তিনি এখনও বিতর্কিত, এখনও তীক্ষ্ণ, এখনও বেপরোয়া। কিন্তু একটা জিনিস তিনি প্রমাণ করেছেন—সবাই যখন নিরাপদ দিক খোঁজে, তখনও কেউ কেউ নিজের পুরনো ঘরটাতেই দাঁড়িয়ে থাকতে পারে। রাজনীতিতে আনুগত্যের মূল্য নিয়ে যত প্রশ্নই থাক, এই দৃশ্যটি অন্তত মনে রাখার মতো। কুণালের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন তাই হয়তো তাঁর মধ্যে নয়। পরিবর্তনটা ঘটেছে তাঁকে দেখার চোখে।
বিজেপিও আপাতত এই ‘পর্যটকদের’ সবাইকে নিজের ঘরে তুলে নিতে চাইছে না। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জুন মাসেই বলেছিলেন, তৃণমূলের নেতাদের জন্য বিজেপির দরজা বন্ধ; ‘তৃণমূলীকরণ’ হতে দেওয়া হবে না। ’ কিন্তু কতদিন এই দরজা বন্ধ থাকবে! যে কোনওদিন সেই আলিবাবা চল্লিশ চোরের মতো শোনা যাবে, ‘খুল যা সিম সিম’।
মেয়েরা নাকি অর্ধেক আকাশ। কিন্তু দুই অর্ধাঙ্গিনী একত্রে যেন ধরা দিলেন ‘পূর্ণাঙ্গিনী’ হয়ে। আর অর্ধেক নয়, আস্ত একটা আকাশ, যে আকাশ থেকে বৃষ্টি ঝরে, যে আকাশে রামধনু খেলা করে।
সত্যজিৎ–কিশোর কুমারের যুগলবন্দি রবি ঠাকুরকে ঘিরে শক্তপোক্ত শর্তাবলীর প্রাচীরকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল। রবীন্দ্রনাথের উঠোন হয়েছিল সর্বজনীন। সত্যি কথা বলতে কী, সেদিনের সেই শিল্প বিপ্লব না হলে হয়ত চেনাই যেত না ‘আমি চিনি গো চিনি তোমারে’কে।
কুণাল দাশগুপ্ত সেই কুস্তি আজও চলেছে । সাতের দশকের মাঝমাঝি সময় থেকে কেন্দ্রে বহু ধরনের সরকার এসেছে । জনতা, কংগ্রেস ,বি জে পি , হরেক কিসিমের । রাজনীতি , অর্থনীতি...
আর রাহুল? এখানে আবেগকে সরিয়ে রেখে তাঁকে দেখা কঠিন। বড় প্রিয় এক চরিত্র। তাঁর বুদ্ধিদীপ্ত ‘সহজ কথা’ বাঙালির অনেক জটিলতাকে ঢেকে দিয়েছিল সারল্যের চাদরে। পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে বড্ড তাড়াতাড়িই যেন চলে গেলেন। কিন্তু শিল্পীর মাহাত্ম্য এখানেই, শিল্পী হারিয়ে গেলেও শিল্প থেকে যায়। রাহুলের এই কাজটাও থেকে যাবে।
কী আশায় বাঁধি খেলাঘর। আসলে শ্যামল মিত্রর গান। কীভাবে কিশোর কুমারের গান হয়ে গেল? দেয়া নেয়া ছবিতে শ্যামল মিত্র কেনই বা প্রোডিউসার হয়েছিলেন? এমন অনেক অজানা কথা সৈকত মিত্রর স্মৃতিচারণে।
অনেকেই তো সেমিফাইনালে তুলেছেন, ফাইনালে নিয়ে গেছেন, ট্রফিও জিতিয়েছেন। কিন্তু কালের নিয়মে হারিয়েও গেছেন। মহাকাল তাঁদের কীর্তিকে মনে রাখেনি। নেইমার অন্তত সেই তালিকায় থাকবেন না। নাইবা এল ট্রফি, নাইবা এল ব্যালন ডি’ওর। নাইবা এল সোনার বল বা বুট। সমকালের গণ্ডি অতিক্রম করে তিনি থেকে যাবেন। ঠিক যেমন থেকে গেছেন জিকো, সক্রেটিসের মতো কিংবদন্তিরা।
বাঁকিপুর বিধানসভা পাটনা সাহিব লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। ২০০৮ সালের সীমানা পুনর্নির্ধারণের পর মূলত তৎকালীন পাটনা পশ্চিম ও পাটনা মধ্য বিধানসভার অংশ নিয়ে এই কেন্দ্রের সৃষ্টি হয়। সামাজিক বিন্যাসের দিক থেকে...
মীরাবাই দাঁড়িয়ে রইলেন মঞ্চে। সামনে তেরঙ্গা। চারপাশে আলো। আর দু’চোখ বেয়ে নেমে এল জল। সেই কান্না আনন্দের, কিন্তু শুধু আনন্দের নয়। নিজের জীবনের দিকে ফিরে তাকালে হয়তো সেখানে দেখা যায় কত দীর্ঘ একটা পথ। কতবার শরীরকে হার মানাতে হয়েছে, কতবার মনকে বোঝাতে হয়েছে—আরও একবার, আরেকটু। মীরাবাই নিজেই বলেছেন, জাতীয় সঙ্গীত বাজতেই গত কয়েক বছরের সব লড়াই, সব যন্ত্রণা, সব ত্যাগ একসঙ্গে মনে পড়ে গিয়েছিল।