নেতাজি মূর্তি ও সন্দীপনের সেই ঐতিহাসিক উক্তি

শ্যামবাজারের মূর্তিটা আসলে কার?‌ এই সম্পর্কে স্মরণীয় একটি মন্তব্য ছিল সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়ের। নেতাজির জন্মদিনে বেঙ্গল টাইমসের প্রতিবেদনে উঠে এল সেই অজানা মন্তব্য।

নেতাজির সম্মানে আজ চপ–‌পেঁয়াজি ফ্রি

একটি চপের দোকান। কত ইতিহাসের নীরব সাক্ষী! এখানেই নিয়মিত চপ, পেঁয়াজি খেয়ে যেতেন নেতাজি। তাই নেতাজির জন্মদিনে এই দোকানে সব কিছু ফ্রি। শতবর্ষের দোরগোড়ায় থাকা সেই দোকানকে নিয়ে লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।

৮০ তে আসিও না

অভিজিৎ দে আশিতে আসার যে কী বিড়ম্বনা!‌ শরীর কথা শুনতে চায় না। রোজ কোনও না কোনও কলকব্জা বিকল হয়ে পড়ে। স্মৃতি সঙ্গ দেয় না। চেনা নামগুলোও তখন কেমন যেন গুলিয়ে...

ছৌ মুখোশের চড়িদা গ্রামে একটি দিন

ছৌ নাচের কথা কে না জানেন!‌ কোথায় তৈরি হয় সেই ছৌ–‌মুখোশ?‌ অযোধ্যার লাগোয়া সেই চড়িদা গ্রাম থেকে ঘুরে এসে লিখলেন সংহিতা বারুই।

না বোঝা সেই মহালয়া

সেই রেডিওটা আজও আছে। ধুলো ঝেড়ে আর নামানো হয় না। আর ব্যাটারি ভরে প্রাণসঞ্চার করা হয় না। না বোঝা সেই মহালয়ার অনুভূতিটাও একটু একটু করে ফিকে হয়ে আসছে। ফেলে আসা সেইসব শরৎ–‌শিউলি ভোরের নস্টালজিয়া। উঠে এল অন্তরা চৌধুরির লেখায়।

দাও ফিরে সে ঝাউবন, লহ এ ‘‌উন্নয়ন’‌

উন্নয়নের নামে সব জায়গায় কংক্রিটের মিছিল। কৃত্রিম একটা সৌন্দর্যায়ন হচ্ছে ঠিকই। কিন্তু হারিয়ে যাচ্ছে ঝাউবন, কাঁকড়া। এতকিছু নিয়ে মিছিল হয়। পরিবেশ বাঁচানোর দাবিতে একটা মোমবাতি মিছিল হতে পারে না?‌ লিখেছেন সন্দীপ লায়েক।।

‌উৎসব থেকে দূরে, একাকী এক সন্ন্যাসী

পনেরোই আগস্ট সেই মানুষটা কোত্থাও যাননি। বেলেঘাটার গান্ধী আশ্রমে প্রার্থনা করে গেছেন আর একা একা চরকা কেটেছেন। না, সারাদিন কিছুই মুখে তোলেননি। উৎসব থেকে দূরে, একাকী এক সন্ন্যাসী। লিখেছেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।।

দেশে ট্রেন চলেছিল এই দিনেই

এই দিনে কতকিছু! এই পনেরোই আগস্ট ভারতের বুকে চলতে শুরু করেছিল ট্রেন। বম্বে থেকে থানে। সেই রেলযাত্রা ও তার বিবর্তনের কথা তুলে ধরলেন ময়ূখ নস্কর ।।

২৯ জুলাই, শিবদাস ভাদুড়ীর চোখে

শিল্ড জয়ের রাত। চারিদিকে উৎসব। উড়ছে মোহনবাগানের পতাকা।মোহনবাগানের জয় আর স্বাধীনতা যেন মিলেমিশে একাকার। সেই রাতে ডায়েরিতে কী লিখেছিলেন শিবদাস ভাদুড়ি। না লেখা সেই ডায়েরির পাতা বেঙ্গল টাইমসে উঠে এল। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।