কেন যে মহালয়া করতে গেলেন!‌

উত্তম কুমার একবার মহালয়া রেকর্ড করেছিলেন। রেডিওতে তা প্রচারিতও হয়েছিল। সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। পরের বছর থেকে আবার ফিরে এল বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রর মহিষাসুরমর্দিনী। কেন এমন প্রস্তাবে রাজি হয়েছিলেন?‌ কেনই বা ব্যর্থ হলেন?‌ তাই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।।

সম্রাট অশোকের দেশ থেকে ঘুরে আসবেন নাকি ?

ভোপাল থেকে মাত্র সোয়া এক ঘণ্টা। সম্রাট অশোকের দেশ। ইতিহাস যেন চুপি চুপি অনেক কথা বলতে চাইছে। সাঁচি স্তূপ থেকে ফিরে এসে সেই ছবিটাই তুলে ধরলেন শোভন চন্দ।

ভরসা থাকুক বেলাশেষের আজানে আর শাঁখের সুরে

ভাবতে লজ্জা হয় আজ সোনার বাংলাতেও সেই বিষ ঢুকে গেছে। আর তাকে মদত দিচ্ছে বাংলার সরকার আর কেন্দ্রের সরকার দুই সরকার মিলে। দুজনেরই এক একটি সম্প্রদায়ের প্রতি সীমাহীন পক্ষপাত। আর তার মূলে আজকের বসিরহাট, বাদুড়িয়ার এই শিউরে ওঠার মতো ঘটনা। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।

আশির দশক:‌ মনকা রেডিও

বেঙ্গল টাইমসে শুরু হয়েছে নতুন বিভাগ। আশির দশক। ফেলে আসা সেই সময়কে একটু ছুঁয়ে দেখার চেষ্টা। অনেকের স্মৃতিতে রয়ে গেছে কাঠের বাক্সের সেই রেডিও। এখন রেডিওতে মন কী বাত হয়। কিন্তু সেই ফেলে আসা রেডিওকে নিয়ে আমাদের মনের কথাটা ঠিক কী?‌ নস্টালজিয়ায় মোড়া দারুণ এক লেখা উপহার দিলেন সন্দীপ লায়েক।

কানুবাবুর সঙ্গে আর দেখা হল না

নকশালবাড়ি আন্দোলনের পঞ্চাশ বছর। মনে পড়ে যাচ্ছে কানু সান্যালের কথা। কিংবদন্তি নেতার বাড়ির খুব কাছাকাছি গিয়েও ফিরে আসতে হয়েছিল। স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে উঠে এল সেই আক্ষেপটাই।

মোহনবাগান কি শুধু ঘটিদের?

মোহনবাগানের অনেক কিংবদন্তিই আছেন, যাঁরা জন্মসূত্রে বাঙাল। এগারোর ঐতিহাসিক শিল্ড জয় থেকে নানা সাফল্যে যাঁদের প্রচুর অবদান। তাই প্রশ্ন ওঠে, মোহনবাগান কি শুধুই ঘটিদের ক্লাব?‌ সেই পুরনো বিতর্ককে উস্কে দিলেন ময়ূখ নস্কর।।

কীভাবে লেখা হল পাণ্ডব গোয়েন্দা?‌

পাণ্ডব গোয়েন্দা মানেই বাঙালির কাছে অন্য এক নস্টালজিয়া। কীভাবে লেখা হল এই কাহিনী?‌ লেখক ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলে অনেক অজানা কাহিনী জেনে নিলেন সংহিতা বারুই।

বন্ধুত্ব!‌ শুরুই হয়েছিল ঝগড়া দিয়ে

তিনি ছিলেন কিংবদন্তি সাংবাদিক। একইসঙ্গে সুচিত্রা সেনের বন্ধু। তিন বছর আগে সুচিত্রা বিদায় নিয়েছেন। তিনিও বিদায় নিলেন গত বছর। কীভাবে আলাপ? তিন বছর আগে সেই স্মৃতিই মেলে ধরেছিলেন বর্ষীয়াণ সাংবাদিক অমিতাভ চৌধুরি।

যেখানে নেতাজি খেতেন পেঁয়াজি

একটি চপের দোকান। কত ইতিহাসের নীরব সাক্ষী! এখানেই নিয়মিত চপ, পেঁয়াজি খেয়ে যেতেন নেতাজি। তাই নেতাজির জন্মদিনে এই দোকানে সব কিছু ফ্রি। শতবর্ষের দোরগোড়ায় থাকা সেই দোকানকে নিয়ে লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।

হেমিংওয়ের বাড়িতে বাংলা বই!

মধুজা মুখোপাধ্যায় আচ্ছা ধরুন আপনি হলেন আমার মতো একজন হোমসিক মানুষ।  সেখানে নিজের দেশ থেকে বহুদূরে আমেরিকার এক ছোট্ট শহরে একজন আমেরিকান লেখকের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে যদি তার শোবার ঘরে কাঁচের দেওয়াল...