু ফিরিয়ে দিল

একটা দুশ্চিন্তাকে সঙ্গে নিয়েই গিয়েছিলাম পাহাড়ে। পৌঁছনোর পরেও সেই দুশ্চিন্তাই যেন তাড়া করছিল। সকালের ঝলমলে কাঞ্চনজঙ্ঘাই যেন সবকিছু বদলে দিল। ভরা বর্ষায় সে এমনভাবে দেখা দেবে, ভাবনারও অতীত ছিল। ওই হেম স্টেতে বসেই কিনা হয়ে গেল বহুজাতিক কোম্পানির দু’‌খানা ইন্টারভিউ। সবই কেমন যেন অবিশ্বাস্য লাগছে। পাহাড় সফরের অন্য এক উপাখ্যান। উঠে এল শান্তনু পাঁজার লেখায়।

ছোট্ট ছুটিতে, মেঘের দেশে

প্রখর দারুণ অতি দীর্ঘ দগ্ধ দিন। এই গরমে কোথায় একটু প্রাণ জুড়োই। অথচ, খুব দূরেও যাওয়া যাবে না। লম্বা ছুটিও পাওয়া যাবে না। তাই পড়শি রাজ্য সিকিম থেকেই ঘুরে আসা যাক। মেঘ ভেসে বেড়ায়, এমন এক রাজ্য। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।

সেই সর্দারজিরা যদি ফিরে আসতেন!‌

কলকাতা থেকে অনেক কিছুই হারিয়ে যাচ্ছে। অনেক রাস্তায় ট্রাম দেখা যায় না। শীত এলে কাবুলিওয়ালা দেখা যায় না। রাস্তার ধারে খটাখট টাইপ রাইটার দেখা যায় না। সেই সর্দারজি ড্রাইভারদেরও আর কলকাতায় দেখা যায় না। লিখেছেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।।

পাহাড়ি গ্রামে কে ওই বিদেশিনী!

কিছুদূর যাওয়ার পরই রাস্তার পাশে একটা ছবির মতো সুন্দর বাড়ি চোখে পড়ল। সামনে অজস্র ফুলে ঘেরা লন। সেখানে বসে এক বিদেশিনী আলতো রোদ গায়ে মেখে একমনে বই পড়ছেন। দৃশ্যটা মনে গেঁথে যাওয়ার মতোই। জায়গাটা একঝলক দেখেই বেশ ভাল লেগে গেল। জানা গেল, সেটা এক নেপালী পরিচালিত হোমস্টে। বাড়ির সামনে অনেকটা ফাঁকা জায়গা। নানারকম পাহাড়ি ফুল বাগান আলো করে রেখেছে। অদ্ভুত প্রজাতির পাতাবাহার ও অর্কিডও রয়েছে। পাশেই রয়েছে বহু পুরনো বিশাল এক চার্চ।সিটং থেকে ফিরে লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।

মিলেনিয়াম পার্ক যেন হারিয়ে না যায়

সিদ্ধার্থ গুপ্ত কলকাতা শহরের বুকে বিনোদনের নতুন নতুন ঠিকানা তৈরি হচ্ছে। একটা জনপ্রিয় হলে, অন্যটা একটু ফিকে হয়ে যায়, এটাই সাধারণ নিয়ম। ইকো পার্কে ভিড় বাড়লে নিকো পার্কের ভিড় পাতলা...

মোয়ার সেকাল একাল

মোয়া মানেই উঠে আসে জয়নগরের নাম। দুটোই যেন সমার্থক। কিন্তু মোয়ার আসল রাজধানী মোটেই জয়নগর নয়। এই জয়নগর ব্র্যান্ডের আড়ালেই হারিয়ে গেছে বহরু। যাই যাই শীতের আমেজে সেই জয়নগর আর বহরু থেকে ঘুরে এলেন সংহিতা বারুই।

‌নীল সাহেবের কুঠি

সব মিলিয়ে ২২/২৩ ঘণ্টা অসাধারণ কেটেছিল। হয়তো গরম বলে একটু কষ্ট হয়েছে, বর্ষা বা শীত কালে এই জায়গাটার রূপ অসাধারণ হওয়া উচিত, ইচ্ছে আছে শীতকালে আরেক বার ঢু মারার। শহরের কোলাহল, ব্যস্ততা আর ইট কাঠ পাথরের আবর্জনা থেকে বেরিয়ে খোলা হাওয়ায় সবুজের মাঝে হারিয়ে যেতে হলে একবার ঘুরে আসবেন ‘‌ভালো ভূতের দেশ’‌ থেকে। মিশকালো অন্ধকারে ইছামতির ওপর শয়ে শয়ে জোনাকির মিটমিটে আলো আর সঙ্গে পূর্ণিমার ঝকঝকে চাঁদ পেলে তো কথাই নেই।

বৃষ্টির ধারা ও জঙ্গলের মাঝে অনন্ত ধারাগিরি

বিশ্বজিৎ ঘোষ সদ্য একপশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে, ঝুড়ো লালমাটি বৃষ্টির জল পেয়ে জমাট বেঁধে গেছে। চারপাশের গাছপালা, ঝোপঝাড়গুলি যেন কালচে সবুজ হয়ে গেছে। শুধু কালচে বললে ভুল বলা হবে, সবুজের...