ঘরের পাশে, পড়শি দেশে
ইচ্ছে ছিল সকলের জন্য বিদেশ ভ্রমণের কিছু স্মারক চিহ্ন নিয়ে আসব। কিন্তু দামের পারদ যেভাবে উর্দ্ধমুখী আমাদের পকেটের অবস্থা ততটাই নিম্নমুখী। তাই সকলের জন্য ভুটানি ম্যাগি, অন্ধকারে খেলে আলো জ্বলবে এমন চকলেট, আর গুটিকয়েক ভুটানি কোল্ডড্রিঙ্কস নিয়ে আবার আমার দেশে টুক করে ফিরে এলাম। শুধু আমার দেশের পরেই নয়, সকল দেশের পরেই ঠেকাই মাথা। কাজেই ভিসা পাসপোর্ট না থাকলেও বিদেশ ভ্রমণের এমন সুযোগ হাতছাড়া করবেন না।
শুনতেন বেশি, বলতেন কম
শুনতেন বেশি, বলতেন কম। এই গুণটি খুব কম রাজনীতিকের মধ্যেই দেখা যায়। মন দিয়ে অন্যের কথা শোনাটা যে জরুরি, এটা রাজনীতির প্রাথমিক একটা পাঠ। কিন্তু অনেকেই এই প্রাথমিক পাঠ ছাড়াই নেতা হয়ে যান। তাঁদের শোনার ধৈর্য কই?
সোনার কেল্লা পার্ট টু
(ঠিক বছর দশ আগের কথা। মুকুল রায়কে নিয়ে তৈরি হয়েছিল অদ্ভুত এক জল্পনা। তিনি আসলে কোন দলে, তাই নিয়েই ছিল নানা ধোঁয়াশা। মনে হচ্ছিল, তিনি যেন সোনার কেল্লার সেই মুকুল। পূর্বজন্মের কথা মনে পড়ে যাচ্ছিল। বেঙ্গল টাইমসে লেখা হয়েছিল সোনার কেল্লা পার্ট টু। লিখেছিলেন রবি কর। সেই লেখা আবার প্রকাশিত হল।)
মেঘের দেশের হাতছানি, নির্জন সেই দাওয়াই পানি
বাড়ির সামনেই একটা বেঞ্চ পাতা। ঘরে ঢোকার আগেই সেদিকে চোখ চলে গেল। সামনে একেবারে খোলা জায়গা। সামনে কোনও বাড়ি নেই। কোনও জনপদ নেই। একেবারে খোলা পাহাড়। দূরে নাম না জানা সব পাহাড়ের সারি। আহা, এই বেঞ্চে বসেই তো অনন্ত সময় কেটে যায়। গেয়ে উঠলাম, ‘আমার আর কোথাও যাওয়ার নেই। কিচ্ছু করার নেই।’
অন্যের ভাষাকে ছোট না করেও নিজের ভাষাকে ভালবাসা যায়
এই দিনটি নিজের ভাষাকে ভালবাসার দিন। পাশাপাশি মাথায় রাখতে হবে, আমার মাতৃভাষা যেমন আমার কাছে প্রিয়, তেমনই অন্যের ভাষাও তার কাছে প্রিয়। আমার ভাষাকে বড় করে দেখাতে গিয়ে আমরা যেন কখনই অন্য ভাষাকে ছোট করে না দেখি।
ওরা কী চায়, নিজেরাই জানে না
ফোকাস। ফোকাস। মোবাইলে মগ্ন বিরাট অংশের তরুণদের মধ্যে সেই ফোকাসটাই নেই। সারাদিনে ওদের স্ক্রিনটাইম হয়ত দশ থেকে বারো ঘণ্টা। মানে, এতটা সময় মোবাইল হাতে কাটায়। যে সময় মোবাইল হাতে নেই, তখনও কিন্তু ভাবনায় সেই মোবাইলই ঘুরে বেড়াচ্ছে। এই সময়টা আরও দু–তিন ঘণ্টা। অর্থাৎ, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মোবাইল সংযোগ অন্তত বারো থেকে পনেরো ঘণ্টার। তার পরেও দিনের শেষে প্রশ্ন করুন, সারাদিনের প্রাপ্তি কী ? বলার মতো বিশেষ কিছুই থাকবে না।
মিলিয়ে নেবেন, ইডি এবারও ‘কাঁচকলা’ করবে
যাঁরা ইডি, সিবিআই–কে চালান, তাঁরা এই দুই প্রতিষ্ঠানকে এতটাই ঘৃণার জায়গায় নামিয়ে এনেছেন। এবারও মিলিয়ে নেবেন, ইডি কাঁচকলাই করবে। মমতা ব্যানার্জি এসে ইডির কাছ থেকে শুধু ফাইল কেড়ে নিয়ে যাননি। তিনি ইডিকে কার্যত ধর্ষণ করে গেছেন।
গণতন্ত্রই পারে অরাজকতার মেঘ সরিয়ে সম্প্রীতি ফেরাতে
দুই দেশের সদর্থক আলোচনাই পারে পারস্পরিক ভুল বোঝাবুঝিকে দূরে সরিয়ে আরও কাছাকাছি এনে দিতে। সাম্প্রতিক অতীতেত এই তিক্ততা, এই অরাজকতা আমরাও ভুলতে চাই। নতুন সম্পর্কের সূচনা হোক। পুরনো তিক্ততা ভুলে আবার সেই হারানো সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য ফিরে আসুক।
ভাই–বোনের গল্পেই বাংলার ক্রিকেটের চালচিত্র
উপন্যাসের অচেনা পিচ। স্বভাবতই, শুরুর দিকে একটু ধরে খেলা। তারপর উইকেটে সেট হয়ে যাওয়ার পর হাত খোলা। এই ছকেই এগিয়েছেন। ফলে, ব্যাটে–বলে টাইমিংটা ঠিকঠাক ছন্দ মেনেই এগিয়েছে। বাংলার ক্রিকেট কীভাবে এগোচ্ছে, কোথায় খামতি, সেগুলোও সুন্দরভাবে উঠে এসেছে। অন্ধকার সরণিতে তিনি যে বেরিয়েছেন মশাল হাতে। ফলে, ভাই–বোনের গল্প হয়ে উঠেছে বাংলার ক্রিকেটের চালচিত্র। ক্যানভাসটা নিজের পরিসর ছাড়িয়ে গেছে নিজের অজান্তেই।
